বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২২ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৪ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, কোতোয়ালী মডেল থানা, ময়মনসিংহ এর নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়ান্দা শাখা, ময়মনসিংহ এর অফিসার ও ফোর্সগন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া সাগর হত্যা মামলার আসামী ১। সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু (৬২), (পদবী-সাবেক ০৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন জাসদ (ইনু) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি) পিতা-মৃত সৈয়দ সুরুজ মিয়া, মাতা মৃতঃ আনজুমান আরা বেগম, সাং-৭নং আকুয়া মাদ্রাসা কোয়াটার, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিস্ফোরক আইনে রুজুকৃত মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৪৮), সাবেক সাধারন সম্পাদক সাংস্কৃতিক লীগ মহানগর, পিতা- মৃতঃ কালাচান বেপারী, মাতা- রেজিয়া খাতুন, সাং- ১৩/ই পুরোহিতপাড়া (ব্রাহ্মপল্লী), থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন কাঠগোলা বাজার এলাকা হইতে এবং বিস্ফোরক আইনে রুজুকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামী ২। মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল (৫০), সাবেক কমিশনার, ৩১নং ওয়ার্ড, আওয়ামীলীগ সমর্থক, পিতামৃত-শমসের আলী, মাতামৃত-লিল জান বেওয়া, সাং-চর ঈশ্বরদিয়া টানপাড়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা জুয়া খেলারত অবস্থায় আটক করা হয়।

 

 

এসআই(নিঃ) মাসুদ জামামলী কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা জুয়া খেলারত অবস্থায় ১। মোঃ নবীন (৪৯), পিতামৃত-আফছার উদ্দিন, মাতামৃত-পরী বেগম, সাং-ডহরী,থানা-লৌহজং জেলা-মুন্সীগঞ্জ, এপি/সাং-মাসকান্দা নতুন বাজার তাজ ভিলা ২। মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল (৫০), পিতামৃত-শমসের আলী, মাতামৃত-লিল জান বেওয়া, সাং-চর ঈশ^রদিয়া টানপাড়া ৩। মোঃ বাবুল মিয়া (৫৫), ৪। মোঃ খোকন মিয়া (৪৬), উভয় পিতা-আঃ বারেক, মাতা-গোলশান আরা, সাং-চর ঈশ^রদিয়া শিমুলতলী মোড় ৫। মোঃ রহমত আলী (৬৫), পিতামৃত-ফালু শেখ, মাতামৃত-খোদেজা খাতুন, সাং-পাটগুদাম আটানী পুকুরপাড়, ৬। মোঃ শফিক (৫০), পিতামৃত-মোকসেদুর রহমান, মাতামৃত-মোবারা খাতুন, সাং-কেওয়াটখালী পাওয়ার হাউজ রোড, বাসা নং-৫১/১ ৭। আঃ আজিজ (৫৫), পিতামৃত-রবি হোসেন, মাতামৃত-আমেনা খাতুন সাং-পাটগুদাম রেলির মোড় ইসলামবাগ ৮। বেনু চন্দ্র সরকার (৫৮), পিতামৃত-নগেন্দ্র সরকার, মাতামৃত-কুসুম দেওয়ানী সরকার, সাং-পাটগুদাম রেলির মোড় বেড়িবাধ, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) খলিলুর রহমান কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ শুভ (২২), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, মাতামৃত-আনোয়ারা বেগম, সাং-শিববাড়ী পার্থর বাড়ীর ভাড়াটিয়া ২। মোঃ রাহাত হোসেন (১৯), পিতা-মোঃ আব্দুল্লাহ, মাতা-নুসরাত জাহান, সাং-কালিবাড়ী, ৩। মাহিন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ হাসি বেগম, সাং-কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন, সর্ব থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদেরকে আরকে মিশন রোড এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) মাহমুদুল হাসান জামান প্রত্যেকে থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১ পরোয়ানা তামিল করেন।

 

পরোয়ানা ভূক্ত আসামীর নাম ঠিকানা-

আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, স্থায়ী : গ্রাম- গোপালনগর (পো: চর ঘাগড়া) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ

 

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।