সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

মিঠামইনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মিঠামইন প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
মিঠামইনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট শাহ কামাল (এপিপি), শাহরিয়ার আলম তপন, অ্যাডভোকেট রুবেল আহমেদ (এপিপি)।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, হাজি আলমগীর শিকদার, মামুন মিয়া, ভিপি বাহার মিয়া, কামাল পাশা, এরশাদুল হক, সিদ্দিকুর রহমান ঠাকুর, কাশেম সিকদার, তুষার আহমেদ শান্ত, নাজমুল হাসান ভূঁইয়া, ইব্রাহিম খলিল, নজু মিয়া, বদিউল আলম রতন, হজেন্দ্র চন্দ্র দাস, নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভায় মিঠামইন উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

‎ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে দৃশ্যমান পরিবর্তনের পরই সচিবের বদলি

‎এম. আনোয়ার হোসেন।। প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম
‎ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে দৃশ্যমান পরিবর্তনের পরই সচিবের বদলি

‎প্রশাসনে নিষ্ঠা, দক্ষতা ও সততার সঙ্গে কাজ করার পুরস্কার কি তবে অকাল বদলি বা কোনো কারণ ছাড়াই সরিয়ে দেওয়া? ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমির সাম্প্রতিক বদলি আমলাতন্ত্রের অলিখিত কিন্তু নিষ্ঠুর এক বাস্তবতাকে আবার নগ্নভাবে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। যে কর্মকর্তা দীর্ঘদিনের স্থবির ও জরাজীর্ণ একটি খাতকে গতিশীল করতে দিনরাত পরিশ্রম করলেন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গিয়ে সিন্ডিকেটের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করলেন না, তাকে রাতারাতি সরিয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কার স্বার্থ কাজ করছে, সেই প্রশ্ন এখন সচিবালয়ের করিডোর থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের মুখে মুখে।

‎জানা যায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি ও শ্লথগতির কাজের জন্য সমালোচিত ছিল। সেই অচলায়তন ভাঙতে সচিব বিলকিস জাহান রিমি দায়িত্ব নেওয়ার পর যে সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন, তা প্রশাসনিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

‎কোনো রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তিতে যুক্ত না থেকে কেবল মেধা, দক্ষতা ও সততাকে মূলধন করে তিনি প্রশাসনিক চাকা ঘুরিয়েছিলেন। বিটিসিএল, টেলিটক এবং ডাক বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর ঝুলে থাকা ফাইল সচল করা এবং অসাধু চক্রের অনৈতিক বাণিজ্যে লাগাম টানাই যেন শেষ পর্যন্ত তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াল।

‎ডাক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, যুগের সাথে পিছিয়ে পড়া ডাক বিভাগকে পুনরুজ্জীবিত করতে তিনি ই-কমার্স লজিস্টিকস জোরদার করেন। ডাক বিভাগের ট্র্যাকিং সিস্টেম উন্নত করা, ডিজিটাল আর্থিক সেবা সহজীকরণ এবং আধুনিক মেল প্রসেসিং সেন্টারগুলোকে পুরোদমে সচল করতে তিনি বিশেষ নজর দেন।

‎বিটিসিএল সূত্রে জানা যায়, জনগণের কাছে কম খরচে আধুনিক টেলিকম সেবা পৌঁছাতে বিটিসিএল-এর ডিজিটাল ডায়াল ও আলাপ অ্যাপ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ব্যাপক প্রচার নিশ্চিত করেছেন। মেগা প্রজেক্টগুলোর আওতায় অহেতুক ফাইল আটকে রাখার সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রুততম সময়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের ৫জি/৪জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে বছরের পর বছর জমে থাকা জটিলতা দূর করে কাজের গতি বৃদ্ধি করেন। কেনাকাটা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের টেন্ডারে দীর্ঘদিনের চেনা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে শতভাগ ই-টেন্ডারিং ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন।সচিবালয় ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে জবাবদিহিতা ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ঝুলে থাকা ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির সংস্কৃতি চালু করেন। এখানে নিষ্ক্রিয়তা কিংবা অদক্ষতা ঢেকে তোষামোদি করা নিরাপদ, কিন্তু সংস্কারের সাহসী পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করা একজন দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাকে হঠাৎ সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেবল তার প্রতি অবিচার নয়, বরং পুরো প্রশাসনিক সংস্কার প্রচেষ্টার মুখে এক প্রচণ্ড চড়। অনিয়ম, দূর্নীতিতে জড়িত কর্মকর্তা কর্মচারীদের সরিয়ে দিয়ে মেরুদণ্ডহীন বিটিসিএলকে লাভ জনক করার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং অসাধু চক্রের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়ার অপরাধেই কি তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো? এখন এই আলোচনায় উত্তাল সচিবালয়।

‎সচেতন মহলের প্রশ্ন, বদলি ও পদোন্নতির নীতিমালা কি শুধুই কাগজের দলিলে বন্দি থাকবে? যারা দিনরাত খাটবেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন এবং জনগণের আমানত রক্ষা করবেন, তাদের যদি এভাবে অকারণে সরিয়ে দেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে কোনো আমলা কি আর ঝুঁকি নিয়ে ভালো কাজ করার সাহস পাবেন?

‎সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রশাসনকে কার্যকর ও দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে তোষামোদকারীদের নয়, বিলকিস জাহানের মতো সৎ ও মেধাভিত্তিক কর্মকর্তাদের কাজের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা দেওয়া জরুরি। কিন্তু বর্তমান সিদ্ধান্ত কি সেই বার্তা দিতে পারল? নাকি বুঝিয়ে দিল, বেশি কাজ করলে বা স্বচ্ছতা বজায় রাখলে বলির পাঁঠা হতেই হবে? আমলাতন্ত্রের এই উল্টো রথ কোন অতলে গিয়ে থামবে, দেশবাসী আজ সেই উত্তরই জানতে চায়।

মাদক ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

গফরগাঁওয়ে নিগুয়ারী কৃষক দলের আলোচনা সভা ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রাকিবুল হাসান আহাদ, বিশেষ প্রতিনিধি।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৭ পিএম
গফরগাঁওয়ে নিগুয়ারী কৃষক দলের আলোচনা সভা ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ময়মনসিংহের দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় এলাকার শান্তি-শৃঙ্ঙ্খলা রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে গফরগাঁও উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কুরচাই বাজার ঈদগাহ মাঠে ইউনিয়ন কৃষক দলের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নিগুয়ারী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি ইব্রাহিম মৃধার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাবেক অন্যতম সদস্য ও নিগুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইয়াসিন খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মকসুদ খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নিগুয়ারী ইউনিয়নের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী রুহুল খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জামালসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইয়াসিন খান বলেন, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গফরগাঁওয়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, স্থানীয় সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান বাচ্চুর হাতকে শক্তিশালী করা এবং নিগুয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, ফ্যাসিবাদের অবশিষ্টাংশের যেকোনো নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। একই সঙ্গে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূলে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে নিগুয়ারী ইউনিয়ন বিএনপি, কৃষক দল এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অষ্টগ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে ২৭০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওর অঞ্চল।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
অষ্টগ্রামে ধলেশ্বরী নদীতে ২৭০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ধলেশ্বরী নদীতে ২৭০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

গত ১৬ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার কাস্তুল বাজার লঞ্চঘাট এলাকায় উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথী দাস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অমিত পণ্ডিত, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ইয়াকুব এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছের বংশবিস্তার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধলেশ্বরী নদীতে অবমুক্ত করা মাছের পোনাগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে উঠলে একদিকে যেমন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে, অন্যদিকে মৎস্যজীবীদের জীবিকা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা আরও বলেন, হাওরাঞ্চলের নদী, খাল ও অন্যান্য মুক্ত জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও সচেতন হতে হবে। দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও অবাধ বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।