বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

কুমিল্লা অন্ধকল্যান সমিতির ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে

জুয়েল খন্দকার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১০:৪৩ পিএম
কুমিল্লা অন্ধকল্যান সমিতির ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে

জুয়েল খন্দকা, নিজস্ব প্রতিবেদক:-

বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে রয়েছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে কুমিল্লায় অন্ধকল্যান সমিতির কোটি কোটি টাকা লুটপাট এর অভিযোগের শিরোনামে দৈনিক রূপালীদেশ, দেশপত্র ও সংবাদ টিভিতে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর কুমিল্লার তত্ত্বাবধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে ২৪/০৬/২০২৫ইং তারিখে সারা দিন ব্যাপী তদন্ত করেন ফারহানা আমিন এর নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি।

অনুসন্ধানে জানা যায় যে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতি, কুমিল্লার ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের দোসর সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার তার স্ত্রী মেহেরুন নেসা বাহার, মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা, এড. তাইফুর আলম, ডা: একেএম আব্দুল সেলিম, ডা: এমকে ডালি, ডাক্তার মাঈনুদ্দিন ইমন, ডা: রেজওয়ানা আফতাব লীরা, ডা: ফারহানা আক্তার স্নীগ্নদ্ধা, এইচ আর এডমিন সাঈদুল ইসলাম ভূইয়া সহ আরও অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পারিবারিক দুর্নীতির সিন্ডিকেট করে বিগত ১৭ বছরে লুটপাট সহ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া পারিবারিক সদস্যদের অবৈধ ভাবে নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্য করার বিশাল অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তদন্ত দ্রুত গতিতে শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছেনা কেন তার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে থাকার কারণে এখনো পর্যন্ত কোন তদন্তের ফলাফল দৃশ্যমান হয়নি। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় নানান রাজনৈতিক তদবির চলছে আওয়ামিলীগ দোসরদেরকে বাঁচাতে।

 

স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের দোসর সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহার উদ্দিন বাহর তার স্ত্রী মেহেরুন নেসা বাহার ও মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা সহ এড. আ হ ম তাইফুর আলম, এড, ফাহমিদা জেবিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম টুটুল, স্বৈরাচার সরকার সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের নির্বাচনীয় ডোনার প্রদ্বীপ কুমার রাহা, ডা: গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, অশোক বড়ুয়া, মোঃ শাহ-জান সিরাজ, মোঃ আব্দুল হালিম, ফিরুজ আলম এর নেতৃত্বে ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতি, পারিবারিক নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্য সহ নানান অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ: 

১/ চক্ষু হাসপাতালে পরিচালনা কমিটি ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত, ২/আড়াই কোটি টাকা সরকারি কর ফাঁকি, ৩/ জুলাই বিপ্লবের ছাত্র জনতার উপর হামলা, ৪/ ৫ই আগস্টের পর কমিটির সদস্যরা পলাতক থাকা, ৫/ বৈষম বিরোধী ছাত্রদেরকে চাঁদাবাজি তোকমা দেওয়া, ৬/ সরাসরি জুলাই আগস্টে কথিত শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণ করে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামীলীগকে সমর্থন করা, ৭/ ডা: আব্দুল সেলিম কর্তৃক কর্তব্যরত নার্স”কে নির্যাতন করা, ৮/ ক্রয় কমিটির দুর্নীতি, ৯/ আওয়ামী পন্থি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া, ১০/ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীকে (এনাস্থেশিয়া – অজ্ঞান) ডাক্তার না থাকা, ১১/ সরকারি চুক্তিবদ্ধ ডিপিপির বিশাল টাকা আত্মসাৎ, ১২/ ট্রেজারি চালানের টাকা আত্মসাৎ, ১৩/ কর্মচারীদের জমানো টাকার লভ্যাংশ আত্মসাৎ, ১৪/ নিয়ম বহির্ভূত চিকিৎসক নিয়োগ, ১৫/ অবৈধ কমিটি গঠন, ১৬/ চিকিৎসক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিহীন চিকিৎসক নিয়োগ বাণিজ্য, ১৭/ নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে পারিবারক সদস্যদেরকে নিয়োগ দেওয়া, ১৮/ সভাপতি আ হ ম তাইফুল আলম ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত থেকে জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে শান্তি মিছিল অংশগ্রহণ ও আর্থিক সহায়তা করার অভিযোগ, ১৯/ গঠনতন্ত্রের ১৮ অনুচ্ছেদের আহ্বায়ক কমিটি ছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটি তৈরি করা হয় আওয়ামী লীগের দোসরদেরকে নিয়ে, ২০/ ডা: এমকে ঢালী গণজাগরণ মঞ্চের একনিষ্ঠ সহযোগীর অভিযোগ, ২১/ স্বাচিপ নেতা ডা: মাঈন উদ্দিন ঈমন কর্তৃক অপারেশনের সময় এনেস্থেশিয়ার অদক্ষতার ও অবহেলাজনিত ভুল ঔষধ প্রয়োগে রোগীর মৃত্যুসহ ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে কথিত শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণের, হাসপাতালের গোপনীয় তথ্য বাহিরে প্রকাশ করার, ২২/ সাঈদুল ইসলাম ভুঁইয়ার জুলাই আন্দোলনে আন্দোলনরত ছাত্রদের হাসপাতালে লিথ্যাল ইঞ্জেকশন দিয়ে হত্যার হুকুম দেয়া, ২৩/ হাসপাতাল কাউন্সিলর আব্দুল হানান, একাউন্স অফিসার আবুল হোসেন, ড্রাইভার আবুল কালাম, প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শাহ-জাহান, প্যারামেডিক আবুল খায়ের, রিফ্রাকশনিষ্ট দেলোয়ার হোসেন কর্তৃক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার উপর সরাসরি হামলা ও প্যারামেডিক পাস না করেও চাকরি করা অভিযোগ রয়েছে হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে।

সহ বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সঙ্গবদ্ধ সিন্ডিকেটের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে: ল্যান্স ক্রিয়, বহিঃ বিভাগীয় রোগীর চিকিৎসা বাবত অবৈধ আয়, সরকারি প্রজেক্ট বাবত মোট তিনটি খাদে মোট: ১৭ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও অন্ধকল্যান সমিতির কুমিল্লার চক্ষু হাসপাতালে বিভিন্ন ডাক্তারগণ বিরুদ্ধে রোগীকে এই হাসপাতালে ভালো অপারেশন হয় না বলে প্রাইভেট হাসপাতাল ও প্রাইভেট চেম্বারে নিয়ে চক্ষু চিকিৎসা করারও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও চক্ষু হাসপাতালের এইচ আর এডমিন সাঈদুল ইসলাম ভূইয়া আওয়ামী দোসর কানাডা পালিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। অনুসন্ধান চলমান।

সিরিজ রিপোর্ট – ০২

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।