সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ০৯ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:১০ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ গ্রেফতার ০৯ জন

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ১৮/০২/২০২৫ ইং তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ০৯ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই (নিঃ) মোঃ আব্দুল হক, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলায় ধৃত আসামী ১। সেকান্দর বাদশা আসাদ (৩১), পিতা-মোঃ আব্দুল মজিদ, মাতা-মেহেরুন ন্নেছা, সাং-গোপালপুর, ২। আশফাক হোসেন বাবু (২৫), পিতা-আক্কাস আলী মন্ডল, মাতা-রমিজা খাতুন, সাং-বড়গাও, ৩। সোহেল খান (৩৮), পিতা-আব্দুল বাতেন খান, মাতা-রাশেদা খাতুন, সাং-বড়গাও, সর্ব থানা-ত্রিশাল, ৪। মোঃ নূরে তানভীর শোভন (৩২), পিতা-মোহাম্মদ আলী, মাতা-গুলশানারা বেগম, সাং-১৭/ক হামিদ উদ্দিন রোড, থানা-কোতোয়ালী, সর্ব জেলা -ময়মনসিংহদেরকে অত্র থানাধীন দিঘারকান্দা বাইপাস এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) মাসুদ জামালী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ কামরুল হাসনাত ভূইয়া ওরফে মিন্টু (৪৫), (১১নং নাগপুর ইউনিয়ন নান্দাইলের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ কহিনুর মমতাজ বেগম, সাং-নাগপুর, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ’কে কোতোয়ালী থানাধীন শম্ভুগঞ্জ চায়না মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। শফিকুল ইসলাম (৬০), পিতামৃত-আব্দুল আলী মাষ্টার, সাং-গোপালনগর, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ কে কোতোয়ালী থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) রিপন চন্দ্র সরকার, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ বাচ্চু মিয়া (৫৫), পিতা-আশকর মিয়া, মাতা-রেজিয়া, সাং-৩৬ বাড়ী কলোনী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী থানাধীন ৩৬ বাড়ী কলোনী এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) মোঃ রাজিবুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ০১। মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৪), পিতা-মোঃ সিদ্দিক, মাতা-শরিফা বেগম, সাং-ঢোলাদিয়া, ওয়ার্ড নং-১, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহক’ কে কোতোয়ালী থানাধীন রহমতপুর এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

ইহাছাড়াও এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, এসআই (নিঃ) মোঃ মতিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১ টি সিআর সাজা পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। লিটন (৪৫), পিতা-বাচ্চু মিয়া, বর্তমান: গ্রাম- পাটগুদাম রোড (রেলীর মোড় (নূরু মুন্সীর বাড়ীর ভাড়াটিয়া)) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ: স্থায়ী: (সাং: জেসি গুহ রোড, পো: ময়মনসিংহ) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম এবং মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, খতিয়ান সৃজন, তদন্ত প্রতিবেদন, নামজারি ও অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের উৎকোচ না দিলে কাজ করা হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মনগড়া তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম ভালুকা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়মের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছেন। কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও অর্থের বিনিময়ে তিনি প্রতিবেদনে সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে নানা কৌশলে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন।

উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, হবিরবাড়ী মৌজায় তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ভুলবশত রেকর্ড হওয়ায় সংশোধনের জন্য সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব সার্ভেয়ারের ওপর পড়লে তিনি তার কাছে ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমির কাগজপত্র সঠিকভাবে পর্যালোচনা না করেই প্রতিপক্ষের পক্ষে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়েও। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই না করেই সার্ভেয়ার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে প্রকৃত জমির মালিক ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন।

কাচিনা ইউনিয়নের এক সেবাগ্রহীতা জানান, জমির নামজারি খতিয়ান করতে গিয়ে সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তাকে বলা হয় রেকর্ডীয় মালিকের জমি নেই। তিনি বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে সার্ভেয়ার বালাম খুলে দেখান যে বিক্রেতার নামে গোল চিহ্ন রয়েছে। পরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন তাকে জানান, এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিলে ওই গোল চিহ্ন তুলে দেওয়া যাবে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে একজনের দখলীয় জমি অন্যজনকে পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে তদন্ত প্রতিবেদন বিপক্ষে চলে যায়। এতে এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা বাড়ছে।

কাদিনগর, পালাগাও ও তামাট এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সার্ভেয়ার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়েও বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, তার সহযোগীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ তৈরি করে উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে এলাকায় জমি নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না—এমন অভিযোগ তুলেছেন অনেক সেবাপ্রত্যাশী। জমির নামজারি, খতিয়ান দেখা, তদন্ত প্রতিবেদন বা খাজনা আদায়—প্রতিটি ধাপেই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় পরিচয় গোপন রেখে কথা বললে একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করলেও সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম ও মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মতো কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার কারণে অফিসের বদনাম কাটছে না। তাদের ঘুষ বাণিজ্যের কারণে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কোনো ফাইলই এসিল্যান্ডের টেবিলে যায় না বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, একটি মিউটেশনের সরকারি ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মাধ্যমে এসব অর্থ আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সেবাগ্রহীতাদের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা কয়েকজন দালালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অফিস খরচের অজুহাত দেখিয়ে নিজেরাই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন।

এ বিষয়ে একজন সামাজিক বিশ্লেষক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন চালু হলেও তৃণমূল পর্যায়ে এখনও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে সংস্কারের উদ্যোগ থাকলেও মাঠ পর্যায়ে সেই বার্তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৪:১০ পিএম
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করল সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

“মানুষ মানুষের জন্য”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানবিক সংগঠন সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায়, এতিম, হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম-এর দিকনির্দেশনায় ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ এবং সাংগঠনিক সচিব স. ম. জিয়াউর রহমান অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি শিউলী চক্রবর্তী, সেন্ট্রাল মোহরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে সিলেট–চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও তারা গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন।

প্রতিটি খাদ্য প্যাকেটে সেমাই, নুডলস, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ, চিনি, মুড়ি ও আলু দেওয়া হয়।