বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিয়োগ বাণিজ্য ও জমি দখল- সম্পদের পাহাড় গড়েছেন যুবলীগ সভাপতি সেলিম!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় নিয়োগ বাণিজ্য ও জমি দখল- সম্পদের পাহাড় গড়েছেন যুবলীগ সভাপতি সেলিম!

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্য, কৃষিজমি দখলের চেষ্টা, সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা ইউছুফ আব্দুল্লাহ আল মামুন (সেলিম)-এর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও রহস্যজনক কারণে তিনি এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভাবখালী দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হন সেলিম। ওই সময় মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী, ঝাড়ুদারসহ একাধিক পদে নিয়োগ দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একই মাদ্রাসায় জেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত প্রায় ৭ লাখ টাকা এবং নারায়নপুর তোরার মোড় জামে মসজিদের ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া ভাবখালী মৌজায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী ভাসমান কিছু জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিন ফসলি জমিতে শিল্পকারখানা স্থাপনে সরকারের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে ভাবখালী গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাশে কৃষিজমিতে পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের নামে জমি কেনার উদ্যোগ নেন সেলিম। সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই জমিগুলোতে গম, ভুট্টা, মরিচ, বাদাম, ধান ও পেঁয়াজসহ নানা ধরনের ফসল চাষ হয়। প্রতিবছর এসব জমি থেকে কয়েক হাজার টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৯ সাল থেকে এলাকায় পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ও সাবেক যুবলীগ নেতা ইউছুফ আব্দুল্লাহ আল মামুন (সেলিম)-এর নেতৃত্বে কিছু দালালের মাধ্যমে কৃষকদের কাছ থেকে জমি কেনার চেষ্টা শুরু হয়। তবে অধিকাংশ কৃষক জমি বিক্রি করতে অনিচ্ছুক থাকলেও বিভিন্ন কৌশলে জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, জমির মালিকদের সম্মতি ছাড়াই কিছু জমিতে প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড বসানো হলে ক্ষুব্ধ কৃষকরা তা ভেঙে ফেলেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জব্বারের ছেলে মকবুল হোসেন বলেন, “গ্রামের অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। তাদের পরিবারের একমাত্র ভরসা এই কৃষিজমি। কিন্তু প্রভাবশালী একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা করে সেলিম কৃষকদের মতামত ছাড়াই শিল্পকারখানা নির্মাণের পায়তারা করছেন। ইতোমধ্যে অনেকের জমি জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জমি ছেড়ে দিতে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকিও দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “জমি রক্ষা ও জনজীবন নিরাপদ রাখতে আমরা বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছি।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ময়মনসিংহ ও আশপাশের এলাকায় জমি কেনাবেচা, দালালি ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন সেলিম। অভিযোগ রয়েছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যেও তিনি জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ময়মনসিংহ ও নিজ এলাকায় হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। বর্তমানে ময়মনসিংহ নগরীর কেওয়াটখালী ময়নার মোড় এলাকায় জমিসহ একটি আলিশান বাড়ি নির্মাণ করে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইউছুফ আব্দুল্লাহ আল মামুন (সেলিম)-এর বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২ নম্বর ভাবখালী ইউনিয়নের ভাবখালী গ্রামের মাথালিয়া বাড়ি এলাকায়। স্কুলজীবনে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ভাবখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ইদ্রিস আলী মীরের হাত ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। পরে ছাত্রলীগ থেকে যুবলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ভাবখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক যোগাযোগের সূত্র ধরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। পরবর্তীতে বিশেষ সুপারিশে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পান তিনি। অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে কাগজে-কলমে দায়িত্বে থাকলেও তিনি নিয়মিত অফিস করতেন না এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সময় থেকেই জমি কেনাবেচা, দালালি, ঘুষ ও মামলা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন সেলিম। বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতার জন্য জমি কেনার ব্যবস্থা করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা আয় করেন তিনি। অনেক ক্ষেত্রে জমির মালিকরা আপত্তি জানালে প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া সরকারি খাস জমি চিহ্নিত করে তা বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের স্বাক্ষর জাল করা বা নকল সিলমোহর ব্যবহার করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়।

তবে গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী আইনের আওতায় এলেও সেলিম এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলছেন, সেলিমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউছুফ আব্দুল্লাহ আল মামুন (সেলিম)-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।