শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহের রমেশেন রোড পতিতাপল্লীতে চোলাই মদের ব্যবসার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫২ পিএম
ময়মনসিংহের রমেশেন রোড পতিতাপল্লীতে চোলাই মদের ব্যবসার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ময়মনসিংহ নগরীর রমেশেন রোড এলাকার পতিতাপল্লীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ চোলাই মদের ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, জেসমিন নামে এক নারী ও সিরাজ নামে এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি নির্দিষ্ট ঘরে প্রকাশ্যে এ ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মদের এই কারবারকে কেন্দ্র করে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, মাদকাসক্তি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মাতাল ও বহিরাগতদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তারা জানান।

এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ মাদক ব্যবসা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

অষ্টগ্রামে দলিল জালিয়াতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্তের দাবি

হাওর অঞ্চল প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ পিএম
অষ্টগ্রামে দলিল জালিয়াতি ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, তদন্তের দাবি

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দলিল জালিয়াতি, অবৈধভাবে খারিজ সম্পন্ন এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মো. জসিম মিয়া। তিনি অভিযোগ করেন, অষ্টগ্রাম ভূমি অফিসের নায়েব, সার্ভেয়ার এবং আবেদনকারী মো. জাবেদসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের যোগসাজশে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে তার ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে তাকে ও তার পরিবারকে একাধিক মিথ্যা মামলায় জড়িয়েও হয়রানি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে জসিম মিয়া জানান, প্রায় দুই বছর আগে তিনি তার চাচা মরহুম ঝারু মিয়ার ওয়ারিশদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা মূল্যে এক একর জমি কেনার চুক্তি করেন। এ সময় বায়না হিসেবে ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয় এবং অবশিষ্ট ৮ লাখ টাকা দলিল সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও বিক্রেতারা দলিল সম্পাদন না করে নানা টালবাহানা করতে থাকেন।

তার অভিযোগ, জমি বিক্রির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পরও বিক্রেতা পক্ষ গত বছরের ১ জুলাই তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। পরে তাকে এবং তার পরিবারের আরও তিন সদস্যকে একটি ধর্ষণ মামলায় আসামি করা হয়, যা তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জসিম মিয়া আরও অভিযোগ করেন, তার ক্রয়কৃত জমির বিষয়ে আবেদনকারী মো. জাবেদ মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ভূমি অফিসের নায়েব ও সার্ভেয়ারের সহযোগিতায় ভুয়া খারিজ সম্পন্ন করেছেন।

তার দাবি, ওই খারিজ আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা খাজনার রশিদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ এবং মূল দলিল সবই জাল। এরপরও রহস্যজনকভাবে ভূমি অফিস এসব কাগজপত্র গ্রহণ করে খারিজ অনুমোদন দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জসিম মিয়া বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি। অথচ আজ সরকারি অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এবং একটি প্রভাবশালী চক্রের ষড়যন্ত্রে মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি। জাল কাগজপত্র তৈরি করে আমার জমি বেদখলের চেষ্টা চলছে।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ভূমি জালিয়াতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে পরিত্রাণের দাবি জানান।

মাদরাসায় উচ্চশিক্ষা: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম
মাদরাসায় উচ্চশিক্ষা: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআবি) উদ্যোগে ‘মাদরাসায় উচ্চশিক্ষা: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সেমিনারে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাদরাসা শিক্ষাকে গবেষণামুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও যুগোপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ২টায় ময়মনসিংহ নগরীর অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলা ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও জামালপুরের অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং গভর্নিং বডির সদস্যরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষা দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুগের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাদরাসা শিক্ষাকে আরও গবেষণামুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও দক্ষতাভিত্তিক করতে হবে। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমৃদ্ধ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে পারলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা জাতীয় উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

উপাচার্য উপস্থিত অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, মাদরাসার সার্বিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আত্মসমালোচনা ও আত্মমূল্যায়নের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে নিয়মিত ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এ ছাড়া প্রতিটি মাদরাসায় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে মাদরাসাগুলোতে ইবতেদায়ি শাখা চালুরও পরামর্শ দেন তিনি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ শাহীনুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষার সামনে যেমন ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। আধুনিক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে মাদরাসা শিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদরাসা পরিদর্শক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আখলাকুল আম্বিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মোমেনশাহী ডিএস কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ড. মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস খান, শেরপুরের শ্রীবরদী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হালিম মিয়া, নেত্রকোনার এন আকন্দ কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল বাতেন, কাতলাসেন কাদেরিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেন আজিজী এবং জামালপুরের বাট্টাজোর কে আর আই কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সুলতান মাহমুদ খসরু।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং গভর্নিং বডির প্রতিনিধিরা মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে তাঁদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠান শেষে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খানের ময়মনসিংহ সফরকে কেন্দ্র করে বিভাগের চার জেলার ফাজিল ও কামিল (অনার্স) স্তরের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির প্রতিনিধিদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করে।

মিঠামইনে আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের অভিযোগ, তদন্তে সত্যতা পাওয়ার দাবি

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
মিঠামইনে আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের অভিযোগ, তদন্তে সত্যতা পাওয়ার দাবি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া আব্দুল গনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ড্রেস মেকিং কর্মী ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে অমানবিক আচরণের অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ড্রেস মেকিং কর্মী ফিরোজা খাতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে অমানবিক আচরণের অভিযোগ এনে ন্যায়বিচারের দাবিতে মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই অভিযোগটি তদন্ত করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ।

তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করেন। তদন্ত শেষে তিনি প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান।

এদিকে তদন্তের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

একজন অভিভাবক বলেন, ‘আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।’

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশও ব্যাহত হতে পারে।