বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

দেশ-বিদেশে মির্জা আজমের সম্পদের পাহাড়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪১ পিএম
দেশ-বিদেশে মির্জা আজমের সম্পদের পাহাড়

মির্জা আজম কেবল জামালপুরের প্রভাবশালী নেতা নয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী। মির্জা আজমের বাবা ছিলেন মির্জা আবুল কাশেম। লোকমুখে শোনা যায়, তিনি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আজমের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাই তিনি তার ছেলেদের নামের সাথে যুক্ত করে দিয়েছিলেন গোলাম। যেমন মির্জা গোলাম আজম, মির্জা গোলাম কবির, মির্জা গোলাম শিপন ও মির্জা গোলাম রিপন। অন্য ভাইদের নামের সাথে গোলাম শব্দ থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের আলোচিত হওয়ার জন্য বাবা-মায়ের রাখা নাম থেকে এফিডেভিট করে গোলাম শব্দটি বাদ দিয়ে হন মির্জা আজম।

এরপর ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহেনার। আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদও পান। শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গাতেই মির্জা আজমের ছিল ব্যাপক প্রভাব। নিজ জেলা জামালপুরে ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। তার ইশারায় চলতো জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি। আর ক্ষমতার এই মহাদাপটে মির্জা আজম নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড়। রাজধানী ঢাকা, জামালপুর এবং নির্বাচনী এলাকা

 

মেলান্দহ-মাদারগঞ্জসহ দেশে-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তার অঢেল সম্পদ। মির্জা আজম জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে নানা কারচুপির মাধ্যমে ৮ বার সংসদ সদস্য হন। দায়িত্ব পান জাতীয় সংসদের হুইপ ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে গড়েছেন হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, যা তার বৈধ আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় ।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দা শাখার অনুসন্ধানে আজমের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ লুটপাট করে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে শতশত কোটি টাকার সম্পদ গড়ার অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে। সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম দেশের যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন সেখানেই করেছেন সম্পদ। প্রতিষ্ঠা করেছেন স্ত্রী-সন্তান-ভাইদের নামে নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজ ও স্ত্রীর নামে করেছেন স্থাবর সম্পত্তি, ফ্ল্যাট, বাগানবাড়িসহ জমি ক্রয় ।

 

গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গা-ঢাকা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতা। এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

মির্জা আজমের নামে-বেনামে যত সম্পদ : ঢাকার ধানমন্ডির ১৫ নম্বর রোডে (পুরনো ২৮ নম্বর) ক্ষমতা অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্লট দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন তিনি। তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন একই রোডের ১২ নম্বর বাড়িতে।

১৯৯৬ সালে এমপি থাকাকালে ঢাকার নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকায় পাঁচ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালে এমপি হওয়ার পর প্রভাব খাটিয়ে প্লট পরিবর্তন করে বারিধারায় ১০ নম্বর সড়কে নতুন প্লট বরাদ্দ নিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেন। শেখ হাসিনা সরকারের সাড়ে ১৫ বছর কনস্ট্রাকশন সেকশনে আলোচিত তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের অন্যতম শেয়ারহোল্ডার হলেন আজম।

 

এ ছাড়া অপি হাউজিং কোম্পানির মালিকও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতা। জনৈক আবু সালেহ গেন্দার নামে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন খাতে তিনি করেছেন বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ।জামালপুর শহরে পৌরসভা ভবনের পাশে আছে স্ত্রী আলেয়া আজমের নামে বিলাসবহুল বাড়ি আলেয়া কটেজ। গত ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা তাতে ভাঙচুর চালায়। জামালপুর শহরে সুরপাড়া দেউরপাড় চন্দ্রায় ১০ একর জমিতে গড়ে তুলেছেন আলেয়া গার্ডেন নামে একটি রিসোর্ট সেন্টার।

মেলান্দহ উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নে তমা কংক্রিট লিমিটেডে তার রয়েছে বড় অঙ্কের শেয়ার। যে কারখানায় রেলের স্লিপার তৈরি করে এককভাবে হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা।

 

মেলান্দহর নয়ানগর ইউনিয়নের কান্দাপাড়ার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা (বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) মিনহাজের নামে জামালপুর শহর এবং শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানে মির্জা আজম কিনেছেন প্রায় ৩০০ একর জমি ।

 

এ ছাড়া জামালপুর শহরের বকুলতলা মোড়ে ৮ শতাংশ জমির ওপর তার বিলাসবহুল বাড়ি, মেডিক্যাল রোডে তিনতলার দু’টি বাড়ি বজ্রাপুর এলাকায় মির্জা রাইস মিল, যেটি পরিচালনা করেন তার ছোট ভাই মির্জা গোলাম কবির।মাদারগঞ্জ পৌর শহরের বালিজুড়ি বাজারে দুই একর জমিতে রয়েছে নুরুন্নাহার মার্কেট ও বকুল মার্কেট নামে দু’টি মার্কেট, মাদারগঞ্জ উপজেলা চত্বরে এক একর জমিতে আরো দু’টি মার্কেট, উপজেলা সংলগ্ন ২ একর জমি, মেলান্দহ উপজেলার পৌর শহরের বকুলতলার পাশে ৩০ শতাংশ জমি (সাবেক কোয়েলী সিনেমা হল)। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তার নামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ।

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি ডেইরি কোম্পানির মালিকানা রয়েছে মির্জা আজমের। শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে রয়েছে স্ত্রী আলেয়া আজমের মালিকানাধীন নালিতাবাড়ী ফিশারিজ। কক্সবাজারে পাঁচতলা সিগাল হোটেলের অন্যতম শেয়ারার মির্জা আজম। ওই হোটেলের চেয়ারম্যান তার স্ত্রী আলেয়া আজম বলে জানা গেছে। এ ছাড়া নেত্রকোনায় শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর নামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেয়া মির্জা আজমের হলফনামায় মোট সম্পদের হিসাব দেখানো হয়েছে ৬৫ কোটি ৭১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা বর্তমানে হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।তার আলাদিনের চেরাগের অন্যতম দ্বৈত্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা গ্রুপ। এই তমা গ্রুপের অংশীদার হিসেবে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সরকারের বড় বড় কাজ বাগিয়ে নিতেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ করেছে এই তমা কনস্ট্রাকশনের নামে ।

প্রচলিত আছে টাকা রাখার জায়গার অভাবে এক সময় সরকারের কাছে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আবেদনও করে ছিলেন মির্জা আজম।

এ ছাড়া মির্জা আজম সরকারি টাকায় সরকারি জমিতে জামালপুর মির্জা আজম অডিটোরিয়াম, মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামসহ নিজ নামে করেছেন অর্ধশতাধিক নানা প্রতিষ্ঠান।

 

মির্জা আজমের আর একটি পরিচয় হলো তিনি অবৈধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জিএমবির) প্রধান শায়খ আবদুর রহমানের শ্যালক। জামালপুরের রাজনীতিতে একটি স্লোগানও প্রচলিত আছে। শায়খ রহমান-বাংলা ভাই, মির্জা আজমের দুলাভাই।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

মোঃ আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৪ পিএম
ঢাকার নতুন ডিসি ফরিদা খানম কর্মদক্ষতায় অনন্য এক প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব

রাজধানী ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নবনিযুক্ত হয়েছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদা খানম। তাঁর এই নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসনে এক নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ফরিদা খানম ইতিপূর্বেও প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফরিদা খানম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন চৌকস কর্মকর্তা। কর্মজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি মেধা ও সাহসিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ববর্তী কর্মস্থলগুলোতে দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতির সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছেন।নারী শিক্ষা এবং বাল্যবিবাহ রোধে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপগুলো স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও সংকটকালীন সময়ে তাঁর ধৈর্যশীল এবং কার্যকর নেতৃত্ব প্রশাসনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ফরিদা খানমের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ। তবে তাঁর অতীত রেকর্ড বলছে, তিনি ঢাকার মতো জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলার উন্নয়ন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় সফল হবেন। বিশেষ করে ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা প্রশাসন আরও বেশি মানবিক ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। তাঁর এই নতুন পথচলা ঢাকার সামগ্রিক উন্নয়নে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।