সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ ১৪৩২

ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি ‘সুন্দর মহলে’ হামলা-ভাঙচুর

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ১১:৫৬ পিএম
ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি ‘সুন্দর মহলে’ হামলা-ভাঙচুর

ময়মনসিংহ নগরের টাউন হল এলাকায় জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী ও সাবেক বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি ‘সুন্দর মহলে’ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে নেতৃত্ব দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহ মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব ওয়ালিদ আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে হামলা করে নির্মাণাধীন স্থাপনা ও পুরোনো বাড়ির ভেতরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহ মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব ওয়ালিদ আহমেদের নেতৃত্বে একটি দল সেখানে গিয়ে নির্মাণাধীন ইটের দেয়ালগুলো ভেঙে দেয়। পরে পুরোনো ভবনের বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে আসবাব ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুরের কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে আসেন সংগঠনের আহ্বায়ক আ জ ম ওয়ালিউল্লাহ ওলি।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়িটিকে “দালাল মহল” আখ্যায়িত করেন বৈষম্যবিরোধীরা। সম্প্রতি বজলুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ১২ বছরের জন্য বাড়িটি ভাড়া নিয়ে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

গত ২৩ এপ্রিল বাড়ির সামনে মানববন্ধন করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তারা বাড়িটিতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের দাবি জানান। এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের দাবি উপেক্ষা করে রেস্টুরেন্টের জন্য স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত থাকায় বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ২টার দিকে বৈষম্যবিরোধীরা সেখানে হামলা চালান।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ময়মনসিংহের যুগ্ম সদস্যসচিব ওয়ালিদ আহমেদ বলেন, “শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে রওশন এরশাদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। ৫ আগস্টের পর রওশন এরশাদের বাড়িটি ‘দালাল মহল’ আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু বাড়িটিকে বাণিজ্যিক ভবন বানানোর পাঁয়তারা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আমরা মানববন্ধন করে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিলেও কাজ বন্ধ হয়নি। এ অবস্থায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে স্থাপনা ভেঙে দিয়েছেন। এখানে রেস্টুরেন্ট করতে দেওয়া হবে না। এখানে মহানগর শাখার আহ্বায়ক আ জ ম ওয়ালিউল্লাহ ওলি আছেন। তিনিও ভাঙচুরে সমর্থন দিয়েছেন।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মহানগর শাখার সিনিয়র সদস্যসচিব ফুয়াদ খান বলেন, “ভাঙচুরের সময় আমি নগরের জয়নুল আবেদীন উদ্যানে একটি কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে আমাদের কিছু নেতাকর্মীসহ বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে শুনেছি। কারণ, জাতীয় পার্টি বিগত সময়ে দালালি করেছে। ফলে সব শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ওপর ক্ষুব্ধ আছে।”

রেস্টুরেন্টের মালিক বজলুর রহমান বলেন, “রওশন এরশাদের পৈতৃক বাড়ি হওয়ায় দালাল মহল আখ্যা দিয়ে এখানে ভাঙচুর করা হয়েছে। নির্মাণশ্রমিকদের জিনিসপত্র দিয়ে ভাঙচুর চালিয়ে সেগুলো নিয়ে যায় তারা। ছাত্রদল থেকে বৈষম্যবিরোধী নেতা হওয়া ওয়ালিদ আহমেদের নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়।”

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, “হামলা-ভাঙচুরের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ভবনটিকে ‘দালাল মহল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। বাণিজ্যিক স্থাপনার নির্মাণকাজ চলায় ক্ষোভ থেকে সেখানে গিয়ে ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।”

ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, “বাড়িটি ঘিরে ছাত্র-জনতার ক্ষোভ আছে। এজন্য সেখানে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা ঠিক নয়। যেহেতু পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, সেখানে রেস্টুরেন্ট না করাই উচিত। বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা স্মারকলিপি দিলেও অনেক কাজের মধ্যে হয়তো ভুলে গিয়েছিলাম। এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ২:২১ এম
ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর (৪৩) কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত নাজিম মীর ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খুরশিদপুর (মহব্বতপুর দরগাবাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম জাকির মীর ও মাতার নাম আছিয়া খাতুন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাজিম মীর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় তাকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; প্রতিবারই তিনি কৌশলে পালিয়ে যান।

অবশেষে সোমবার (১৬ মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবীরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এসআই মুহসিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত নাজিম মীরের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক সংক্রান্ত ৭টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম এবং মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, খতিয়ান সৃজন, তদন্ত প্রতিবেদন, নামজারি ও অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের উৎকোচ না দিলে কাজ করা হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মনগড়া তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম ভালুকা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়মের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছেন। কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও অর্থের বিনিময়ে তিনি প্রতিবেদনে সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে নানা কৌশলে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন।

উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, হবিরবাড়ী মৌজায় তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ভুলবশত রেকর্ড হওয়ায় সংশোধনের জন্য সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব সার্ভেয়ারের ওপর পড়লে তিনি তার কাছে ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমির কাগজপত্র সঠিকভাবে পর্যালোচনা না করেই প্রতিপক্ষের পক্ষে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়েও। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই না করেই সার্ভেয়ার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে প্রকৃত জমির মালিক ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন।

কাচিনা ইউনিয়নের এক সেবাগ্রহীতা জানান, জমির নামজারি খতিয়ান করতে গিয়ে সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তাকে বলা হয় রেকর্ডীয় মালিকের জমি নেই। তিনি বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে সার্ভেয়ার বালাম খুলে দেখান যে বিক্রেতার নামে গোল চিহ্ন রয়েছে। পরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন তাকে জানান, এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিলে ওই গোল চিহ্ন তুলে দেওয়া যাবে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে একজনের দখলীয় জমি অন্যজনকে পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে তদন্ত প্রতিবেদন বিপক্ষে চলে যায়। এতে এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা বাড়ছে।

কাদিনগর, পালাগাও ও তামাট এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সার্ভেয়ার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়েও বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, তার সহযোগীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ তৈরি করে উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে এলাকায় জমি নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না—এমন অভিযোগ তুলেছেন অনেক সেবাপ্রত্যাশী। জমির নামজারি, খতিয়ান দেখা, তদন্ত প্রতিবেদন বা খাজনা আদায়—প্রতিটি ধাপেই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় পরিচয় গোপন রেখে কথা বললে একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করলেও সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম ও মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মতো কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার কারণে অফিসের বদনাম কাটছে না। তাদের ঘুষ বাণিজ্যের কারণে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কোনো ফাইলই এসিল্যান্ডের টেবিলে যায় না বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, একটি মিউটেশনের সরকারি ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মাধ্যমে এসব অর্থ আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সেবাগ্রহীতাদের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা কয়েকজন দালালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অফিস খরচের অজুহাত দেখিয়ে নিজেরাই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন।

এ বিষয়ে একজন সামাজিক বিশ্লেষক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন চালু হলেও তৃণমূল পর্যায়ে এখনও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে সংস্কারের উদ্যোগ থাকলেও মাঠ পর্যায়ে সেই বার্তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।