মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২

কুমিল্লা অন্ধকল্যান সমিতির ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে

জুয়েল খন্দকার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ১০:৪৩ পিএম
কুমিল্লা অন্ধকল্যান সমিতির ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে

জুয়েল খন্দকা, নিজস্ব প্রতিবেদক:-

বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতি ও চক্ষু হাসপাতাল কুমিল্লার ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে রয়েছে বলে এমন অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে কুমিল্লায় অন্ধকল্যান সমিতির কোটি কোটি টাকা লুটপাট এর অভিযোগের শিরোনামে দৈনিক রূপালীদেশ, দেশপত্র ও সংবাদ টিভিতে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর কুমিল্লার তত্ত্বাবধানে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে ২৪/০৬/২০২৫ইং তারিখে সারা দিন ব্যাপী তদন্ত করেন ফারহানা আমিন এর নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি।

অনুসন্ধানে জানা যায় যে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতি, কুমিল্লার ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের দোসর সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার তার স্ত্রী মেহেরুন নেসা বাহার, মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা, এড. তাইফুর আলম, ডা: একেএম আব্দুল সেলিম, ডা: এমকে ডালি, ডাক্তার মাঈনুদ্দিন ইমন, ডা: রেজওয়ানা আফতাব লীরা, ডা: ফারহানা আক্তার স্নীগ্নদ্ধা, এইচ আর এডমিন সাঈদুল ইসলাম ভূইয়া সহ আরও অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পারিবারিক দুর্নীতির সিন্ডিকেট করে বিগত ১৭ বছরে লুটপাট সহ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া পারিবারিক সদস্যদের অবৈধ ভাবে নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্য করার বিশাল অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তদন্ত দ্রুত গতিতে শুরু হলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছেনা কেন তার প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তদন্ত রিপোর্ট হিমাগারে থাকার কারণে এখনো পর্যন্ত কোন তদন্তের ফলাফল দৃশ্যমান হয়নি। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় নানান রাজনৈতিক তদবির চলছে আওয়ামিলীগ দোসরদেরকে বাঁচাতে।

 

স্বৈরাচার সরকার আওয়ামী লীগের দোসর সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহার উদ্দিন বাহর তার স্ত্রী মেহেরুন নেসা বাহার ও মেয়ে সাবেক মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা সহ এড. আ হ ম তাইফুর আলম, এড, ফাহমিদা জেবিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম টুটুল, স্বৈরাচার সরকার সাবেক এমপি হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের নির্বাচনীয় ডোনার প্রদ্বীপ কুমার রাহা, ডা: গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, অশোক বড়ুয়া, মোঃ শাহ-জান সিরাজ, মোঃ আব্দুল হালিম, ফিরুজ আলম এর নেতৃত্বে ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতি, পারিবারিক নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্য সহ নানান অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ: 

১/ চক্ষু হাসপাতালে পরিচালনা কমিটি ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত, ২/আড়াই কোটি টাকা সরকারি কর ফাঁকি, ৩/ জুলাই বিপ্লবের ছাত্র জনতার উপর হামলা, ৪/ ৫ই আগস্টের পর কমিটির সদস্যরা পলাতক থাকা, ৫/ বৈষম বিরোধী ছাত্রদেরকে চাঁদাবাজি তোকমা দেওয়া, ৬/ সরাসরি জুলাই আগস্টে কথিত শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণ করে স্বৈরাচার সরকার আওয়ামীলীগকে সমর্থন করা, ৭/ ডা: আব্দুল সেলিম কর্তৃক কর্তব্যরত নার্স”কে নির্যাতন করা, ৮/ ক্রয় কমিটির দুর্নীতি, ৯/ আওয়ামী পন্থি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া, ১০/ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীকে (এনাস্থেশিয়া – অজ্ঞান) ডাক্তার না থাকা, ১১/ সরকারি চুক্তিবদ্ধ ডিপিপির বিশাল টাকা আত্মসাৎ, ১২/ ট্রেজারি চালানের টাকা আত্মসাৎ, ১৩/ কর্মচারীদের জমানো টাকার লভ্যাংশ আত্মসাৎ, ১৪/ নিয়ম বহির্ভূত চিকিৎসক নিয়োগ, ১৫/ অবৈধ কমিটি গঠন, ১৬/ চিকিৎসক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিহীন চিকিৎসক নিয়োগ বাণিজ্য, ১৭/ নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে পারিবারক সদস্যদেরকে নিয়োগ দেওয়া, ১৮/ সভাপতি আ হ ম তাইফুল আলম ফ্যাসিবাদের সাথে জড়িত থেকে জুলাই আগস্টে ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে শান্তি মিছিল অংশগ্রহণ ও আর্থিক সহায়তা করার অভিযোগ, ১৯/ গঠনতন্ত্রের ১৮ অনুচ্ছেদের আহ্বায়ক কমিটি ছাড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটি তৈরি করা হয় আওয়ামী লীগের দোসরদেরকে নিয়ে, ২০/ ডা: এমকে ঢালী গণজাগরণ মঞ্চের একনিষ্ঠ সহযোগীর অভিযোগ, ২১/ স্বাচিপ নেতা ডা: মাঈন উদ্দিন ঈমন কর্তৃক অপারেশনের সময় এনেস্থেশিয়ার অদক্ষতার ও অবহেলাজনিত ভুল ঔষধ প্রয়োগে রোগীর মৃত্যুসহ ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে কথিত শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণের, হাসপাতালের গোপনীয় তথ্য বাহিরে প্রকাশ করার, ২২/ সাঈদুল ইসলাম ভুঁইয়ার জুলাই আন্দোলনে আন্দোলনরত ছাত্রদের হাসপাতালে লিথ্যাল ইঞ্জেকশন দিয়ে হত্যার হুকুম দেয়া, ২৩/ হাসপাতাল কাউন্সিলর আব্দুল হানান, একাউন্স অফিসার আবুল হোসেন, ড্রাইভার আবুল কালাম, প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শাহ-জাহান, প্যারামেডিক আবুল খায়ের, রিফ্রাকশনিষ্ট দেলোয়ার হোসেন কর্তৃক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার উপর সরাসরি হামলা ও প্যারামেডিক পাস না করেও চাকরি করা অভিযোগ রয়েছে হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে।

সহ বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সঙ্গবদ্ধ সিন্ডিকেটের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে: ল্যান্স ক্রিয়, বহিঃ বিভাগীয় রোগীর চিকিৎসা বাবত অবৈধ আয়, সরকারি প্রজেক্ট বাবত মোট তিনটি খাদে মোট: ১৭ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দুর্নীতি অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও অন্ধকল্যান সমিতির কুমিল্লার চক্ষু হাসপাতালে বিভিন্ন ডাক্তারগণ বিরুদ্ধে রোগীকে এই হাসপাতালে ভালো অপারেশন হয় না বলে প্রাইভেট হাসপাতাল ও প্রাইভেট চেম্বারে নিয়ে চক্ষু চিকিৎসা করারও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও চক্ষু হাসপাতালের এইচ আর এডমিন সাঈদুল ইসলাম ভূইয়া আওয়ামী দোসর কানাডা পালিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। অনুসন্ধান চলমান।

সিরিজ রিপোর্ট – ০২

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।