মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

দেশ-বিদেশে মির্জা আজমের সম্পদের পাহাড়

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪১ পিএম
দেশ-বিদেশে মির্জা আজমের সম্পদের পাহাড়

মির্জা আজম কেবল জামালপুরের প্রভাবশালী নেতা নয়, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী। মির্জা আজমের বাবা ছিলেন মির্জা আবুল কাশেম। লোকমুখে শোনা যায়, তিনি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আজমের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাই তিনি তার ছেলেদের নামের সাথে যুক্ত করে দিয়েছিলেন গোলাম। যেমন মির্জা গোলাম আজম, মির্জা গোলাম কবির, মির্জা গোলাম শিপন ও মির্জা গোলাম রিপন। অন্য ভাইদের নামের সাথে গোলাম শব্দ থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের আলোচিত হওয়ার জন্য বাবা-মায়ের রাখা নাম থেকে এফিডেভিট করে গোলাম শব্দটি বাদ দিয়ে হন মির্জা আজম।

এরপর ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহেনার। আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতির পদও পান। শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের অনেক জায়গাতেই মির্জা আজমের ছিল ব্যাপক প্রভাব। নিজ জেলা জামালপুরে ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। তার ইশারায় চলতো জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি। আর ক্ষমতার এই মহাদাপটে মির্জা আজম নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড়। রাজধানী ঢাকা, জামালপুর এবং নির্বাচনী এলাকা

 

মেলান্দহ-মাদারগঞ্জসহ দেশে-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তার অঢেল সম্পদ। মির্জা আজম জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে নানা কারচুপির মাধ্যমে ৮ বার সংসদ সদস্য হন। দায়িত্ব পান জাতীয় সংসদের হুইপ ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে গড়েছেন হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, যা তার বৈধ আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় ।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দা শাখার অনুসন্ধানে আজমের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ লুটপাট করে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে শতশত কোটি টাকার সম্পদ গড়ার অভিযোগ রয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে। সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম দেশের যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন সেখানেই করেছেন সম্পদ। প্রতিষ্ঠা করেছেন স্ত্রী-সন্তান-ভাইদের নামে নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নিজ ও স্ত্রীর নামে করেছেন স্থাবর সম্পত্তি, ফ্ল্যাট, বাগানবাড়িসহ জমি ক্রয় ।

 

গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গা-ঢাকা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতা। এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানার জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

 

মির্জা আজমের নামে-বেনামে যত সম্পদ : ঢাকার ধানমন্ডির ১৫ নম্বর রোডে (পুরনো ২৮ নম্বর) ক্ষমতা অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে সরকারি প্লট দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন তিনি। তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন একই রোডের ১২ নম্বর বাড়িতে।

১৯৯৬ সালে এমপি থাকাকালে ঢাকার নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকায় পাঁচ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালে এমপি হওয়ার পর প্রভাব খাটিয়ে প্লট পরিবর্তন করে বারিধারায় ১০ নম্বর সড়কে নতুন প্লট বরাদ্দ নিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেন। শেখ হাসিনা সরকারের সাড়ে ১৫ বছর কনস্ট্রাকশন সেকশনে আলোচিত তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের অন্যতম শেয়ারহোল্ডার হলেন আজম।

 

এ ছাড়া অপি হাউজিং কোম্পানির মালিকও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী এই নেতা। জনৈক আবু সালেহ গেন্দার নামে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন খাতে তিনি করেছেন বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ।জামালপুর শহরে পৌরসভা ভবনের পাশে আছে স্ত্রী আলেয়া আজমের নামে বিলাসবহুল বাড়ি আলেয়া কটেজ। গত ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা তাতে ভাঙচুর চালায়। জামালপুর শহরে সুরপাড়া দেউরপাড় চন্দ্রায় ১০ একর জমিতে গড়ে তুলেছেন আলেয়া গার্ডেন নামে একটি রিসোর্ট সেন্টার।

মেলান্দহ উপজেলার দুরমুট ইউনিয়নে তমা কংক্রিট লিমিটেডে তার রয়েছে বড় অঙ্কের শেয়ার। যে কারখানায় রেলের স্লিপার তৈরি করে এককভাবে হাতিয়ে নিয়েছে শত শত কোটি টাকা।

 

মেলান্দহর নয়ানগর ইউনিয়নের কান্দাপাড়ার বাসিন্দা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা (বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) মিনহাজের নামে জামালপুর শহর এবং শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানে মির্জা আজম কিনেছেন প্রায় ৩০০ একর জমি ।

 

এ ছাড়া জামালপুর শহরের বকুলতলা মোড়ে ৮ শতাংশ জমির ওপর তার বিলাসবহুল বাড়ি, মেডিক্যাল রোডে তিনতলার দু’টি বাড়ি বজ্রাপুর এলাকায় মির্জা রাইস মিল, যেটি পরিচালনা করেন তার ছোট ভাই মির্জা গোলাম কবির।মাদারগঞ্জ পৌর শহরের বালিজুড়ি বাজারে দুই একর জমিতে রয়েছে নুরুন্নাহার মার্কেট ও বকুল মার্কেট নামে দু’টি মার্কেট, মাদারগঞ্জ উপজেলা চত্বরে এক একর জমিতে আরো দু’টি মার্কেট, উপজেলা সংলগ্ন ২ একর জমি, মেলান্দহ উপজেলার পৌর শহরের বকুলতলার পাশে ৩০ শতাংশ জমি (সাবেক কোয়েলী সিনেমা হল)। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তার নামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ।

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি ডেইরি কোম্পানির মালিকানা রয়েছে মির্জা আজমের। শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে রয়েছে স্ত্রী আলেয়া আজমের মালিকানাধীন নালিতাবাড়ী ফিশারিজ। কক্সবাজারে পাঁচতলা সিগাল হোটেলের অন্যতম শেয়ারার মির্জা আজম। ওই হোটেলের চেয়ারম্যান তার স্ত্রী আলেয়া আজম বলে জানা গেছে। এ ছাড়া নেত্রকোনায় শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর নামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেয়া মির্জা আজমের হলফনামায় মোট সম্পদের হিসাব দেখানো হয়েছে ৬৫ কোটি ৭১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা বর্তমানে হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।তার আলাদিনের চেরাগের অন্যতম দ্বৈত্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা গ্রুপ। এই তমা গ্রুপের অংশীদার হিসেবে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সরকারের বড় বড় কাজ বাগিয়ে নিতেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ করেছে এই তমা কনস্ট্রাকশনের নামে ।

প্রচলিত আছে টাকা রাখার জায়গার অভাবে এক সময় সরকারের কাছে ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আবেদনও করে ছিলেন মির্জা আজম।

এ ছাড়া মির্জা আজম সরকারি টাকায় সরকারি জমিতে জামালপুর মির্জা আজম অডিটোরিয়াম, মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামসহ নিজ নামে করেছেন অর্ধশতাধিক নানা প্রতিষ্ঠান।

 

মির্জা আজমের আর একটি পরিচয় হলো তিনি অবৈধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জিএমবির) প্রধান শায়খ আবদুর রহমানের শ্যালক। জামালপুরের রাজনীতিতে একটি স্লোগানও প্রচলিত আছে। শায়খ রহমান-বাংলা ভাই, মির্জা আজমের দুলাভাই।

ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ময়মনসিংহ সদরে ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও মহসিন আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী বিএনপি’র আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া হোসেন শাহীন, সদস্য সচিব, মোঃ আজহারুল ইসলাম বুলবুল সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ সদস্য, আব্দুস ছালাম।

ইফতার পূর্ব মিলাদ ও মোনাজাত পাঠ করা হয়।

ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

ময়মনসিংহের বিসিক শিল্প নগরীর একটি কয়েল উৎপাদন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মেসার্স তাকওয়া মার্কেটিং নেটওয়ার্ক’ উৎপাদিত নাইটগার্ড মশার কয়েলের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল উৎপাদন কারখানায় হঠাৎ করেই আগুন দেখতে পায় লোকজন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে সদর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বাকৃবি ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হয় সকাল ৬টার পর।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে কারখানার অনেক অংশসহ উৎপাদিত কয়েল, উৎপাদন সামগ্রী, মটরসহ কারখানায় থাকা অন্য জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও কারখানার মালিকের দাবি, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। বিসিকে প্রচুর পরিমাণ শিল্প কারখানা রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ময়মনসিংহের উন্নয়নে তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান এমপি ওয়াহিদের

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৮ পিএম
ময়মনসিংহের উন্নয়নে তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান এমপি ওয়াহিদের

উন্নয়নের প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। তিনি বলেছেন, ময়মনসিংহের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি এ অঞ্চলের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি ওয়াহিদ বলেন, নগরীর যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসন ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

সভায় বিগত বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাংবাদিকদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের ভবনটি আমাদের আদর্শিক মা, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনুদানে নির্মিত হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এ কাজের যথাযথ স্বীকৃতি ছিল না। সম্প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ ক্লাবের দেয়ালে সেই নামফলক সংযোজন করা হয়েছে। এজন্য তিনি প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ময়মনসিংহ সফরে এলে তাকে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে নিয়ে আসার জন্য তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন।

ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন র‌্যাব-১৪-এর অধিনায়ক মো. নয়মুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম মাহাবুবুল আলম মাহাবুব, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. কামরুল আহসান এমরুল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।

এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন উড়িয়ে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সহসভাপতি নয়াব আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ও অমিত রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. মূসাসহ নগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।