বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার -১৩; নগদ অর্থ, মাদকসহ দুইটা প্রাইভেটকার উদ্ধার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে জুয়াড়ি, মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার -১৩; নগদ অর্থ, মাদকসহ দুইটা প্রাইভেটকার উদ্ধার

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৩ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই (নিঃ) খোরশেদ আলম সঙ্গীয় ফোর্স থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া জুয়া মামলার আসামী ১। মাসুদ করিম (৫৫), পিতা-জসীম উদ্দিন, মাতা- বানেছা বেগম, সাং-বেলটিয়া, থানা-জামালপুর, জেলা-জামালপুর, ২। মুর্তুজা রেজা (৬৭), পিতা-মৃত বছির উদ্দিন, মাতা- মৃত রাবেয়া খাতুন, সাং-মুকন্দবাড়ী, থানা-জামালপুর, জেলা-জামালপুর, ৩। অরুন খান (৪৫), পিতা-মৃত আব্দুল গনি খান, মাতা- ময়মনন্নেছা, সাং-কামালপুর, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ, ৪। মোঃ মোজাম্মেল (৫৫), পিতা-মৃত মছির উদ্দিন, মাতা- মৃত আসাতুন্নেছা, সাং-ভাদুরীপাড়া, থানা-জামালপুর, জেলা-জামালপুর, ৫। মোঃ মফিজুর রহমান (৫২), পিতা-মৃত আমিরুদ্দিন সরকার, মাতা- মৃত মরিয়ম বেওয়া, সাং-নারিকেলী, থানা-জামালপুর, জেলা-জামালপুর, ৬। রুহুল আমিন (৫২), পিতা-মৃত কিতাব আলী, মাতা- আমেনা খাতুন, সাং-বালিয়াপাড়া, থানা-নান্দাইল, জেলা-ময়মনসিংহ, ৭। মোফাজ্জল হোসেন (৬০), পিতা-মৃত সোলাইমান শেখ, মাতা- জুবেদা খাতুন, সাং-কুষ্টিয়া, থানা-ত্রিশাল, ময়মনসিংহ, ৮। মোঃ কায়কোবাদ হোসেন (৪৯), পিতা-মৃত আশরাফ আলী সরকার, মাতা- আশাফুন্নেছা, সাং-ধীতপুর, থানা- ভালুকা, জেলা-ময়মনসিংহ, ৯। রতন মন্ডল (৩২), পিতা-লাল মিয়া, মাতা- মঞ্জুয়ারা, সাং-বানিয়াধলা, থানা-ত্রিশাল, জেলা-ময়মনসিংহদেরকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ভাবখালী কাচারী বাজার নদীর ঘাটের দক্ষিন পাশে ফাঁকা জায়গায় গ্রেফতার করা হয় এবং তাহাদের নিকট হইতে ১। মোমবাতি ০৬টি অর্ধগলিত এবং ১২টি প্যাকেট নতুন, ২। লাল রং এর টর্চ লাইট ০২টি, ৩। গ্যাস লাইট ০৪টি, ৪। ত্রিপল ০২টি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তার তৈরী, ৫। (ক) একটি সাদা রং এর PREMIP প্রাইভেটকার, যাহা, রেজিঃ ঢাকা মেট্টো-গ-২১-৫৩৮৮, (খ) একটি সাদা রং এর HILUX SURF কোম্পানীর জিপ গাড়ী, যাহার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্টো-ঘ-১১-১০৬৪, (গ) একটি সাদা রং এর প্রাইভেটকার, যাহার রেজিঃ ঢাকা মেট্টো-গ-১৯-৬৮৮২, ৬। বিভিন্ন রং এর তাস মোট ৯২টি, ৭। নগদ ১৩,১৮০/-(তের হাজার একশত আশি)টাকা (যাহার মধ্যে ১০০০/-টাকার নোট ০৫টি, ৫০০/-টাকার নোট ১৫টি, ১০০/-টাকার নোট ০৬টি ও ২০/-টাকার নোট ০৪টি) উদ্ধার করা হয়।

এসআই (নিঃ) জাহিদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী ১। মোশারফ হোসেন (২৬), পিতামৃত-জিন্নাত আলী, সাং-লক্ষীপুর মধ্যপাড়া, থানা-ফুলবাড়ীয়া, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া বাইপাস এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ জনি মিয়া (২৬), পিতা-মোঃ মজিবর রহমান, মাতা-মোছাঃ আছমা, সাং-বারেড়া কান্দাপাড়া, এ/পি সাং-আকুয়া মাদ্রাসা কোয়াটার, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয় এবং তাহার নিকট হইতে ২৭ পিস ইনজেকশন ও ০৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এএসআই (নিঃ) আহসান হাবিব ফকির সঙ্গীয় ফোর্স থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ এনামুল হক (২৩), পিতামৃত-আঃ কাদের, সাং-লক্ষীপুর মধ্যপাড়া, থানা-ফুলবাড়ীয়া, জেলা- ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন আকুয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

ইহাছাড়ও এএসআই (নিঃ) রাকিবুল ইসলাম থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১টি পরোয়ানা গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ লায়ন (৩৫), পিতা-মৃত আঃ জব্বার, সাং-বলাশপুর, কেওয়াটখালী, থানা-কোতোয়ালী, ময়মনসিংহ।

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৪ পিএম
ময়মনসিংহে পুলিশের সফল অভিযানে ৮ মামলার আসামি পিয়াল হাসান গ্রেপ্তার, মিলল চোরাই মোটরসাইকেল

ময়মনসিংহ নগরীর ধোপাখলা এলাকায় কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় এবং কোতোয়ালী থানাধীন ৩নং ফাঁড়ির চৌকস এস আই সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি অভিযান চালিয়ে মোঃ পিয়াল হাসান (২৬) নামে এক চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পিয়াল হাসান বাঘমারা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা: রমজান আলী ও মাতা: পারভিন বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং মাদক সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, কোতোয়ালী মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি ও মাদক সংক্রান্ত মোট ৮টি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২১ এম
ময়মনসিংহে কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের পাড়াইল গ্রামে জমি দখল ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এক কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সংঘটিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে খাইরুল ইসলাম, মফিজ, আবেদ আলী, রাবেয়া খাতুন, লাকী আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই স্থানীয় কৃষকদল নেতা আশিকুর রহমান মিলনের অনুসারী বলে দাবি করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা উক্ত জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। হঠাৎ করে কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলন জমিটি ক্রয় করেছেন দাবি করে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জিডি করার পর অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা ভুক্তভোগীর জমিতে থাকা দোকানপাট ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় হামলায় পরিবারের দুই সদস্য আহত হন।

এছাড়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দোকানের পাশেই থাকা তাদের পারিবারিক গোরস্থানের জমিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কৃষকদল সভাপতি আশিকুর রহমান মিলনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পুলিশ জানায়, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
বিধিমালা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি? ময়মনসিংহের ডিডি হারুনকে ঘিরে অভিযোগ

ময়মনসিংহে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এক উপপরিচালকের পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্তসাপেক্ষে পদোন্নতি বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যানের কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল অভিযোগ দুটি জমা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ময়মনসিংহে কর্মরত উপপরিচালক হারুন অর রশিদ ২০২১ সালে বিধিবহির্ভূতভাবে পদোন্নতি লাভ করেন। অভিযোগকারীর দাবি, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে নিয়োগ বিধিমালা উপেক্ষা করে তিনি এ পদোন্নতি নেন।

নিয়োগ বিধিমালা-২০১২ অনুযায়ী, উপপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য সহকারী পরিচালক হিসেবে ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আবশ্যক। কিন্তু অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হারুন অর রশিদ ১৮ এপ্রিল ২০১৪ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে পদোন্নতি পাওয়ার সময় তার অভিজ্ঞতা ছিল ৭ বছরেরও কম।

এছাড়া ২০১৮ সালের জ্যেষ্ঠতা তালিকায় তার অবস্থান ছিল ১৪০ নম্বরে। কিন্তু পদোন্নতির তালিকায় তাকে ৬০ নম্বরে উন্নীত করা হয়, যা জ্যেষ্ঠতা নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে তিনি এই পদোন্নতি নিশ্চিত করেন। এতে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনটি দাবি জানিয়েছেন –

১) অবৈধ পদোন্নতি বাতিল,

২) পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা,

৩) সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ।

এ বিষয়ে উপপরিচালক হারুন অর রশিদের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সচিব স্যার অবগত আছেন, তিনিই সব ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।