রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৪৮ এম
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের

এসএসসি সব বিষয় ‘ম্যাপিং’ করে ‘বৈষম্যহীনভাবে’ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দাবিতে একদল শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ –অবরোধের মুখে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

 

চেয়ারম্যান পদ থেকে আগামীকাল সোমবার তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

আজ রোববার রাতে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক তপন কুমার সরকার। তিনি বলেন, বোর্ডে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের কাছেও তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।

 

এর আগে দুপুর থেকে আজ রোববার রাত পর্যন্ত ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রাঙ্গণে ঢুকে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন একদল শিক্ষার্থীরা। তাঁরা বলছেন, বিক্ষোভ চলাকালে তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, কিছু শিক্ষার্থী ভবনের ভেতরে ঢুকে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষেও ভাঙচুর চালিয়েছেন।

 

এ বছরের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। বাকি ছিল ব্যবহারিক পরীক্ষাও। একপর্যায়ে স্থগিত পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গত ২০ আগস্ট সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। তখন স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে বাধ্য হয় শিক্ষা বিভাগ।

 

 

১৫ অক্টোবর এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। স্থগিত হওয়া বিষয়গুলোর পরীক্ষা আন্দোলনের মুখে বাতিলের কারণে এবার এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়ন হয়েছে ভিন্ন পদ্ধতিতে। বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর মূল্যায়ন হয়েছে পরীক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (বিষয় ম্যাপিং)। অর্থাৎ এসএসসিতে যে শিক্ষার্থী যত নম্বর পেয়েছিলেন, সেটা এইচএসসিতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আর এইচএসসিতে যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা হয়েছিল, সেগুলোর উত্তরপত্রের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হয়েছে। এ দুই মূল্যায়ন মিলে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করা হয়েছে।

 

আজ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে বিক্ষোভে যাওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, ইতিমধ্যে যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক। এ জন্য এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সব বিষয়ের ওপর ‘ম্যাপিং’ করে ফলাফল নতুন করে প্রকাশ করতে হবে।

 

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ দুপুরের দিকে ‘এইচএসসি ব্যাচ ২০২৪’-এর ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে যান। তাঁদের মধ্যে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও ছিলেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একপর্যায়ে ফটকের তালা ভেঙে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাবোর্ড প্রাঙ্গণের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে ভবনের ভেতরেও ঢুকে পড়েন তাঁরা। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেছেন, বোর্ডের ভেতরে তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলায় কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁরা এই হামলার বিচার চান। একই সঙ্গে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের পদত্যাগও দাবি করেন।

শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কক্ষের সামনের অবস্থা।

 

এদিকে শিক্ষাবোর্ডে এমন পরিস্থিতির কারণে সনদ, নম্বরপত্রসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন। এ নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

 

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হোসেন বলেন, ফলাফলে বৈষম্য হয়েছে—এই অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এর প্রতিবাদে তাঁরা বোর্ডের সামনে অবস্থান করছিলেন। তাঁরা একপর্যায়ে বোর্ডের ভেতরে ঢুকে পড়েন। নথিপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র রক্ষায় বোর্ডের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বাধা দেন। তখন ধাক্কাধাক্কিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন।

শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

এম. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম
শুধু নথিতে নয়, উন্নয়ন দেখতে চাই বাস্তবে: সমন্বয় সভায় ফরিদা খানম

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমে ধীরগতি, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব এবং ফাইলবন্দি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে রোববার (২১ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির জুন ২০২৬ মাসের সভা।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম ও চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং বাস্তবমুখী উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি এবং হামের সংক্রমণের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে অন্তত একদিন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সভায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে ও কার্যকরভাবে ব্যয় নিশ্চিত করে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিবেশ সংরক্ষণে কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “উন্নয়ন বা জনসেবার নামে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। মাঠপর্যায়ের কাজের অগ্রগতি শুধু নথিপত্রে নয়, বাস্তবেও দৃশ্যমান হতে হবে।”

সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেলেন তারাকান্দার মেহেদী হাসান তালুকদার

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার কৃতি সন্তান এস. এম. মেহেদী হাসান তালুকদার।

তিনি তারাকান্দা উপজেলার ৭ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। মেহেদী হাসান তালুকদার রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাঁর বাবা মোঃ উছমান গনি তালুকদার রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর দাদা ছিলেন ওই ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি।

পারিবারিকভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক আদর্শ ও চেতনার পরিবেশে বেড়ে ওঠা মেহেদী হাসান তালুকদার ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলের প্রতি নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

তাঁর এ পদপ্রাপ্তিতে তারাকান্দা উপজেলার বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেহেদী হাসান তালুকদার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:১৯ এম
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রানার্সআপ মেডেল নিল ফুলবাড়িয়ার খুদে ফুটবলার মিতুল

রাজধানীর বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬। এ প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল ও নগদ অর্থ পুরস্কার গ্রহণ করেছে ময়মনসিংহ বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী খুদে ফুটবলার মিতুল হাসান।

মিতুল হাসান ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ২ নম্বর পুটিজানা ইউনিয়নের মৌহাতলা এলাকার বাসিন্দা মুরাদ হাসানের ১৩ বছর বয়সী ছেলে। বর্তমানে সে ত্রিশাল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল তার অদম্য আগ্রহ। প্রতিবেশী রিফাত আহমেদ রিজভীর হাত ধরে শিবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবলের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা আরও বিকশিত করতে ফুলবাড়িয়ার কেশরগঞ্জ বাজারে অবস্থিত কেএনবিএস যুব স্পোর্টিং একাডেমিতে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে মিতুল।

পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবলের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও নিষ্ঠার কারণে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর দ্রুতই সে স্কুল দলের অন্যতম ভরসায় পরিণত হয়। তার অসাধারণ নৈপুণ্যের সুবাদে দলটি বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও রানার্সআপ খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত মিতুল। সে জানায়, এই স্বীকৃতি তার ভবিষ্যৎ ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মিতুলের এই সাফল্যে ফুলবাড়িয়া, ত্রিশালসহ সমগ্র ময়মনসিংহ অঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, মিতুলের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হবে।