বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

আমরা মরতে চাই, দেখি কত লোক মারতে পারে: জিএম কাদের

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০২৪, ৪:০৮ পিএম
আমরা মরতে চাই, দেখি কত লোক মারতে পারে: জিএম কাদের

‘দেশ ভালো নেই’ মন্তব্য করে ‘আন্দোলন, কর্মসূচি চলবে’ বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা মরতে চাই, দেখি কত লোক মারতে পারে।

 

আগামীকাল শনিবার (২ নভেম্বর) জাতীয় পার্টি পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ করবে বলেও জানান তিনি। জি এম কাদের বলেন, আমরা মরতে এসেছি, আমরা মরতে চাই, কত মারবে তোমরা আমরা দেখতে চাই।

শুক্রবার (১ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ‘জাতীয় পার্টির অফিসে হামলা ও অগ্নিকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

 

জিএম কাদের আরও বলেন, আল্লাহ আমাদের প্রটেকশন দিচ্ছেন বলে এখনো বেঁচে আছি, অন্য কারও প্রটেকশনে নয়। বিচারের জন্য যদি আল্লাহর সাহায্যের দিকে চেয়ে থাকতে হয় তাহলে দেশ কীভাবে চলবে। আমরা একদিনের ডেমোক্রেসি চাই না। সব সময়ের ডেমোক্রেসি চাই। আমরা চাই সরকার হবে- ‘অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল’।

 

তিনি বলেন, আমরা দেশের জনগণের পাশে ছিলাম, সবসময় থাকবো। আমার পরবর্তী প্রজন্ম এলেও জাতীয় পার্টি জনগণের পাশে থাকবে এবং একইভাবে এগিয়ে যাবে। আমাদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের দুই তারিখের কর্মসূচি চলবে। আমাদের কর্মসূচি ও আন্দোলন সবই চলবে নিয়মতান্ত্রিক এবং অহিংসভাবে।

 

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দেশটা এখন ভালো অবস্থায় নেই। শেখ হাসিনা দেশটাকে যেভাবে বিভক্তি করেছিলেন এখন একইভাবে বিভক্তি করা হচ্ছে। এখন হাজার হাজার মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে।

 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, উনারা যা বলে তা-ই সঠিক, বাকি সবাই ভুল। উনারা এখন বিচারকার্যেও গিয়ে বাধা দেয়। উনাদের ইচ্ছা হলো আমাদের অফিস ভেঙে দিয়ে গেল। কারও যদি ভুল হয় সেখানে ব্যবস্থা নেওয়ার অনেক উপায় আছে, তাই বলে তাকে ধ্বংস করে দেবেন, এটা কেমন হবে।

 

জিএম কাদের বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমরা সবসময় সমর্থন জানিয়েছি। তাদের পক্ষে সে সময় অনেক কথা বলেছি, বিবৃতি দিয়েছি। যে কারণে আমার অনেক ক্ষতিও হতে পারতো। কিন্তু এসব কিছুর পরোয়া আমরা করিনি। তারপরও আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায় অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।

‘আমি এখন বলছি, জাতীয় পার্টি একটি জনগণের রাজনৈতিক দল। হয়তো সারাদেশে আমাদের অবস্থান কিছুটা কম আছে, তবুও আমরা টিকে আছি। চাপে গর্তে ঢুকে গেলেও বারবার জাতীয় পার্টি উঠে দাঁড়ায়, এটাই অনেকের সহ্য হয় না। যে কারণে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়। জাতীয় পার্টি সবসময় জনবান্ধব দল ছিল, এখনো আছে এবং আগামীতেও থাকবে।’

 

তিনি বলেন, এরশাদ সাহেবকে যতই অপবাদ দেওয়া হোক না কেন জনগণ তার পাশে ছিল। অনেকে বলে এরশাদ সাহেবকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নামানো হয়েছে, এটা একদমই ভুল কথা। উনি জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়েছেন। তবে একানব্বই থেকে উনার (এরশাদ) এবং জাতীয় পার্টির ওপর নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। জিএম কাদের আরও বলেন, জাতীয় পার্টি কোনো সময় দলীয়করণ করেনি। জাতীয় পার্টি সবসময় বিভিন্ন দলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। তবে একটি গোষ্ঠী জাতীয় পার্টির নামে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে নানা রকমের ষড়যন্ত্র করছে।

 

তিনি বলেন, সবাই বলে আমরা নাকি আওয়ামী লীগের দোসর। কিন্তু কীভাবে দোসর হলাম। আমরা শেখ হাসিনার কোনো ধরনের জনবিরোধী কাজের সঙ্গে ছিলাম না। আমরা বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের জনবিরোধী ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি। আওয়ামী লীগের দলীয়করণের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার ছিলাম।

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, অনেকে বলেন ১৫ বছর অবৈধ শাসনামল ছিল। তবে আমরা বলি সেটি ছিল ১০ বছর, ২০১৪-২০২৪ পর্যন্ত সরকারকে আমরা অবৈধ শাসনামল হিসেবে দেখছি। ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত শাসন আমলকে অবৈধ বলা ঠিক নয়, তবে খারাপ শাসনামল বলতে পারেন।তিনি বলেন, ২০১৮ সালে সব দল শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তখন কি সব দল শেখ হাসিনার সরকারকে বৈধতা দেয়নি। এটা কি একা জাতীয় পার্টি দিয়েছিল।

 

জাপা চেয়ারম্যান আরও বলেন, যখন নির্বাচনে যেতে চাই না, তখন জোর করা হয়। কিন্তু যখন যেতে চাই, তখন বাধা আসে। জাতীয় পার্টি একটি রাজনৈতিক দল, আমাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার, যে কোনো দলের সঙ্গে আমরা যেতে পারি।

 

‘কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি এখন কেমন যেন হয়ে গেছে। আমরা মনে করেছিলাম ষড়যন্ত্র শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু এখন দেখছি দিন দিন তা বেড়েই চলছে। জনগণের ইচ্ছা প্রকাশ করতে দেওয়া হবে না, এটা কোন ধরনের দেশ।’জিএম কাদের বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে অনেক ভালো মন্ত্রী ছিল। তাদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ হতো। যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক ছিল। জামায়াতেরও অনেক ভালো নেতামন্ত্রী ছিল। তাদের সঙ্গেও আমার ভালো সম্পর্ক ছিল।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন- জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, অতিরিক্ত মহাসচিব রেজাউল করিম, শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও জিএম কাদেরের স্ত্রী শেরিফা কাদের।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।