সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার!! 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৪৬ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার!! 

ময়মনসিংহে তেত্রিশটি ওয়ার্ডে মাদকে ছেয়ে গেছে। শহরের কৃষ্টপুর, পুরোহিত পাড়া, কেওয়াটখালি, পাটগুদাম ব্রীজ মোড়, শম্ভুগজ্ঞ, রহমতপুর, গোহাইলকান্দি স্কুলের পাশে, ভৈরব রেলগেইট এলাকায় বানের পানির মতই ভাসছে মাদক। এ শহরে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার! কোন প্রতিকার নিচ্ছেনা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ফলে ব্যাপক ভাবে যুব সমাজ মাদকে আকৃষ্ট হয়ে উঠেছে। বাড়ছে চুরি ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ।

 

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে চুনোপটি মাদক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাঘব বোয়াল মাদক কারবারিরা। কোমর বেঁধে মাদকের ময়দানে নেমে গেছে মাদক বেচা-কেনায়। জানা গেছে, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের দুজন কর্মকর্তা ও কতিপয় পুলিশ অফিসার এবং মাদক ফিল্ডের কারবারি-ব্যবসায়ীরা এই মাদক ব্যবসায় পারস্পরিক সমঝোতা করে দেদারছে মাদক ব্যবসা করছে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর এর এস আই মোর্শেদ আলম ও এ এস আই জহিরুলকে মাদক স্পট গুলোতে নিয়মিত আসা যাওয়া রয়েছে বলে মাদক ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে। এছাড়াও কোতোয়ালী থানা ও ডিবি’তে কর্মরত কতিপয় পুলিশ অফিসার মাদক ব্যবসায় সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের চাকুরি জীবনের বেশীর ভাগ সময় কোতোয়ালী থানায় ও ডিবিতে চাকুরী করে যাচ্ছেন। ক্ষুদ্ধ পুলিশেই এদের কেহ ডাকাত দারোগা নামে কতিথ আছে!

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের দুই অফিসার ও কতিপয় পুলিশ সদস্য আগে থেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সমঝোতা করে নেয় পুলিশ সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ীদের ধরবে না এবং থানা পর্যন্ত না গিয়ে ওন-দ্যা স্পট নগদ টাকার লেনা-দেনার মাধ্যমে কর্ম শেষ করে দেয়, যা উর্ধতন কর্মকর্তার দৃষ্টি চোখের আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। এই অনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকার পরও কিছুই জানতে পারছেন না উর্ধতন কর্মকর্তারা এটা দুঃখজনক বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহবাসী।

 

জানা গেছে, ময়মনসিংহ সিটি এলাকায় তেত্রিশটি ওয়ার্ডেই চলছে বিভিন্ন নামে ছোট-বড় মাদক ব্যবসা। তার একমাত্র কারণ ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা ও ডিবিতে যে সকল ছোট-বড় পুলিশ কর্মকর্তারা নিয়োজিত আছেন তারা দীর্ঘদিন ঘুড়ে ফিরে একই পুলিশ স্টেশনে কাজ করার সুবাদে বিভিন্ন অপরাধী মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে। ফলে তারা মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করলেও লক্ষ টাকায় ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে স্পটেই রফাদফা সেড়ে ফেলে বলে বহু অভিযোগ রয়েছে। অনেক মাদক মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের সোর্স দাবী করে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। অভিযোগ ও প্রচার রয়েছে তিনি নাকি শম্ভুগজ্ঞ ও কেওয়াটখালি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের মাদকের জোগান দেন।

 

এদিকে একই এলাকায় ভৈরব রেললাইনের পাশে নারী ইয়াবা ব্যবসায়ী সুর্বণার সাথে মাদকের পার্টনার অনেকে। অন্যদিকে কথিত মাদক সম্রাট ময়মনসিংহের হামে তার নামে একটি মাদক স্পট করেছে যার নাম “কেওয়াটখালী হামের স্পট” এবং মাদক ব্যবসায়ী রেহানা তার নামেও একটি নারী মাদক স্পট তৈরি করেছে বলে জানা গেছে। কৃষ্টপুরে রয়েছে পাপ্পু ও সিরাজের মাদক স্পট। বীরদর্পে মাদক বিক্রি করে এরা। রহমতপুরের রাহেলা, গোহাইলকান্দির রুনা, দুখিনীসহ বহু মাদক ব্যবসায়ী এসব এলাকায় রয়েছে।

সুত্র জানায়, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায় থেকে ময়মনসিংহ “ক” সার্কেলে তালিকা চাওয়া হলে এস আই মুর্শেদ আলম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা আড়াল করে চুনোপুটি গাঁজা ব্যবসায়ীদের তালিকা পাঠিয়ে দেন। ইনচার্জ এতে নাখোশ হন। তিনি মাসে ১/২টি মামলাও করতে চাননা বলে সুত্রটি জানিয়েছে।

ময়মনসিংহবাসী অবিলম্বে কথিত মাদক সম্রাট হামে এবং রেহানা ১৯ নং ওয়ার্ডের পালপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী, রুমা, জহিরুল, ফয়সাল, সুর্বনা, চায়না মোড়ের কাজল, পুরোহিত পাড়ার মাদক আস্তানার বিশাল মাদক ব্যবসার চক্র, কৃষ্টপুরের সিরাজ, রুনু, পাপ্পু, রহমত পুরের রাহেলা, গোহাইল কান্দির দুখিনী, রুনার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন সচেতন ময়মনসিংহবাসী।

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ পিএম
‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল  ‎

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় রেঞ্জের নিয়মিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের হাতে এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা। পর্যালোচনা সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলা নিষ্পত্তি, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের মূল্যায়ন এবং এটি দায়িত্ব পালনে পেশাগত উৎসাহ ও কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জনের পেছনে ধোবাউড়া থানার প্রতিটি সহকর্মীর নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে। তাই এই অর্জন আমি থানার সব সহকর্মীর প্রতি উৎসর্গ করছি।

‎তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে তিনি ও তাঁর পুরো টিম ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়, অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে বসতঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি ট্রান্সফরমার। এতে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের গোরকপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধুরাইল ইউনিয়নের পশ্চিম পাবিয়াজুরী ও গোরকপুর এলাকায় আকস্মিক ঝড়টি আঘাত হানে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে এলাকার বহু বসতঘরের চালা উড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিম পাবিয়াজুরীর সুমন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে গোরকপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা গাছ সরিয়ে সড়কটি সচল করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে গোরকপুর এলাকায় তিনটি ট্রান্সফরমার ও কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎহীন রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোরকপুর উত্তরপাড়া এলাকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের বসতঘর ও রান্নাঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে ঘরের বিভিন্ন অংশ। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে টিন ও কাঠের খুঁটি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাই। অনেক কষ্ট করে নতুন ভিটায় ঘর করেছিলাম। কিন্তু মাত্র এক মিনিটের ঝড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমাকে সহযোগিতা করলে খুব উপকার হতো।’

গোরকপুর ও পশ্চিম পাবিয়াজুরী এলাকার আরও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধবা রাহিলার বসতঘরও ঝড়ে ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটে। ঝড়ে আমার ঘরটাও ভেঙে গেছে। আমার একটা ব্যবস্থা করে দেন।’

ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ ঘরের চালা উড়ে যাওয়ার সময় ভাঙা খুঁটির নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রুবেলের স্ত্রী রেনুয়ারা বলেন, ‘ঝড়ের সময় ঘরের খুঁটি ভেঙে পড়ে আমার স্বামী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পশ্চিম পাবিয়াজুরীর বাসিন্দা আজি রহমানের বসতঘর ও গোয়ালঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ঘরের চারটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরুর পা কেটে গেছে। এ ঘটনায় তার দুই ছেলেও আহত হয়েছেন।

গোরকপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয় চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের ঝড়ে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অবগত হয়েছেন। একটি টিম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য মোস্তফা কামাল বলেন, রাতে এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ঝড়ের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেলের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে।

‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

‎ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে কেউ হতাহত হননি।

‎খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।

‎ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

‎অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বাসটিতে বাইরে থেকে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

‎ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

‎এদিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

‎তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।