বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ ১৪৩২

ময়মনসিংহের রমেশসেন রোডের পতিতা পল্লীতে পুলিশের অভিযান, মদসহ গ্রেফতার ৪৬

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
ময়মনসিংহের রমেশসেন রোডের পতিতা পল্লীতে পুলিশের অভিযান, মদসহ গ্রেফতার ৪৬

ময়মনসিংহ নগরীর রমেশসেন রোড এলাকার পতিতা পল্লীতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। এসময় বিপুল পরিমাণ মদও উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যার পর পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল হাসানের নির্দেশে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মাদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পতিতা পল্লীর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মদসহ ৪৬ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার দেখানো হয়।

কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মাদ শিবিরুল ইসলাম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করা হয়েছে। থানাধীন এলাকায় অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
মাদক দমনে মাদকসেবী! ফুলপুরে ‘বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা’ বিতর্কে তোলপাড়

মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এক কথিত মাদকসেবীর সম্পৃক্ততা ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার বালিয়া বাজার এলাকায়। স্থানীয়দের ভাষায়, “এ যেন বিড়ালের কাছে মাংসের পাহারা দেওয়ার মতোই অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ঘটনা।”

অভিযোগ রয়েছে, শান্ত (প্রায় ২৫), যিনি স্থানীয়ভাবে ওলামা লীগের একজন পদধারী নেতা হিসেবে পরিচিত, তিনি নিজেই দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত। এলাকাবাসীর দাবি, নিজের ঘর ও মহল্লায় তিনি মাদকসেবী হিসেবেই বেশি পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মা আছমা খাতুন, এক প্রবীণ সাংবাদিক চাচা এবং প্রবাসী এক ফুফুর বিরুদ্ধেও একাধিকবার আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

এমন একজন ব্যক্তির মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হওয়া নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি এই কার্যক্রম ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হলে শান্ত মারধরের শিকার হন বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে।

কিছু মহল এটিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের একটি অংশ বলছে, “এটি মূলত মাদকসংক্রান্ত আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, একে সাংবাদিক নির্যাতন হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। সচেতন মহল বলছে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত না হলে এমন বিতর্ক ও অবিশ্বাস আরও বাড়বে।

ঈদযাত্রায় চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব, মা-শিশুকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন ছাত্রনেতা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৫ এম
ঈদযাত্রায় চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব, মা-শিশুকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন ছাত্রনেতা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস

ঈদযাত্রার ভিড়ের মধ্যেই ময়মনসিংহে চলন্ত ট্রেনে এক প্রসূতি সন্তান প্রসবের ঘটনা ঘটেছে। পরে ছাত্রদল নেতা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় মা ও নবজাতককে নিরাপদে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। প্রসূতি শারমীন আক্তার (২৪) ট্রেনেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।

বাংলাদেশ পুলিশের ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাত পৌনে ২টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা National Emergency Service 999-এ ফোন আসে যে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে প্রস্তুতি নেয়।

তিনি বলেন, ট্রেনটি ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে শারমীন আক্তার ট্রেনেই সন্তান প্রসব করেন। পরে ট্রেনে থাকা দুই নারী যাত্রীর সহায়তায় তাকে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে তুলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।

রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, শারমীন আক্তার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। সঙ্গে ছিল তার চার বছর বয়সী মেয়ে। গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন পার হওয়ার পর তার তীব্র প্রসব ব্যথা শুরু হয়।

এ সময় ট্রেনে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিজয় একাত্তর হল শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান হোসাইন রবি তাকে সহায়তা করেন এবং দ্রুত স্টেশনে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন।

ছাত্রনেতা সোলায়মান হোসাইন রবি বলেন, ট্রেনে একজন নারী তীব্র প্রসব বেদনায় কষ্ট পাচ্ছিলেন। পাশে কেউ না থাকায় দুই নারী যাত্রীকে ডেকে এনে তাকে সহায়তা করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ব্যথার পর ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাতেই ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এ সময় পুরো স্টেশন আবেগঘন পরিবেশে ভরে ওঠে।

তিনি আরও জানান, পরে ঘটনাক্রমে ওই নারীর স্বামী সাগর সেখানে উপস্থিত হন। তারা জানান, তাদের বাড়ি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে এবং নারীটির বাবার বাড়ি জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায়।

এদিকে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের লিডার সাইফুল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ থেকে খবর পাওয়ার পরই অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে স্টেশনে পৌঁছানো হয়। ট্রেনেই শিশুর জন্ম হলেও দ্রুত মা ও নবজাতককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুজনেই ভালো আছেন।

কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের সহযোগী কালা মাগুর

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৮ এম
কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের সহযোগী কালা মাগুর

ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষে দালালি করেছে কালা মাগুর খ্যাত শাহীন গাজী নামে এক সাংবাদিক। সে স্থানীয় কয়েক সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে প্রভাবিত করে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর পক্ষ হয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কালা মাগুর খ্যাত ওই সাংবাদিক দেশের স্বনামধন্য একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।

জানা গেছে , অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীর নাম আমিনুল ইসলাম আনিস। সে দীর্ঘদিন ধরে কেরানীগঞ্জে গোডাউন নিয়ে অবৈধ পলিথিন মজুদ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে।

এ নিয়ে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ হয় এবং সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা ও আনিস কে জরিমানা করা হয়। অবৈধ পলিথিন জব্দ বিষয় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করে । এরপর দালাল ধরে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস। আর যাদের ম্যানেজ করতে না পারে তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সহযোগী কিছু দালাল।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের কিছু মালামাল লুট হয়েছে। সে মর্মে তারা একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার নামে দুজন স্বনামধন্য সাংবাদিককে অভিযুক্ত করে পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। এই অভিযোগ তার পিছনে ইন্ধনদাতা ছিল কালামাগুর শাহিন গাজী। এই শাহিন গাজী এর আগে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন বাড়ির ভবন মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জনের কাছ থেকে সংবাদ সম্মেলন ও সংবাদ প্রকাশের কথা বলে টাকা হাতানোর অভিযোগ আছে। বিভিন্ন নামিদামী পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ প্রকাশ করার কথা বলে সংবাদ সম্মেলন নাম করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের হারানো মাল উদ্ধার করে দেয়ার জন্য শাহিন গাজী নিয়মিত মাসোহারা ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে ভুল বুঝিয়ে আনিসের সঙ্গে থানায় নিয়ে আনিসকে দিয়ে প্রতিবাদী দুই সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সাংবাদিক ইস্পাহানি ইমরান ও ফয়সাল হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করে হলে তারা জানান, পরিবেশ বিধ্বংসী অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম আনিসের বিপুল পরিমাণ অবৈধ পলিথিন জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তার জব্দকৃত পলিথিনের সংবাদ প্রকাশের জেরে আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয় আনিস। এরপর আমাদের ঘায়েল করতে শাহীন গাজীর পরামর্শে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ করায় , অভিযোগে আনিত বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। এতে আমাদের সম্মানহানি হয়েছে। অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিস ও তার সাথে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনগত সহায়তা গ্রহণ করব। এছাড়া দেশের স্বার্থে , দেশের মানুষের স্বার্থে অবৈধ পলিথিন এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদী কলম চলতেই থাকবে। এতে যত প্রকার বাঁধাই আসুক আমরা হার মানবো না।

একটি সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ী আনিসের মালামাল লুট হয়েছে বলে থানা পুলিশে যে অভিযোগ করেছেন, তবে কি মালামাল লুট হয়েছে তার সঠিক কোন বর্ণনা উল্লেখ করা হয়নি , মুলত লুট হওয়া মালামাল অবৈধ পলিথিন ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। যদি সেটি অবৈধ পলিথিন হয়ে থাকে তাহলে থানা পুলিশে কিভাবে অভিযোগ গ্রহণ করল। নাকি কোন মালামাল লুট হয়নি সেনিয়ে সন্দেহ রয়েছে। নাকি দুই সাংবাদিক কে ঘায়েল করতে এই নাটক সাজিয়েছে সেটিও প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিত। তাছাড়া ঘটনার দিন ওই দুই সাংবাদিক লুট হওয়া স্থানে ছিল কিনা সেটিও খুঁজে বের করা উচিত।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক শাহিন গাজী গত এক বছর ধরে কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকতা করছেন, এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অন্যতম বহুল প্রচারিত দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় অনলাইনে দালালি প্রসঙ্গে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যেখানে তার কুকর্মের আমলনামা তুলে ধরা হয়।

শাহিন গাজী পরবর্তীতে এক সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে অনুরোধ করায় নিউজটি সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখে দৈনিক আমার দেশ কর্তৃপক্ষ। যদিও নিউজটি বন্ধ করার আগেই অনেকে সেটি কপি করে রেখে দিয়েছে।

এরপরেও তার অবৈধ দৌড়ত্ব কমেনি। শাহিন গাজী স্থানীয় সাংবাদিকদের কথায় কথায় প্রত্যেকটি মিডিয়া হাউজে তার লোক রয়েছে বলে চাকরি দেয়া ও নেয়ার হুমকি ধামকি দেয়।

আমার দেশ পত্রিকার অনলাইন সংবাদের কপি এই প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। এছাড়া স্থানীয়দের শাহিন গাজীর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি জানতে শাহীন গাজীকে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে সে তার বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগ অস্বীকার করেন।

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয় জানতে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল আলমের কাছে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা যথাযথ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।