নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতায় জড়িত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ধূসর শহিদুল ইসলাম
হালুয়াঘাট উপজেলায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ধূসর শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম (৪৩), উত্তর বাজার এলাকার বাসিন্দা ও মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে, সাবেক সংসদ সদস্য এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের এক সময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
অভিযোগ অনুযায়ী, শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সাবেক এমপি জুয়েল আরেং-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে হুন্ডি ব্যবসা, চোরাকারবারি এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর অনেক আওয়ামী লীগ নেতা পালিয়ে গেলেও, তিনি প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এলাকায় সক্রিয়ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শহিদুল ইসলাম বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন ও তার সহযোগী রাজনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি অর্থনৈতিক সহায়ক এবং গোপন সংগঠক হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে সভা ও মিছিল আয়োজন, গোপন বৈঠক, সহিংস কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং নির্বাচনের সময় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন নাগরিকরা বলেন, “নির্বাচনের সময় এ ধরনের তৎপরতা এলাকায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। অনেক মানুষ মানসিকভাবে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। প্রশাসনকে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শহিদুলকে গ্রেফতার সহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে, শহিদুল ইসলামের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে মোঠু ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এতে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছেন, যেকোনও ধরনের নির্বাচনী অস্থিতিশীলতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা নজরদারি চালাচ্ছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় মানুষ এবং সচেতন মহল উভয়েই আশা করছেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে এবং কেউই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে।








