সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:১৫ এম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৪ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

সূত্রোক্ত মামলার বাদী এসআই(নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকা বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালিন ইং-২৪/১২/২০২৪ তারিখ রাত ২৩:৩০ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ০৪নং আগ্রাকান্দা বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা ধৃত ০১নং আসামী মেহেদী হাসান নাদিম (৪৫) এর বাসার ২য় তলার উত্তর পাশের ০১নং আসামীর শয়ন কক্ষ হইতে আসামী ১। মেহেদী হাসান নাদিম (৪৫), পিতা- মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা- মৃত রেবেকা ইয়াছমিন, সাং- ০৪নং আগ্রাকান্দা, বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ, ২। মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আমিন উদ্দিন সিকদার, মাতা- আমেনা বেগম, সাং- জোসখোলা, থানা- পিরোজপুর সদর, জেলা- পিরোজপুর, এ/পি- ০৪নং আগ্রাকান্দা, বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ, ৩। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫০), পিতা- মৃত সাহেদ আলী, মাতা- মেহেরুন্নেছা বেগম, সাং- ২/চ গিরিশ চক্রবর্তী রোড, নতুন বাজার, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং ধৃত আসামীদের নিকট হইতে ১। একটি নীল রংয়ের জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় হালকা লালচে রংয়ের ৩৪০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ৩৪ গ্রাম, মূল্য অনুমান ১,০২,০০০/-টাকা, ২। একটি নীল রংয়ের পলি জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় গাড় লালচে রংয়ের ২০০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ২০ গ্রাম, মূল্য অনুমান ৬০,০০০/-টাকা, মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, যাহার মডেল আই ফোন- 15 PRO MAX, IMEI-1-356303484559073, IMEI-2-356303489062883, সংযুক্ত সীম নং-০১৭১১-৮২২২২০, ৩। একটি নীল রংয়ের পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় হালকা গোলাপি রংয়ের ১৬০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ১৬ গ্রাম, মূল্য অনুমান ৪৮,০০০/-টাকা সর্বমোট (৩৪০+২০০+১৬০)=৭০০(সাতশত) পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন ৭০ গ্রাম, মূল্য অনুমান ২,১০,০০০/-(দুইলক্ষ দশহাজার) টাকা, ৪। একটি কালো প্লাষ্টিকের বাটসহ হাসুয়া, বাটসহ লম্বা ০২ ফুট ০৮ ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০১ ফুট ০৯ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো অগ্রবাগ বাকা, ৫। একটি লোহার চাপাতি বাটসহ লম্বা ০১ ফুট ০২ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ৬। ০৪ টি ধারালো ছুড়া, যাহার মধ্যে ৭। একটি প্লাষ্টিকের বাটসহ ছুড়া, বাটসহ লম্বা ১৩ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০৮ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো অগ্রবাগ সরু, ৮। হলুদ কাঠের বাটসহ ছুড়া, বাটসহ লম্বা ০১ ফুট ০১ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ৭.৫ ইঞ্চি, ৯। ষ্টীলের ধারালো ছুড়া, যাহার লম্বা ০১ ফুট ০১ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ১০। কাঠের বাটসহ একটি ধারালো ছুড়া, বাটসহ লম্বা ০৯ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০৫ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ১১। একটি প্রাইভেটকার, যাহার রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্টো-গ-৩৩-৬৩৬২, চেসিস নং- YF15032938, যাহার ইঞ্জিন নং অস্পষ্ট।

 

এসআই(নিঃ) আল আমিন কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিশেষ ক্ষমতা মামলার আসামী ১। আশিকুর রহমান সোহেল (৩০), ২। আনিছুর রহমান উজ্জল (৪৫), উভয় পিতা-নুর হোসেন সরকার, মাতা-মোছাঃ আনোয়ারা খাতুন, সাং-রঘুরামপুর, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রঘুরামপুর সাকিনস্থ এসএস ইলেকট্রিক ইন্ড্রাস্টিজ লিঃ এর পশ্চিম পাশের গুডাউন হইতে গ্রেফতার করতঃ তাহাদের হেফাজত হইতে মোট ২৯ (উনত্রিশ)টি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তা যাহার প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে মোট (২৯x৫০)=১৪৫০ (চৌদশত পঞ্চাশ) কেজি ভারতীয় চিনি, যাহার মোট মূল্য অনুমান (২৯x৬০০০)=১,৭৪,০০০/-(এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার) টাকা, যাহার প্রতিটি বস্তায় গায়ে ইংরেজীতে REFINED SUGAR, Fresh সহ আরও ইংরেজীতে অন্যান্য লেখা

 

এসআই(নিঃ) মোঃ জাহিদুল ইসলাম কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (৫০), পিতা্মৃত-নুরু মিয়া, মাতা-মোছাঃ নুর জাহান, সাং-নাটক ঘরলেন, ২। মোঃ আকাশ আহম্মেদ মনির (৩০), পিতা-মোঃ হিরু মিয়া, মাতা-মমতা আক্তার, সাং-চরপাড়া প্রাইমারী স্কুল রোড, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে গাঙ্গীনার পাড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) অংকন সরকার কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোখলেছুর রহমান (৪৫), পিতামৃত-গিয়াস উদ্দিন, সাং-১৬৪ কালিবাড়ী রোড, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কালিবাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) অন্তরানী সরকার কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ সুকেল (২৫), পিতা-সিরাজুল ইসলাম, সাং-ভাবখালী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ভাবখালী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) জসিম উদ্দিন কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিশেষ ক্ষমতা মামলার আসামী ১। সাব্বির (২৪) পিতাঃ নাসির উদ্দিন, সাং- পাটগুদাম আরাফাত ভবন এর ভাড়াটিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে পাটগুদাম এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
ধোবাউড়ায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলা, ছুরিকাঘাতে নিহত-১

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে প্রকাশ্য জনসমাগমের মধ্যেই দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন নজরুল ইসলাম (৪৬)।

নিহত নজরুল ইসলামের রামসিংহপুর এলাকার হাজী মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ধোবাউড়া আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সংঘবদ্ধ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হঠাৎ নজরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এরশাদ বাজার ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রকাশ্য স্থানে এমন সহিংসতায় জনমনে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচনী পরিবেশকে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রভাবিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ পিএম
গৌরীপুরে শিক্ষাখেকো ইটভাটার মালিক রতনের খুটির জোড় কোথায়?

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ডৌহাখলা ইউনিয়নের গাজীপুরে সাব্দুল সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুক চিড়ে গড়ে উঠেছে অনুমোদনহীন অবৈধ ইকো ব্রিকস নামক ইটভাটা। ভোগান্তিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, নিরব প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা যায়, অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়া, কয়লার গুড়া ও ধুলোবালিসহ ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দের মিশ্রনে বিদ্যালয়ের কোমোলমতি শিক্ষার্থীরা শ্রেনীকক্ষে বসে লেখাপড়া করাটাই দায় হয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটা মালিক চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সাবেক প্রভাবশালী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফারুকুল ইসলাম রতন পেশি শক্তিবলে বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ অবৈধ দখলে নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার সুযোগটুকুও কেড়ে নিয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন এরা কি আসলেই চেয়ারম্যানরুপী সেবক ছিলেন? নাকি সেবক নামের জানোয়ার! সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কি খোঁজ রাখেন না? নাকি ঘুষের ঘোরে অন্ধ?

স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জানায়, ইটভাটার কালো ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে ক্লাসে বসে থাকতে পারিনা, স্কুল ড্রেস একদিনের বেশি পড়তে পারিনা। আমাদের অনেক কষ্ট হয়, শ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর তাঁর বক্তব্য বলেন, আমরা শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কি ক্লাস করাব, যেখানে আমরাই ঠিকে থাকতে পারিনা সেক্ষেত্রে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এগুলো কিভাবে সহ্য করবে। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের কিছু বলতে হবে না, আপনারা দয়া করে একটু বসুন তাহলেই অনুভব করতে পারবেন ইটভাটার ধোঁয়া, ধুলোবালি আর ইট বহনকারী গাড়ীর বিকট শব্দে বিদ্যালয়টি যেন নরকে পরিনত হয়েছে।

এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা কেটে দখলে নিয়েছে, জায়গাটা ভরাট করে দিবে বলছে কিন্তু এখন পর্যন্ত দেয়নি। আজ আপনাদের ক্যামেরার সামনে কথা বলায় কাল থেকে এই বিদ্যালয়ে চাকুরী করতে পারব কি না আল্লাহ জানেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মুঠোফোন রিসিভ না করলেও গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, আমাদের পরিবেশ আসার কথা, ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট করলে পরিবেশের একটা প্রসিকিউশন লাগে ওনারা আসলেই বিষয়টি আমরা দেখব।

সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম
সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের ঐক্য: কমিটি গঠন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে জেগে উঠেছে সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকার যুবসমাজ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিস্তার, কিশোর-তরুণদের নেশায় জড়িয়ে পড়া এবং সামাজিক অবক্ষয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে একটি মাদক নির্মূল কমিটি। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, যেখানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকাবাসীর মধ্যে মাদক সংশ্লিষ্ট নানা কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় যুবসমাজ একত্রিত হয়ে একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। কমিটির মাধ্যমে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া এবং তরুণদের সচেতন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, এটি মাদকবিরোধী গণস্বাক্ষরের অংশ, যেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনেকে স্বাক্ষর করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মতে, মাদকের কারণে পরিবার ভাঙছে, শিক্ষার্থীরা বিপথে যাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে- যা আর মেনে নেওয়া যায় না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব অভিযোগ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে এবং যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি জানানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।

মাদক নির্মূল কমিটির এক উদ্যোক্তা বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দিতে চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক, দোষীরা আইনের আওতায় আসুক, আর আমাদের এলাকা মাদকমুক্ত হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, যেকোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর আশা, যুবসমাজের এই ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে এবং সেহড়া চামড়া গুদাম এলাকা ধীরে ধীরে একটি নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশে পরিণত হবে।