রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

যে কারণে ৬৩ আসন খালি রেখে ২৩৭ আসনের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫, ২:৩৯ এম
যে কারণে ৬৩ আসন খালি রেখে ২৩৭ আসনের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি

জোটসঙ্গীদের ভুলে যায়নি বিএনপি। তাদের জন্য ৬৩টি আসন খালি রাখা হয়েছে। বাকী ২৩৭ আসনে নিজ দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে দলটি।

আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে পাশে থাকা সমমনা দলগুলোর জন্য বেশিরভাগ আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘটতে পারে এ কারণে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি।

বিএনপি সমর্থিত তিনটি জোটেই রয়েছে ৩০টি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে নাগরিক ঐক্য, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলনসহ সাতটি দল নিয়ে গঠন হয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। বিশ দলীয় জোট ভেঙে গঠিত হয়েছে ১২ দলীয় জোট। আর জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট নামে একত্রিত হয়েছে ১১টি রাজনৈতিক দল। এ ছাড়াও বাম গণতান্ত্রিক জোট, সিপিবিসহ ফ্যাসিস্টবিরোধী সব রাজনৈতিক দলই এখন বিএনপির পাশে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

এই দলগুলোর জন্য বিএনপি আসন ছেড়ে দিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো জানায়নি যে, তারা বিএনপির সঙ্গে জোটে যাবে কিনা।

ঢাকায় সাতটি আসন ফাঁকা রেখেছে বিএনপি। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না যে কোনো একটিতে লড়তে পারেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক পটুয়াখালী-৩ ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-২, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা কিশোরগঞ্জ-৫, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে লড়তে পারেন।

এই আসনগুলোতে বিএনপি কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি।

এছাড়াও এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (চট্টগ্রাম-১৪), দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ (ঢাকা-১৭), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট-এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজের (ঢাকা-১৩) জন্যও উল্লেখিত আসনগুলো খালি রাখা হয়েছে।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তালিকা প্রকাশ করেন।

এর আগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে দলীয় প্রার্থীদের প্রাথমিক নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আগামী ফেব্রুয়ারিতে আমরা গণতান্ত্রিক নির্বাচন পেতে যাচ্ছি। সেই নির্বাচন প্রায় ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা দেওয়া হচ্ছে। আর যেসব আসনে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে, সেটি বিএনপি সমন্বয় করে নেবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দিনাজপুর-৩, বগুড়া-৭ ও ফেনী-১ থেকে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আর দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লড়বেন বগুড়া-৬ আসন থেকে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।

বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
বিএমইউজে ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) ফেনী জেলা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকালে ফেনী শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আনোয়ার হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন – সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও মো. গাজিউল হক; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী নুরুল আলম নিলু ও মো. আতিকুর রহমান রোজেন; সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর হৃদয়; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নিমাই চন্দ্র মজুমদার; কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান পলাশ; সহ-কোষাধ্যক্ষ মহি উদ্দিন মিয়াজী সেজু; দপ্তর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম তোতা; সহ-দপ্তর সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল।

এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার সম্পাদক হিসেবে আরাফাত হোসেন এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিলন নির্বাচিত হন।

নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ শেখ কামাল, মো. ওবায়দুল হক, জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আফতাব হোসেন মমিন ভূঁইয়া ও আলাউদ্দিন সবুজ।

সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন আমির হোসেন তানভীর, জিয়া উদ্দিন, কামাল উদ্দিন, জাফর ইমাম রতন এবং জহিরুল ইসলাম খান।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

শিবলী সাদিক খান, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:৪০ পিএম
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার চেক বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের মাঝে ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ময়মনসিংহ জেলা সার্কেলের যৌথ আয়োজনে এ চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিআরটিএ ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে এই অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আজকের এই আয়োজন মানবিক হলেও এটি আনন্দের নয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও তাদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কখনোই পূরণ হওয়ার নয়।”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটলেও বাংলাদেশে এর হার উদ্বেগজনক। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করলেও জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। রাস্তা পারাপারে সতর্কতা অবলম্বন, ফুটপাত ও মহাসড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং সড়ক আইন মেনে চলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের সড়ক আইন সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও সড়ক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। যানবাহন চালকদের ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে হবে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে করতে গাড়ি চালানো কিংবা রাস্তা পার হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধি, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী সরকারের ঘোষিত “পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি”-এর অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ জেলা লেডিস ক্লাব প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।