রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২
রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৪৭ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৪৭ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ৪৭ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

 

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০), আওয়ামীলীগের সমর্থক, পিতা-মৃত মমরোজ আলী, মাতা-মৃত ফিরোজা খাতুন, সাং-চর হাসাদিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর হাসাদিয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) টিটু সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মারামারি মামলার আসামী ১। মোঃ আশিকুর রহমান (১৯), পিতা-মোঃ হযরত আলী, সাং-নারকেল বাগান রোড, বয়ড়া ভালুকা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ইং ২৮/১১/২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ২০.১৫ ঘটিকার সময় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বয়ড়া ভালুকা সুপারী বাগান মসজিদের পাশে জনৈক সুমন এর মুদির দোকানের সামনে হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ লোকমান (২৬), পিতামৃত-মিজানুর রহমান, মাতা-মোছাঃ নার্গিস আক্তার, সাং-গলগন্ডা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আরিফ (৫২), ০৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি, পিতামৃত-শহর আলী, মাতামৃত-আবে খাতুন, সাং-গোহাইলকান্দি জামতলা মোড়, থানা- কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন গোহাইলকান্দি এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) টিটু সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী ১। মোঃ আসিফ (২৩), পিতামৃত-আইনুল হক, মাতা-আছমা বেগম, ২। প্রান্ত সরকার (১৯), পিতা-প্রদীপ সরকার, মাতা-অনুরাধা সরকার, ৩। নিলয় কর্মকার (১৯), পিতা-নির্মল কর্মকার, মাতা-মনি কর্মকার, সর্ব সাং-কালিবাড়ী কবরখানা রোড, ৪। রাহুল (১৯), পিতামৃত-রতন বর্ণিক, মাতা-লক্ষী বর্ণিক, সাং-জেসি গুহ রোড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ১/ডি জেসি গুহ রোড (স্টেশন গেইট) প্রগতি গেষ্ট হাউজের সামনে সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহাদের নিকট হইতে ০৪টি চাকু ও ০৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।

ইছাড়াও র‌্যব-১৪ থানা এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫৫), পিতা-মৃত রজিব উদ্দিন, ২। রাজিয়া সুলতানা (৬২), পিতা-মৃত আব্দুর রকিব, উভয়সাং-পূর্ব রামচন্দ্রপুর, ৩। মোছাঃ রিনা বেগম (৩৫), স্বামী-রেজাউল করিম, সাং: উত্তর গোপালপুর, সর্বথানা: পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাটদেরকে কোতোয়ালী মডেল থানা সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের ভাটিবাড়েড়া সাকিনস্থ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে জনৈক শফিকুল ইসলাম এর ‘‘ভাই ভাই হোটেলের” সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহাদের নিকট হইতে ১৯০২ পিস ইনজেকশন উদ্ধার করেন।

 

এসআই (নিঃ) আলী আকবর সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আব্দুল মতিন (৬২), পিতা-মৃত আব্দুল জব্বার বেপারী, মাতা-রেজিয়া খাতুন, সাং- সরস্বতীকান্দা, ২। মোঃ জুলহাস মিয়া (২২), পিতা-হাফিজ উদ্দিন, মাতা-শেফালী আক্তার, সাং-বালিদিয়া, ৩। হাসান মিয়া (২১), পিতা-আতিকুল ইসলাম, মাতা-পারুল আক্তার, সাং-কাকচর নয়াপাড়া, ৪। আরিফুল ইসলাম (২৬), পিতা-নজরুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ সালমা বেগম, সাং- সরস্বতীকান্দা, ৫। আসাদুল ইসলাম (৪২), পিতা-আলী উদ্দিন, মাতা-মৃত তহুরুন নেছা, সাং-তালতলা, ৬। শাহ জালাল (৬৫), পিতা-মৃত আবুল কাশেম, মাতা-মোছাঃ জাহিদা খাতুন, সাং-কাকচর চকপাড়া, ৭। আব্দুর রশিদ (৩২), পিতা-চাঁন মিয়া, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-কাঁঠাল রাজাবাড়ী, ৮। মোঃ সোহাগ (৩০), পিতা-মৃত শামছুল হক, মাতা-নুর জাহান, সাং-কাকচর চকপাড়া, ৯। সাব্বির আহম্মেদ (১৯), পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, মাতা-রওশনারা, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১০। আতিকুল ইসলাম (৫৫), পিতা-শমসের আলী, মাতা-মোছাঃ বানু, সাং-কাকচর, ১১। মোঃ জাহিদ হাসান (২১), পিতা-আব্দুল সালাম, মাতা-জোৎ¯œা আরা বেগম, সাং-বড়মা, ১২। দুলাল মিয়া (৪৮), পিতা-মৃত নাজিম উদ্দিন @ নজিম উদ্দিন, মাতা-ফালানী খাতুন, সাং-তালতলা, ১৩। শওকত আলী (৩০), পিতা-জালাল উদ্দিন, মাতা-হাজেরা খাতুন, সাং-বড়মা, ১৪। আতিকুল ইসলাম (২৫), পিতা-মৃত আব্দুর জব্বার, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১৫। মোঃ দুলাল (৩৮), পিতা-মৃত তাইজ উদ্দিন, মাতা-ফিরোজা খাতুন, সাং-বড়মা, ১৬। মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৪), পিতা-মোফাজ্জল হোসেন, মাতা-বেদেনা খাতুন, সাং-বালিদিয়া, ১৭। আব্দুর মালেক (৩৩), পিতা-আব্দুল মান্নান, মাতা-রোকেয়া বেগম, সাং-চকরামপুর কাজিরকান্দা, ১৮। মোঃ বোরহান উদ্দিন (২৭), পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, মাতা-রওশনারা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১৯। মোঃ ইউনুছ আলী (২৬), পিতা-জালাল উদ্দিন, মাতা-হাজেরা খাতুন, সাং-বড়মা, ২০। হুমায়ুন কবির (৩২), পিতা-সিরাজুল ইসলাম, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-কাকচর, ২১। মোঃ রিপন মিয়া (৩২), পিতা-মৃত চাঁন মিয়া, মাতা-রুপজান নেছা, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২২। মামুন মিয়া (১৯), পিতা-মোঃ রুহুল আমিন, মাতা-মোছাঃ রোকেয়া খাতুন, সাং-বালিদিয়া, ২৩। মোঃ আল আমিন (২৬), পিতা-আব্দুল হেকিম, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৪। মোঃ রাসেল (২৩), পিতা-মোঃ আব্দুল খালেক, মাতা-মোছাঃ মমতা বেগম, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৫। মোঃ মানিক মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ আব্দুর রশিদ, মাতা-রাবেয়া খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৬। মোঃ লিটন মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত মাহমুদ আলী, মাতা-আম্বিয়া খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৭। মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মোঃ কছিম উদ্দিন খান, মাতা-আমেনা খাতুন, সাং-বড়মা, ২৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত মাহমুদ আলী বেপারী, মাতা-মৃত রমিছা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, সর্ব থানা-ত্রিশাল, ২৯। মোঃ নাজমুল হুদা ফরাজী (৩৫), পিতা-আব্দুল কদ্দুছ, মাতা-তাসফিয়া খাতুন, সাং-তেলীগ্রাম, থানা-ফুলবাড়ীয়া, এ/পি সাং-বনগ্রাম, থানা-ত্রিশাল, সর্ব জেলা-ময়মনসিংহ, ৩০। মোঃ আকরাম হোসেন (২৩), পিতা-মোঃ সুরুজ আলী, মাতা-সাবানা আক্তার, ৩১। ইমান উদ্দিন (২৪), পিতা-তরিকুল ইসলাম, মাতা-নুরজাহান, উভয় সাং-সিদ্ধরপুর, ৩২। মোঃ আসাদ মিয়া (৩৫), পিতা-সালেম উদ্দিন, মাতা-সাহেরা খাতুন, সাং-ছোট কাইলাটি, সর্ব থানা-নেত্রকোণা সদর, জেলা-নেত্রকোনা’দেরকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজের পশ্চিম পাশে জয় বাংলা চত্ত্বরের সামনে হইতে গ্রেফতার করেন।

 

১। মোঃ রাকিবুল হাসান রাজিব (২৬), পিতা-মৃত মুনসুর আলী, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম দুলদুল ক্যাম্প, ২। ইলিয়াস কাঞ্চন (২৫), পিতা-গোলাপ মিয়া, মাতা-মোছাঃ আছিয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম র‌্যালীর মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) নুরুল ইসলাম সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ রাকিবুল হাসান রাজিব (২৬), পিতা-মৃত মুনসুর আলী, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম দুলদুল ক্যাম্প, ২। ইলিয়াস কাঞ্চন (২৫), পিতা-গোলাপ মিয়া, মাতা-মোছাঃ আছিয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম র‌্যালীর মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এএসআই (নিঃ) ইমরান আলী সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৫), পিতা-আব্দুর রশিদ, মাতা-আমেনা বেগম, সাং-থানারঘাট, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন দিঘারকান্দা মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

ইহাছাড়াও এসআই (নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন থানা এলাকা অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১টি সিআর পরোয়ানা ভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

 

সিআর পরোয়ানা ভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

 

১। মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিতা-মোফাজ্জল হোসেন, স্থায়ী : গ্রাম- চর খরিচা, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।

ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে প্রকাশ্য জনসমাগমের মধ্যেই দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন নজরুল ইসলাম (৪৬)।

নিহত নজরুল ইসলামের রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘবদ্ধ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হঠাৎ নজরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এরশাদ বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রকাশ্য স্থানে এমন সহিংসতায় জনমনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রভাবিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ডৌহাখলা ইউনিয়নের গাজীপুরে সাব্দুল সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক চিড়ে গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন অবৈধ ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটা। ভোগান্তিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, নিরব প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া, কয়লার গুড়া ও ধুলোবালিসহ ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দের মিশ্রনে বিদ্যালয়ের কোমোলমতি শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষে বসে লেখাপড়া করাটাই দায় হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটা মালিক চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুকুল ইসলাম রতন পেশি শক্তিবলে বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ অবৈধ দখলে নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এরা কি আসলেই চেয়ারম্যানরুপী সেবক ছিলেন? নাকি সেবক নামের জানোয়ার! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি খোঁজ রাখেন না? নাকি ঘুষের ঘোরে অন্ধ?

স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানায়, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে ক্লাসে বসে থাকতে পারিনা, স্কুল ড্রেস একদিনের বেশি পড়তে পারিনা। আমাদের অনেক কষ্ট হয়, শ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর তাঁর বক্তব্য বলেন, আমরা শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কি ক্লাস করাব, যেখানে আমরাই ঠিকে থাকতে পারিনা সেক্ষেত্রে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এগুলো কিভাবে সহ্য করবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কিছু বলতে হবে না, আপনারা দয়া করে একটু বসুন তাহলেই অনুভব করতে পারবেন ইটভাটার ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে বিদ্যালয়টি যেন নরকে পরিনত হয়েছে।

এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা কেটে দখলে নিয়েছে, জায়গাটা ভরাট করে দিবে বলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত দেয়নি। আজ আপনাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলায় কাল থেকে এই বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারব কি না আল্লাহ জানেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মুঠোফোন রিসিভ না করলেও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের পরিবেশ আসার কথা, ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট করলে পরিবেশের একটা প্রসিকিউশন লাগে ওনারা আসলেই বিষয়টি আমরা দেখব।

সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে জেগে উঠেছে সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকার যুবসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিস্তার, কিশোর-তরুণদের নেশায় জড়িয়ে পড়া এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে একটি মাদক নির্মূল কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, যেখানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজ একত্রিত হয়ে একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কমিটির মাধ্যমে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া এবং তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি মাদকবিরোধী গণস্বাক্ষরের অংশ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেকে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভাঙছে, শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে- যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব অভিযোগ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।

মাদক নির্মূল কমিটির এক উদ্যোক্তা বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দিতে চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীরা আইনের আওতায় আসুক, আর আমাদের এলাকা মাদকমুক্ত হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, যেকোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর আশা, যুবসমাজের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকা ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে পরিণত হবে।