মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

পরিবেশ অধিদপ্তর  ময়মনসিংহে কর্মকর্তাদের চোখে কাঠের চশমা!

ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ৩ শতাধিক ইটভাটা

মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ।।  প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:০৭ পিএম
ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ৩ শতাধিক ইটভাটা

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই জেলা জুড়ে ৩ শতাধিক ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ভাটায় দেদারছে পোড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ। অনিয়ম যেন নিয়মে পরিনত হয়েছে।

অনুমোদন ছাড়াই এ অবস্থায় ইটভাটাগুলো চললেও পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের তেমন কোনো পদক্ষেপ নেই। এসব ইটভাটার চারপাশে ফসলি জমি আর বসতবাড়িসহ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যেই চলে ইট পোড়ানোর কর্মযজ্ঞ। এমন চিত্র ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আশপাশসহ জেলা জুড়েই দেখা গেছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকা ও সীমানাঘেঁষে ইটভাটা রয়েছে ১৩টি, যার কোনোটিরই অনুমোদন নেই। এছাড়া জেলায় তিন শতাধিক ইটভাটার মধ্যে পরিবেশের ছাড়পত্র আছে মাত্র ৪৩টির। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, আবাসিক এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, বাণিজ্যিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কৃষি জমিসহ পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না।

তবে এ আইনের তোয়াক্কা না করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে সিটি করপোরেশন এলাকা এবং এর আশপাশের ইটভাটা চালু রয়েছে। কোনো ধরনের জ্বালানি কাঠ ব্যবহার না করার বিধান থাকলেও থেমে নেই কাঠ পোড়ানোসহ ইটভাটার কার্যক্রম।

এতদিন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের প্রভাব থাকলেও এখন ভাটাগুলো কার নিয়ন্ত্রণে চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জনমনে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সবকিছু জেনেও নীরব রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন। ভাটাগুলোর কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ বিপর্যয়, ফসল উৎপাদন হ্রাস, জীববৈচিত্র্য হুমকিসহ শারীরিক সংক্রমণে অসুস্থতার আশঙ্কা স্থানীয়দের।

জেলার একাধিক উপজেলার সচেতন মহলের সাথে কথা বললে তাঁরা জানান, এতদিন আমরা জেনেছি ক্ষমতার বলে ইটভাটাগুলো টিকে ছিল। কিন্তু আমরা অবাক হচ্ছি, স্বৈরাচার সরকার পতনের পাঁচ মাস পার হলেও আগের মতোই চলছে ভাটাগুলো। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যেন চোখে কাঠের চশমা পড়ে বসে আছে। দেখেও ভান করছে না দেখার। আমরা দ্রুতই অনুমোদনহীন ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জোড় দাবী জানাচ্ছি।

সরেজমিনে ইটভাটার মালিকরা না থাকলেও ম্যানেজারদের পাওয়া যায় নিয়মিত। বেশ কয়েকজন ম্যানেজার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, যে দেশে ঘুষ দিয়ে কাজ চলে সেখানে কাগজপত্র দিয়ে কি হবে? ঘুষ দিলে কাগজপত্র লাগেনা।

আপনারা সাংবাদিক অফিসে এসে দেখে যান, প্রায় ৪ শত ভিজিটিং কার্ড ড্রয়ারে জমেছে সবাই ২০০টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার পর্যন্ত নিয়েছে। এখন আপনাকে কত দিতে হবে? কত দিলে ইটভাটা বৈধ হবে?

পরিবেশ অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বলেন, আগে কীভাবে চলেছে, তা আমি বলতে পারব না। এখন এগুলো আর চলতে পারবে না। আমরা জেলা প্রশাসনের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। দ্রুতই অভিযান চালানো হবে।

জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর আমাদের কাছে ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছে, আমরা দিয়েছি। আমার বক্তব্য পরিষ্কার, ময়মনসিংহে কোনো অবৈধ ইটভাটা চলুক, তা আমি চাই না।

ময়মনসিংহে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং নিয়ে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ময়মনসিংহে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং নিয়ে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

প্লাস্টিক বোতল ও ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ময়মনসিংহে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সভায় প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে কাজ করা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য ময়মনসিংহ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভা শেষে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

রূপালী লাইফের ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হলেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম
রূপালী লাইফের ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হলেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন

রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর অধীন ‘জবা প্রজেক্ট’-এর ইনচার্জ হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন। তিনি একই প্রতিষ্ঠানে এজেন্সি ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় এফ এম আব্বাস উদ্দিন বলেন, “রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র স্মার্ট রূপালী ডিভিশনের জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হিসেবে আমাকে দায়িত্ব প্রদান করায় সম্মানিত সিএমও ও সিইও মহোদয়দের প্রতি জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি জানাই জবা ফুলের শুভেচ্ছা।”

এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) আবু মো. শফিকুল ইসলাম শাওন এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মো. গোলাম কিবরিয়াকে জবা ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

উল্লেখ্য, ‘নিরাপদ পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী’ এবং ‘নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে বীমা খাতে আস্থা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নিয়ে কাজ করে আসছে।

গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ

রাকিবুল হাসান আহাদ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভার রেলওয়ে স্টেশন রোড এলাকার ঢাকা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন দিগন্ত ঘোষ। এ সময় ধারণ করা কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে কয়েকজন অভিযোগকারী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এসবের কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগকারী জানান, তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং এ ঘটনায় সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে দিগন্ত ঘোষ বলেন, “মেয়েরা আমাকে পছন্দ করে বলেই আমার কাছে আসে।” তবে অভিযোগের অন্যান্য বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।

এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা বা জিডি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।