রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার!! 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:৪৬ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার!! 

ময়মনসিংহে তেত্রিশটি ওয়ার্ডে মাদকে ছেয়ে গেছে। শহরের কৃষ্টপুর, পুরোহিত পাড়া, কেওয়াটখালি, পাটগুদাম ব্রীজ মোড়, শম্ভুগজ্ঞ, রহমতপুর, গোহাইলকান্দি স্কুলের পাশে, ভৈরব রেলগেইট এলাকায় বানের পানির মতই ভাসছে মাদক। এ শহরে মাদকের ছড়াছড়ি নেই কোন প্রতিকার! কোন প্রতিকার নিচ্ছেনা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কিংবা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। ফলে ব্যাপক ভাবে যুব সমাজ মাদকে আকৃষ্ট হয়ে উঠেছে। বাড়ছে চুরি ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ।

 

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে চুনোপটি মাদক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাঘব বোয়াল মাদক কারবারিরা। কোমর বেঁধে মাদকের ময়দানে নেমে গেছে মাদক বেচা-কেনায়। জানা গেছে, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের দুজন কর্মকর্তা ও কতিপয় পুলিশ অফিসার এবং মাদক ফিল্ডের কারবারি-ব্যবসায়ীরা এই মাদক ব্যবসায় পারস্পরিক সমঝোতা করে দেদারছে মাদক ব্যবসা করছে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর এর এস আই মোর্শেদ আলম ও এ এস আই জহিরুলকে মাদক স্পট গুলোতে নিয়মিত আসা যাওয়া রয়েছে বলে মাদক ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে। এছাড়াও কোতোয়ালী থানা ও ডিবি’তে কর্মরত কতিপয় পুলিশ অফিসার মাদক ব্যবসায় সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের চাকুরি জীবনের বেশীর ভাগ সময় কোতোয়ালী থানায় ও ডিবিতে চাকুরী করে যাচ্ছেন। ক্ষুদ্ধ পুলিশেই এদের কেহ ডাকাত দারোগা নামে কতিথ আছে!

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রনের দুই অফিসার ও কতিপয় পুলিশ সদস্য আগে থেকেই মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে সমঝোতা করে নেয় পুলিশ সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ীদের ধরবে না এবং থানা পর্যন্ত না গিয়ে ওন-দ্যা স্পট নগদ টাকার লেনা-দেনার মাধ্যমে কর্ম শেষ করে দেয়, যা উর্ধতন কর্মকর্তার দৃষ্টি চোখের আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। এই অনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকার পরও কিছুই জানতে পারছেন না উর্ধতন কর্মকর্তারা এটা দুঃখজনক বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন ময়মনসিংহবাসী।

 

জানা গেছে, ময়মনসিংহ সিটি এলাকায় তেত্রিশটি ওয়ার্ডেই চলছে বিভিন্ন নামে ছোট-বড় মাদক ব্যবসা। তার একমাত্র কারণ ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা ও ডিবিতে যে সকল ছোট-বড় পুলিশ কর্মকর্তারা নিয়োজিত আছেন তারা দীর্ঘদিন ঘুড়ে ফিরে একই পুলিশ স্টেশনে কাজ করার সুবাদে বিভিন্ন অপরাধী মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বন্ধুত্ব হয়েছে। ফলে তারা মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করলেও লক্ষ টাকায় ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে স্পটেই রফাদফা সেড়ে ফেলে বলে বহু অভিযোগ রয়েছে। অনেক মাদক মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের সোর্স দাবী করে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। অভিযোগ ও প্রচার রয়েছে তিনি নাকি শম্ভুগজ্ঞ ও কেওয়াটখালি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের মাদকের জোগান দেন।

 

এদিকে একই এলাকায় ভৈরব রেললাইনের পাশে নারী ইয়াবা ব্যবসায়ী সুর্বণার সাথে মাদকের পার্টনার অনেকে। অন্যদিকে কথিত মাদক সম্রাট ময়মনসিংহের হামে তার নামে একটি মাদক স্পট করেছে যার নাম “কেওয়াটখালী হামের স্পট” এবং মাদক ব্যবসায়ী রেহানা তার নামেও একটি নারী মাদক স্পট তৈরি করেছে বলে জানা গেছে। কৃষ্টপুরে রয়েছে পাপ্পু ও সিরাজের মাদক স্পট। বীরদর্পে মাদক বিক্রি করে এরা। রহমতপুরের রাহেলা, গোহাইলকান্দির রুনা, দুখিনীসহ বহু মাদক ব্যবসায়ী এসব এলাকায় রয়েছে।

সুত্র জানায়, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায় থেকে ময়মনসিংহ “ক” সার্কেলে তালিকা চাওয়া হলে এস আই মুর্শেদ আলম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা আড়াল করে চুনোপুটি গাঁজা ব্যবসায়ীদের তালিকা পাঠিয়ে দেন। ইনচার্জ এতে নাখোশ হন। তিনি মাসে ১/২টি মামলাও করতে চাননা বলে সুত্রটি জানিয়েছে।

ময়মনসিংহবাসী অবিলম্বে কথিত মাদক সম্রাট হামে এবং রেহানা ১৯ নং ওয়ার্ডের পালপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী, রুমা, জহিরুল, ফয়সাল, সুর্বনা, চায়না মোড়ের কাজল, পুরোহিত পাড়ার মাদক আস্তানার বিশাল মাদক ব্যবসার চক্র, কৃষ্টপুরের সিরাজ, রুনু, পাপ্পু, রহমত পুরের রাহেলা, গোহাইল কান্দির দুখিনী, রুনার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন সচেতন ময়মনসিংহবাসী।

পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
পথনাটকে পরিচ্ছন্ন নগরের বার্তা, ময়মনসিংহে ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ

পরিবেশ সংরক্ষণ, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের উদ্যোগে এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পরিবেশ সচেতনতামূলক পথনাটক ‘আবর্জনা’ মঞ্চস্থ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সমনা আল মজীদ (উপসচিব), মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, জেলা কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ্-আল-মামুন, সিরাক বাংলাদেশের প্রতিনিধি কামরান মিয়া, ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্য এবং সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

পথনাটকে অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যেখানে-সেখানে আবর্জনা ফেলার ক্ষতিকর প্রভাব এবং পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে নাগরিক দায়িত্ববোধের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ সময় প্রতিপাদ্য ছিল, “শহর যদি হয় পরিষ্কার, সুস্থ থাকবে পরিবার।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান রোকন বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

পথনাটকটি রচনা করেন যুব কাউন্সিলর মো. সজিব হাসান (সানি)। নির্দেশনায় ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীর আলম রবিন। এতে অভিনয় করেন মো. রবিন মিয়া, মিনহাজুল ইসলামসহ ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যরা।

গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

মাহমুদ হাসান আলিফ, গৌরিপুর।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
গ্রাহকের সুবিধার কথা ভেবে আধুনিক সেবায় এগিয়ে মেছিডেঙ্গীর সোহাগ মিয়া

গৌরীপুরের লঙ্কার ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সোহাগ মিয়ার দোকানটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে নিত্যপণ্য সংগ্রহের অন্যতম আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সঠিক মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দোকানটিতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

দোকান মালিক সোহাগ মিয়া জানান, স্থানীয় গ্রাহকদের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি পণ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করছেন। দোকানের সব পণ্যের প্যাকেজিং ও মেয়াদ নিয়মিত যাচাই করা হচ্ছে, যাতে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করতে পারেন।

ডিজিটাল সেবার এই যুগে সোহাগ মিয়া তার দোকানে বিকাশ এজেন্টসহ আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করেছেন। এতে স্থানীয় মানুষ খুব সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারছেন, যা এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সময় ও কষ্ট দুটোই সাশ্রয় করছে।

এলাকাবাসী জানান, সোহাগ মিয়ার দোকানে সব সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে এবং দোকানের পরিবেশ বেশ গোছানো।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক সুজিত দাস বলেন, বাজারের মাঝামাঝি সময়ে এমন একটি দোকান থাকা আমাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক। সোহাগ মিয়ার এই ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও গ্রাহকসেবার মানসিকতা স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি ভালো দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনেও তিনি তার এই সেবার মান ধরে রেখে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম
ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৪০০ বীমা দাবির চেক হস্তান্তর

ময়মনসিংহে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির উদ্যোগে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) ময়মনসিংহ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের মাঝে মোট ৪০০টি বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি এম ইউসুফ আলী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলী, ঊর্ধ্বতন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (আল-আমিন বীমা প্রকল্প) মো. আবু তাহের, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (জনপ্রিয় বীমা প্রকল্প) মো. কামাল হোসেন মহসিন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইসলামী ডিপিএস প্রকল্প) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান সিকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন আল-বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক কে এম বিল্লাল হোসেন, পপুলার ডিপিএস প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মো. সোলায়মান হোসেন সোহাগ এবং পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির বিভিন্ন প্রকল্পের ইনচার্জরা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির মহাব্যবস্থাপক (সমন্বয়কারী, ময়মনসিংহ) সাকিল মাহমুদ।

বক্তারা বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে দ্রুততম সময়ে বীমা দাবি পরিশোধে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা সম্প্রসারণ, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং বীমা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা গ্রাহকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৪০০টি বীমা দাবির চেক তুলে দেন।