বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমানের লাইটিং দুর্নীতি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮:০৬ পিএম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমানের লাইটিং দুর্নীতি

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান তৎকালীন আওয়ামী খাদক বাহিনী ও প্রভাবশালীদের মনোতুষ্টকারী ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মসিকের গুণগ্রাহী কর্মকর্তা সেজে বাহবা নেবার জন্য ময়মনসিংহের বিভিন্ন সড়কগুলোতে LED লাইট স্থাপন করে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে নৌকা লাগিয়ে সেগুলোকেও LED লাইট দিয়ে আচ্ছাদন করে দিয়েছিলেন। ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বিদ্যুতের অসৎ নির্বাহী প্রকৌশলী জিলুর রহমান এটাকে প্রকল্প বানিয়ে ময়মনসিংহ সিটিবাসির ট্যাক্স ও সরকারের কোটি কোটি টাকার এই LED লাইট ও পুল তৈরি করেছিলেন তা এক ধাওয়াতেই সৌন্দর্য বর্ধনের লাইটিং এর অর্থ আত্মসাৎ করে পুনরায় অর্থের অপচয় করে সরিয়ে নিয়েছেন।

 

সিটিবাসীর কি দূর্ভাগ্যের বিষয় চোখের সামনে কোটি কোটি টাকা লোপাট করে ফেললেন নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান কিন্তু প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিয়া এর কিছুই জানেন না বলে জানান। জিল্লুর রহমানের আরেকটি চমকপ্রদ ও ধান্ধাবাজির কৌশল হলো যেদিনই আওয়ামীলীগ সরকারের পতন ঘটলো ঠিক সেই সময়েই একরাতের মধ্যে জিল্লুর রহমান সমস্ত, LED লাইটে আচ্ছাদিত নৌকা ভেঙ্গে চুরে সরিয়ে ফেললেন সেই সাথে নিজেকে বিএনপি সমর্থিত বলে ভাবসাব দেখাতে লাগলেন। একেই হয়তো বলা হয় যাহা লাউ তাহাই কন্দ্র। এখানে আরও উল্লেখযোগ্য যে নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান যে একজন ভয়াবহ দূর্ণীতিবাজ সেটাই প্রমান করে। যার কারণেই তৎকালীন আওয়ামী লীগের পেটুয়া খাদক বাহিনীর মদদে এবং তাদের কাছ থেকে বাহবা নেবার জন্যে কৌশলে এই কোটি টাকার প্রজেক্ট বানিয়ে ছিলেন যা আওয়ামিলীগ সরকারের পতনের সাথে সাথেই এক নিমিষে তিনি নিজেই আবার খেয়ে ফেললেন। মাঝখান থেকে ময়মনসিংহ সিটিবাসির ট্যাক্সের টাকা মেরে খেয়ে ফেলেছেন এই বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান আরও জানাগেছে পিডি অর্থ্যাৎ প্রজেক্ট ডিরেক্টর তিনি নিজেই সেজে কিছু লোক নিয়োগ দিয়ে তিনি নিজেই ঠিকাদার সেজে এই প্রকল্পের কর্মকান্ড চালিয়ে গেছেন।

 

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী থেকে নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে থাকা জিল্লুর রহমান একই জায়গায় প্রায় ২০ বছর যাবৎ উর্ধতন কয়েকজনকে খুশী রেখে পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগে নিজের ক্ষমতা ও হাডাম দেখিয়ে এই বিভাগ দুটিতে লাগাতার অনিয়ম ও দুর্ণীতি চালিয়ে যাচ্ছেন সম্প্রতি ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানে তিনি এখন নিজেকে বিএনপি সমর্থিত দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে বিভিন্ন এলাকায় নৌকা মার্কার LED লাইট সহ সবকিছুই সরিয়ে ফেলেছেন বলে দেখা গেছে। জানাগেছে ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের পতন ঘটলেও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন মসিকের দূর্নীতিবাজ আওয়ামী সমর্থিত কর্মকর্তা- কর্মচারীরা রাজকীয় ভাবে বহাল তবিয়তে দিন কাটাচ্ছেন। সচেতন সিটিবাসি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং নিয়ে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ পিএম
ময়মনসিংহে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং নিয়ে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

প্লাস্টিক বোতল ও ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ময়মনসিংহে বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সভায় প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে কাজ করা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য ময়মনসিংহ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সভা শেষে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

রূপালী লাইফের ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হলেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম
রূপালী লাইফের ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হলেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন

রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র ‘স্মার্ট রূপালী ডিভিশন’-এর অধীন ‘জবা প্রজেক্ট’-এর ইনচার্জ হিসেবে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন এফ এম আব্বাস উদ্দিন। তিনি একই প্রতিষ্ঠানে এজেন্সি ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় এফ এম আব্বাস উদ্দিন বলেন, “রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র স্মার্ট রূপালী ডিভিশনের জবা প্রজেক্টের ইনচার্জ হিসেবে আমাকে দায়িত্ব প্রদান করায় সম্মানিত সিএমও ও সিইও মহোদয়দের প্রতি জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি জানাই জবা ফুলের শুভেচ্ছা।”

এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) আবু মো. শফিকুল ইসলাম শাওন এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মো. গোলাম কিবরিয়াকে জবা ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

উল্লেখ্য, ‘নিরাপদ পরিবার, সমৃদ্ধ আগামী’ এবং ‘নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে বীমা খাতে আস্থা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা নিয়ে কাজ করে আসছে।

গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ

রাকিবুল হাসান আহাদ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম
গফরগাঁওয়ে দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌরসভার রেলওয়ে স্টেশন রোড এলাকার ঢাকা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দিগন্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রতারণা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরিচয়ের পর তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন দিগন্ত ঘোষ। এ সময় ধারণ করা কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে কয়েকজন অভিযোগকারী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এসবের কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিযোগকারী জানান, তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং এ ঘটনায় সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে দিগন্ত ঘোষ বলেন, “মেয়েরা আমাকে পছন্দ করে বলেই আমার কাছে আসে।” তবে অভিযোগের অন্যান্য বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি।

এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা বা জিডি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক।