সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ময়মনসিংহের ঘাগড়ায় এনসিপি'র উঠান বৈঠক

“পরিবর্তনের জন্য তৃণমূলই মূল ভিত্তি”- ময়মনসিংহে এনসিপি নেতৃবৃন্দ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫, ১০:২২ পিএম
“পরিবর্তনের জন্য তৃণমূলই মূল ভিত্তি”- ময়মনসিংহে এনসিপি নেতৃবৃন্দ

ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলা ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এ বৈঠকটি ছিল সম্পূর্ণ জনগণকেন্দ্রিক এবং অংশগ্রহণমূলক।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা এবং সদর উপজেলা সমন্বয় কমিটির মো. জসিম উদ্দিন, এইচ. এম. মোকাররম আদনান, মাহবুব চৌধুরী মিথুন, আব্দুল আল মামুন ফরাজী প্রমূখ। যোদ্ধাহত সৈয়দ মুরসালিন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, “একজন নাগরিক হিসেবে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা আপনার অধিকার। এই অধিকার রাষ্ট্র দিতে বাধ্য, (এনসিপি) সেই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে যেখানে জনগণের ইচ্ছাই প্রাধান্য পাবে ।

তিনি আরও বলেন, “আমরা রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। একটি সচেতন সমাজই পারে একটি সুন্দর পরিপাটি রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে।”

জেলা কমিটির অন্যতম সদস্য এইচ. এম. মোকাররম আদনান উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা আমাদের দাদী, নানী, চাচী, খালার, সমতুল্য আমরা আপনাদের সন্তান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে, আপনাদের উপর রাষ্ট্রের মৌলিক অধিকার গুলো ফিরিয়ে আনতে, আপনাদেরকে সজাগ করতে এসেছি , (এনসিপি) আপনার মৌলিক অধিকার গুলো আদায়ে সোচ্চার রয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, আপনাদের এই ঘাগড়া ইউনিয়ন ময়মনসিংহ সিটির এতো নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও আপনাদের চলাচলের মূল রাস্তা দেখে মনে হলো আমরা হাজার মাইল দূরে কোন এক অজপাড়া গাঁয়ে এসেছি, এই অবস্থার জন্য অনেকটা আপনারাই দায়ী, আপনারা আপনাদের অভিভাবক নির্ধারণ করতে ভুল করেছেন, গত দেড় যুগের ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী সরকার এবং তার অনুসারীরা আপনাদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে, আপনাদের ভোটের অধিকার হরণ করে আপনাদের সম্পদে ভাগ বসিয়েছে, সাবেক চেয়ারম্যান, মেম্বাররা আপনাদের উপর জুলুম, নির্যাতন চালিয়েছে, আপনার ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রের সম্পদ চুরি করেছে , আপনার বাক স্বাধীনতাটুকু স্বৈরাচারী পেশিশক্তি ব্যবহার করে প্রতিবাদের আওয়াজ বন্ধ করে রেখেছে, আজ ২৪ এর জুলাই বিপ্লবের পরে আরেকটা গোষ্ঠী ঠিক সেই স্বৈরাচারী কায়দায় আবার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে, আপনারা যে কোন মূল্যে আপনার অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে, এই নব্য ফ্যাসিস্টকে প্রতিরোধ করবেন। আপনার মূল্যবান ভোট আপনিই চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন , আপনার ভোট আপনি কাকে দিবেন , হোক সে আপনার স্বামী,ভাই, বাবা কিংবা নিকটবর্তী আত্মীয় কারো মিষ্টি কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে কাকে ভোট দিলে আপনার আপনার সন্তানের আপনার প্রতিবেশীর এবং আপনার সমাজের উপকার হবে সেখানেই দিবেন।

তিনি সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এলাকার তরুণ এবং মুরুব্বিদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা মূলক আলোচনা করেন এবং গ্রামের মূল চলাচলের রাস্তা দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। জনগণের অধিকার আদায়ে যেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন , গ্রাম বাসির কাছে দোয়া চেয়েছেন।

বৈঠকের মূল উদ্দেশ্যসমূহ, নারীদের রাজনৈতিক মৌলিক অধিকার আদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্পর্কে ধারণা প্রদান, এনসিপির দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রম তুলে ধরা, জনগণের অভিযোগ ও সমস্যার সরাসরি শোনার উদ্যোগে সমাধানের পথ দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

উঠান বৈঠকে নারীদের বড় একটি অংশ অংশগ্রহণ করেন এবং গ্রামে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক সমস্যা তুলে ধরেন। এনসিপি নেতৃবৃন্দ এসব সমস্যার প্রতি সহানুভূতির সাথে মনোযোগ দেন এবং দ্রুত সময়ের সমাধানের আশ্বাস দেন।

ছবিতে দেখা যায়, উঠানে গোলাকারে বসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এনসিপি নেতারা এবং উৎসুক জনতা খুব আবেগ এবং মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছেন। তাদের সমস্যা গুলো তুলে ধরেন ।

এনসিপির বার্তা, “পরিবর্তনের জন্য তৃণমূলই মূল ভিত্তি”

এ ধরনের গণমুখী বৈঠক প্রমাণ করে, (এনসিপি) শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি একটি গণজাগরণের আন্দোলন। এনসিপি বিশ্বাস করে, নাগরিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি উন্নত, মানবিক ও সুবিচারভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করা।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।