সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৪ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, কোতোয়ালী মডেল থানা, ময়মনসিংহ এর নেতৃত্বে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়ান্দা শাখা, ময়মনসিংহ এর অফিসার ও ফোর্সগন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া সাগর হত্যা মামলার আসামী ১। সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু (৬২), (পদবী-সাবেক ০৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন জাসদ (ইনু) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি) পিতা-মৃত সৈয়দ সুরুজ মিয়া, মাতা মৃতঃ আনজুমান আরা বেগম, সাং-৭নং আকুয়া মাদ্রাসা কোয়াটার, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিস্ফোরক আইনে রুজুকৃত মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামী ১। মোঃ জামাল হোসেন (৪৮), সাবেক সাধারন সম্পাদক সাংস্কৃতিক লীগ মহানগর, পিতা- মৃতঃ কালাচান বেপারী, মাতা- রেজিয়া খাতুন, সাং- ১৩/ই পুরোহিতপাড়া (ব্রাহ্মপল্লী), থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন কাঠগোলা বাজার এলাকা হইতে এবং বিস্ফোরক আইনে রুজুকৃত মামলার এজাহারনামীয় আসামী ২। মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল (৫০), সাবেক কমিশনার, ৩১নং ওয়ার্ড, আওয়ামীলীগ সমর্থক, পিতামৃত-শমসের আলী, মাতামৃত-লিল জান বেওয়া, সাং-চর ঈশ্বরদিয়া টানপাড়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা জুয়া খেলারত অবস্থায় আটক করা হয়।

 

 

এসআই(নিঃ) মাসুদ জামামলী কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার মডেল থানাধীন চর ঈশ্বরদিয়া শিমুলতলী মোড় সংলগ্ন জনৈক লেভার সরদার আলাল সরদারের বসত বাড়ীর কক্ষের ভিতরে টাকার বিনিময়ে তাস দ্বারা জুয়া খেলারত অবস্থায় ১। মোঃ নবীন (৪৯), পিতামৃত-আফছার উদ্দিন, মাতামৃত-পরী বেগম, সাং-ডহরী,থানা-লৌহজং জেলা-মুন্সীগঞ্জ, এপি/সাং-মাসকান্দা নতুন বাজার তাজ ভিলা ২। মোঃ আসাদুজ্জামান জামাল (৫০), পিতামৃত-শমসের আলী, মাতামৃত-লিল জান বেওয়া, সাং-চর ঈশ^রদিয়া টানপাড়া ৩। মোঃ বাবুল মিয়া (৫৫), ৪। মোঃ খোকন মিয়া (৪৬), উভয় পিতা-আঃ বারেক, মাতা-গোলশান আরা, সাং-চর ঈশ^রদিয়া শিমুলতলী মোড় ৫। মোঃ রহমত আলী (৬৫), পিতামৃত-ফালু শেখ, মাতামৃত-খোদেজা খাতুন, সাং-পাটগুদাম আটানী পুকুরপাড়, ৬। মোঃ শফিক (৫০), পিতামৃত-মোকসেদুর রহমান, মাতামৃত-মোবারা খাতুন, সাং-কেওয়াটখালী পাওয়ার হাউজ রোড, বাসা নং-৫১/১ ৭। আঃ আজিজ (৫৫), পিতামৃত-রবি হোসেন, মাতামৃত-আমেনা খাতুন সাং-পাটগুদাম রেলির মোড় ইসলামবাগ ৮। বেনু চন্দ্র সরকার (৫৮), পিতামৃত-নগেন্দ্র সরকার, মাতামৃত-কুসুম দেওয়ানী সরকার, সাং-পাটগুদাম রেলির মোড় বেড়িবাধ, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) খলিলুর রহমান কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ শুভ (২২), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, মাতামৃত-আনোয়ারা বেগম, সাং-শিববাড়ী পার্থর বাড়ীর ভাড়াটিয়া ২। মোঃ রাহাত হোসেন (১৯), পিতা-মোঃ আব্দুল্লাহ, মাতা-নুসরাত জাহান, সাং-কালিবাড়ী, ৩। মাহিন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মাতা-মোছাঃ হাসি বেগম, সাং-কাচিঝুলি হামিদ উদ্দিন, সর্ব থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদেরকে আরকে মিশন রোড এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

 

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) মাহমুদুল হাসান জামান প্রত্যেকে থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১ পরোয়ানা তামিল করেন।

 

পরোয়ানা ভূক্ত আসামীর নাম ঠিকানা-

আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, স্থায়ী : গ্রাম- গোপালনগর (পো: চর ঘাগড়া) , উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ

 

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ পিএম
‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল  ‎

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় রেঞ্জের নিয়মিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের হাতে এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা। পর্যালোচনা সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলা নিষ্পত্তি, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের মূল্যায়ন এবং এটি দায়িত্ব পালনে পেশাগত উৎসাহ ও কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জনের পেছনে ধোবাউড়া থানার প্রতিটি সহকর্মীর নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে। তাই এই অর্জন আমি থানার সব সহকর্মীর প্রতি উৎসর্গ করছি।

‎তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে তিনি ও তাঁর পুরো টিম ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়, অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে বসতঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি ট্রান্সফরমার। এতে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের গোরকপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধুরাইল ইউনিয়নের পশ্চিম পাবিয়াজুরী ও গোরকপুর এলাকায় আকস্মিক ঝড়টি আঘাত হানে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে এলাকার বহু বসতঘরের চালা উড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিম পাবিয়াজুরীর সুমন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে গোরকপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা গাছ সরিয়ে সড়কটি সচল করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে গোরকপুর এলাকায় তিনটি ট্রান্সফরমার ও কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎহীন রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোরকপুর উত্তরপাড়া এলাকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের বসতঘর ও রান্নাঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে ঘরের বিভিন্ন অংশ। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে টিন ও কাঠের খুঁটি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাই। অনেক কষ্ট করে নতুন ভিটায় ঘর করেছিলাম। কিন্তু মাত্র এক মিনিটের ঝড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমাকে সহযোগিতা করলে খুব উপকার হতো।’

গোরকপুর ও পশ্চিম পাবিয়াজুরী এলাকার আরও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধবা রাহিলার বসতঘরও ঝড়ে ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটে। ঝড়ে আমার ঘরটাও ভেঙে গেছে। আমার একটা ব্যবস্থা করে দেন।’

ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ ঘরের চালা উড়ে যাওয়ার সময় ভাঙা খুঁটির নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রুবেলের স্ত্রী রেনুয়ারা বলেন, ‘ঝড়ের সময় ঘরের খুঁটি ভেঙে পড়ে আমার স্বামী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পশ্চিম পাবিয়াজুরীর বাসিন্দা আজি রহমানের বসতঘর ও গোয়ালঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ঘরের চারটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরুর পা কেটে গেছে। এ ঘটনায় তার দুই ছেলেও আহত হয়েছেন।

গোরকপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয় চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের ঝড়ে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অবগত হয়েছেন। একটি টিম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য মোস্তফা কামাল বলেন, রাতে এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ঝড়ের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেলের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে।

‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

‎ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে কেউ হতাহত হননি।

‎খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।

‎ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

‎অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বাসটিতে বাইরে থেকে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

‎ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

‎এদিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

‎তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।