শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩

গফরগাঁওয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র–মাদকসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৪ পিএম
গফরগাঁওয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র–মাদকসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে একটি কমব্যাট পিস্তল, গুলিসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় বিএনপির এক নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ও এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত আজিম উদ্দিন (৪৩) গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি গফরগাঁও ইউনিয়নের বলাইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। অপর গ্রেপ্তার চমন মণ্ডল (৩৫) একই ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে পৌর শহরের রাঘাইচটি এলাকায় কামরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে একটি কমব্যাট পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুটি কার্তুজ, তিনটি গুলি, ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং প্রায় তিন গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় গফরগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুল করিম অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়।

গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও আসামিরা কোনো তথ্য দেয়নি। পুলিশ তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলেও আদালত রিমান্ড শুনানি না করে উভয়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকের উৎস এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
ময়মনসিংহ মহিলা কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজে সরকারি বিধিমালা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীকে এই পদে বসানোর ফলে স্থানীয় সচেতন মহল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে নিয়োগ বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে দায়িত্ব না দিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তুলনামূলক কনিষ্ঠ শিক্ষক ফারহানা পারভীনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যক্ষের পদ শূন্য হলে প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠতম শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেই নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সুত্রে জানা আরও যায়, কলেজে অনার্স না থাকলেও শিক্ষকদের অনার্সের নিয়োগপত্র দেখিয়ে অপ্রয়োজনীয় খন্ডকালীন ১৮ সাল থেকে অদ্যবধি বেতন উত্তোলন করছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আতাত করে অডিট হওয়া এবং না হওয়ার বিষয়ে পায়তারা চলছে, বিষয়টি বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আর কোন কলেজে অনার্স বিষয় খোলার সরকারি সিদ্ধান্ত নেই।

এদিকে পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমান (রাসেল) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের প্রতিনিধি হয়ে অন্য শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কলেজে আধিপত্য বিস্তার করে রামরাজত্ব কায়েম করছে।

একাধিক শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফারহানা পারভীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে আসলে তার ছত্রছায়ায় খন্ডকালীন শিক্ষকদের চাকুরীচ্যুত করার ভয়ে কেও মুখ খুলতে চায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, এই অনিয়মতান্ত্রিক নিয়োগের ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের ডিঙ্গিয়ে কনিষ্ঠ কাউকে দায়িত্ব দেওয়ায় শিক্ষার পরিবেশ ও দাপ্তরিক কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষাঅনুরাগী ও অভিভাবকরা জানান, প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে দ্রুত এই বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করে বিধি মোতাবেক যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করবেন।

পৌরনীতি ও সুশাসনের শিক্ষক মাসুমা আক্তার ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক শাহ আজিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, এসকল অভিযোগের কোন সত্যতা নেই।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফারহানা পারভীনের কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, অভিযোগগুলো আমার কাছে খুবই হাস্যকর। আপনি এ ব্যাপারে ডিডি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ কলেজের কর্মচারীদের সাথেও কথা বলে বিষয়টি জানতে পারেন।

ময়মনসিংহ মহিলা (ডিগ্রি) কলেজের দাতা সদস্য মির্জা ফারজানা রহমান হোসনা জানান, এডহক কমিটি থেকে শুরু করে পুর্নাঙ্গ কমিটি হয়ে আসার পর থেকে প্রত্যেকটি সভায় আইন এবং বিধির বিপরীত যেন না হয় সে ব্যাপারে সদস্যমন্ডলীকে অবহিত করেছি, কিন্তু অন্যদের সম্মতি থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের পরিপন্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেফারেন্সে এবং স্থানীয় প্রভাব দেখিয়ে জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদে ফারহানা পারভীনকে বহাল রাখার জন্য একপর্যায়ে মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী তার কথা বহাল রাখে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমি অসম্মতি জানিয়ে সভা বয়কট করে চলে আসি এবং সাংবাদিকসহ বিভিন্ন দ্বায়িত্বশীল মহলকে বিষয়টি অবগত করি। বর্তমানে গভর্নিং বডি’র একজন দাতা সদস্য হিসেবে সকলের সহযোগিতা কামনা করিছি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যুৎশাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না। এটি একমাত্র গভর্নিং বডির পক্ষে চেয়ারম্যান সাহেবই বিস্তারিত বলতে পারবেন।

মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক একেএম শফিকুল ইসলাম জানান, এর আগে দেওয়া একটি নিয়োগ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাতিল করেছিলেন। প্রথমে যাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তিনি জ্যেষ্ঠ না হওয়ায় সেটি বাতিল হয়ে যায়। পরে গভর্নিং বডির সভাপতির অসুস্থতার কারণে বিষয়টি কিছুটা বিলম্বিত হয়। সভাপতি সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর সা¤প্রতিক বৈঠকে নতুন করে আলোচনা হয়।

তিনি আরও জানান, আপাতত একজনকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই এনটিআরসিএ- এর মাধ্যমে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমান কমিটির সেই ক্ষমতা নেই। অযথা জটিলতা সৃষ্টি না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়ে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি একেএম আজহারুল ইসলামের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২০ এম
ময়মনসিংহে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ পেস্টিং খোকন গ্রেফতার

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার আওতায় বিশেষ অভিযানে ২৪ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহম্মদ শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় ১ নং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এটিএসআই) মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় “পেস্টিং খোকন” নামে পরিচিত ওই ব্যক্তিকে ২৪ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন: সভাপতি-সম্পাদকসহ সব পদে বিএনপিপন্থিদের জয়

ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবকটি পদেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। ‘সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে অংশ নিয়ে তারা এ বিজয় অর্জন করেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. ফজলুল হক বাবলু আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে সমন্বিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল হক ৫৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’-এর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমান উল্লাহ বাদল পেয়েছেন ২১১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে একই প্যানেলের অ্যাডভোকেট মমরুজুল হাসান জুয়েল ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব উল আলম পেয়েছেন ৬০ ভোট।

অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মীর এমরান আলী পাপেল ও অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব একেএম মইনুল হোসেন মিলন; সহ-সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান খান (জামান) ও অ্যাডভোকেট রাইসুল ইসলাম; অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম সোহাগ; এবং কার্যকরী সদস্য পদে অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার লিপি, অ্যাডভোকেট রিয়াদ মো. সাঈদ, অ্যাডভোকেট রেজাউল কিবরিয়া (সোহাগ মন্ডল), অ্যাডভোকেট মো. শাহীন আলম, অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন খলিল, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট সামির আল রশিদ বিপ্লব।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। নির্বাচনে মোট ১,০৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ৮৪০ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটগ্রহণ শেষে রাতে গণনা সম্পন্ন হয় এবং শুক্রবার সকালে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।