বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বানিয়াচং থানায় আগুন দিয়ে এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম- মাহদী হাসান

হবিগঞ্জ প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
বানিয়াচং থানায় আগুন দিয়ে এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম- মাহদী হাসান

‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম’ বললেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেওয়া মাহদী হাসান।

আটক ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নিতে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেওয়া মাহদী হাসান ওসির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে এসব কথা বলেন।

হবিগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হাসান ওরফে নয়নকে আটকের ১৫ ঘণ্টা পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের চাপে পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এ ঘটনা ঘটে। থানা ঘেরাও করে রাখা ছাত্রনেতাদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বানিয়াচং থানায় আগুন দিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে পুড়িয়ে হত্যার কথা বলতে শোনা যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে।

এনামুল হাসানকে ছাড়িয়ে নেওয়ার বিষয়ে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ভাষ্য, এনামুল একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে জড়ান। আর পুলিশের ভাষ্য, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। এনামুলকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার নেতা-কর্মীরা তাঁর মুক্তির দাবিতে গতকাল দুপুরে থানা ঘেরাও করেন। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী ওসির কক্ষে অবস্থান নেন। তাঁরা দাবি করেন, এনামুল হাসান একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও পরে তিনি জুলাই আন্দোলনে জড়িত হন। তাঁরা এনামুলকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি করেন।

বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিকলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছে নাকি? মাহদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, হবিগঞ্জ জেলা শাখা সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে মাহদী হাসানের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হচ্ছে। মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, “আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে? ”’ একপর্যায়ে মাহদী হাসান ওসিকে বলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।

ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিকলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছে নাকি?’

খবর পেয়ে বেলা তিনটার দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ছুটে যান। তাঁর মধ্যস্থতায় বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এ বিষয়ে জানতে তাঁর মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলে তিনি সাড়া দেননি। ক্ষুদেবার্তার জবাবও দেননি।

এ বিষয়ে মাহদী হাসান বলেন, ‘আটক হওয়া ছাত্র নেতা একসময় ছাত্রলীগ করলেও তিনি জুলাই আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। শুধু তাঁর অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসে।’ মাহদী প্রশ্ন তোলেন, ‘আমাদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মূল সমন্বয়কারীদের একজন সারজিস আলম। তিনিও তো একসময় ছাত্রলীগ করেছেন। তাহলে তিনিও কি অপরাধী?’ তিনি দাবি করেন, শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ আগেও অপরাধ করেছে তাঁদের তিন নেতা-কর্মীকে আটক করে।

আজ শনিবার সকালে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের বরাত দিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনামুল হাসানকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা-পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। পরবর্তী সময়ে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর কোনো অপরাধের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর অভিভাবকের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, ‘এখানে আমাদের কোনো অপরাধ ছিল না। আটকের পর যা হয়েছে, তা দেশবাসী দেখেছেন। সবার হাতে হাতে সে ভিডিও প্রচার হয়েছে। তারাই ভিডিও করেছে, আবার তারাই ছেড়েছে। এ সঙ্গে পুলিশের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ অপরাধ করে থাকলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।’

ওসি আবুল কালাম আজ দুপুরে আরও বলেন, ‘আমরা তাঁকে (এনামুল) বৈষম্যবিরোধী একটি মামলায় সন্দেহভাজন ও ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আটক করি। ওই দিন রাত বেশি হওয়ায় আমরা যাচাই-বাছাই করতে পারিনি। পরদিন নানাভাবে তথ্য নিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, আটক হওয়া ব্যক্তি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। পরে তাঁকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:২৯ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালীবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ সাকিব মিয়া (২৪)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালিবাড়ী এলাকায় জলিল মুন্সির পুরাতন বাড়ী ভিটার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাকিব মিয়া ও তার বন্ধু মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৫) বাড়ি ফেরার পথে একদল ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে উভয়েই আহত হন। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত রেজাউল নামে এক ব্যক্তি সাকিব মিয়ার চোখের কাছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যাওয়ার সময় তারা পুনরায় হুমকি দিয়ে বলে, মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে বা পুলিশে অভিযোগ করলে ভুক্তভোগীদের হত্যা করে লাশ গুম করা হবে।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা স্থানীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য হিসেবে এলাকায় মাদক নির্মূলে কাজ করছিলেন। এ কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের শিকার হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।