বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:১৫ এম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ১৪ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

সূত্রোক্ত মামলার বাদী এসআই(নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন, কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকা বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালিন ইং-২৪/১২/২০২৪ তারিখ রাত ২৩:৩০ ঘটিকার সময় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ০৪নং আগ্রাকান্দা বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা ধৃত ০১নং আসামী মেহেদী হাসান নাদিম (৪৫) এর বাসার ২য় তলার উত্তর পাশের ০১নং আসামীর শয়ন কক্ষ হইতে আসামী ১। মেহেদী হাসান নাদিম (৪৫), পিতা- মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা- মৃত রেবেকা ইয়াছমিন, সাং- ০৪নং আগ্রাকান্দা, বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ, ২। মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আমিন উদ্দিন সিকদার, মাতা- আমেনা বেগম, সাং- জোসখোলা, থানা- পিরোজপুর সদর, জেলা- পিরোজপুর, এ/পি- ০৪নং আগ্রাকান্দা, বিসিক শিল্প নগরি, মাসকান্দা, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহ, ৩। মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫০), পিতা- মৃত সাহেদ আলী, মাতা- মেহেরুন্নেছা বেগম, সাং- ২/চ গিরিশ চক্রবর্তী রোড, নতুন বাজার, থানা- কোতোয়ালী, জেলা- ময়মনসিংহদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং ধৃত আসামীদের নিকট হইতে ১। একটি নীল রংয়ের জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় হালকা লালচে রংয়ের ৩৪০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ৩৪ গ্রাম, মূল্য অনুমান ১,০২,০০০/-টাকা, ২। একটি নীল রংয়ের পলি জিপারযুক্ত পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় গাড় লালচে রংয়ের ২০০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ২০ গ্রাম, মূল্য অনুমান ৬০,০০০/-টাকা, মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, যাহার মডেল আই ফোন- 15 PRO MAX, IMEI-1-356303484559073, IMEI-2-356303489062883, সংযুক্ত সীম নং-০১৭১১-৮২২২২০, ৩। একটি নীল রংয়ের পলি প্যাকেটে রক্ষিত অবস্থায় হালকা গোলাপি রংয়ের ১৬০ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, যাহার ওজন ১৬ গ্রাম, মূল্য অনুমান ৪৮,০০০/-টাকা সর্বমোট (৩৪০+২০০+১৬০)=৭০০(সাতশত) পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন ৭০ গ্রাম, মূল্য অনুমান ২,১০,০০০/-(দুইলক্ষ দশহাজার) টাকা, ৪। একটি কালো প্লাষ্টিকের বাটসহ হাসুয়া, বাটসহ লম্বা ০২ ফুট ০৮ ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০১ ফুট ০৯ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো অগ্রবাগ বাকা, ৫। একটি লোহার চাপাতি বাটসহ লম্বা ০১ ফুট ০২ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ৬। ০৪ টি ধারালো ছুড়া, যাহার মধ্যে ৭। একটি প্লাষ্টিকের বাটসহ ছুড়া, বাটসহ লম্বা ১৩ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০৮ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো অগ্রবাগ সরু, ৮। হলুদ কাঠের বাটসহ ছুড়া, বাটসহ লম্বা ০১ ফুট ০১ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ৭.৫ ইঞ্চি, ৯। ষ্টীলের ধারালো ছুড়া, যাহার লম্বা ০১ ফুট ০১ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ১০। কাঠের বাটসহ একটি ধারালো ছুড়া, বাটসহ লম্বা ০৯ইঞ্চি, বাট ছাড়া লম্বা ০৫ ইঞ্চি, যাহার একপাশ ধারালো, ১১। একটি প্রাইভেটকার, যাহার রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্টো-গ-৩৩-৬৩৬২, চেসিস নং- YF15032938, যাহার ইঞ্জিন নং অস্পষ্ট।

 

এসআই(নিঃ) আল আমিন কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিশেষ ক্ষমতা মামলার আসামী ১। আশিকুর রহমান সোহেল (৩০), ২। আনিছুর রহমান উজ্জল (৪৫), উভয় পিতা-নুর হোসেন সরকার, মাতা-মোছাঃ আনোয়ারা খাতুন, সাং-রঘুরামপুর, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন রঘুরামপুর সাকিনস্থ এসএস ইলেকট্রিক ইন্ড্রাস্টিজ লিঃ এর পশ্চিম পাশের গুডাউন হইতে গ্রেফতার করতঃ তাহাদের হেফাজত হইতে মোট ২৯ (উনত্রিশ)টি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তা যাহার প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি করে মোট (২৯x৫০)=১৪৫০ (চৌদশত পঞ্চাশ) কেজি ভারতীয় চিনি, যাহার মোট মূল্য অনুমান (২৯x৬০০০)=১,৭৪,০০০/-(এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার) টাকা, যাহার প্রতিটি বস্তায় গায়ে ইংরেজীতে REFINED SUGAR, Fresh সহ আরও ইংরেজীতে অন্যান্য লেখা

 

এসআই(নিঃ) মোঃ জাহিদুল ইসলাম কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া নিয়মিত চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (৫০), পিতা্মৃত-নুরু মিয়া, মাতা-মোছাঃ নুর জাহান, সাং-নাটক ঘরলেন, ২। মোঃ আকাশ আহম্মেদ মনির (৩০), পিতা-মোঃ হিরু মিয়া, মাতা-মমতা আক্তার, সাং-চরপাড়া প্রাইমারী স্কুল রোড, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে গাঙ্গীনার পাড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) অংকন সরকার কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোখলেছুর রহমান (৪৫), পিতামৃত-গিয়াস উদ্দিন, সাং-১৬৪ কালিবাড়ী রোড, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কালিবাড়ী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) অন্তরানী সরকার কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ সুকেল (২৫), পিতা-সিরাজুল ইসলাম, সাং-ভাবখালী, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ভাবখালী এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এসআই(নিঃ) জসিম উদ্দিন কোতোয়ালী মডেল থানা ময়মনসিংহ সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বিশেষ ক্ষমতা মামলার আসামী ১। সাব্বির (২৪) পিতাঃ নাসির উদ্দিন, সাং- পাটগুদাম আরাফাত ভবন এর ভাড়াটিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে পাটগুদাম এলাকা হইতে গ্রেফতার করা হয়।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।