মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ২০ ১৪৩২

জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়: লোকসানের কারণ এমডির দুর্নীতি ও অদক্ষতা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:১৮ পিএম
জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়: লোকসানের কারণ এমডির দুর্নীতি ও অদক্ষতা

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আস্থাভাজন বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা ব্যাংক সেক্টরের নেতা মজিবর রহমান জনতা ব্যাংকের এমডি পদে বহাল তবিয়তে থেকে আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। সাবেক অর্থ মন্ত্রী ও হাসিনা সরকারের প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের বিশ্বস্ত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে

ঘুষ দুর্নীতি বদলী বানিজ্যে করে অর্থ বিত্ত সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন।

গত অর্থবছরে জনতা ব্যাংক লস করেছে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। যা ছিল জনতা ব্যাংকের ইতিহাসে ভয়াবহ বিপর্যয়। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনতা ব্যাংকের ২০২৪ সালের লোকসানের পরিমাণ ৩০৬৬ কোটি টাকা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, এই লসের পরিমাণ আগামীতে চার হাজার কোটিতে গিয়ে ঠেকতে পারে।

‎এই বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ এমডি মজিবুর রহমানের অদক্ষতা এবং লাগামহীন দুর্নীতি ও বদলি বাণিজ্য। ঘুষের আশায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নীতি সহায়তা প্রাপ্ত গ্রাহকদের পনু : তফশিল দিতে গড়িমসি।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা ও ব্যাংক সেক্টরকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনতে এই জনতা ব্যাংকের প্রধান বাধা এমডি মজিবর রহমান। জিরো টলারেন্স দুর্নীতির চরম শিখরে অবস্থান করছে। আওয়ামী দলবাজ এমডি’র দুর্নীতি ও দলবাজি’র কবলে পড়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোন মূল্যায়ন না করে অদক্ষ ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের

মাঠ পর্যায়ের শাখা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সহ কর্মচারীদের পোস্টিং দেওয়ার কারণে ব্যাংক লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারছেনা এমনটি জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তা।

এদিকে, উচ্চ সুদে আমানত এনে, মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়ে এবং ভুল তথ্য দিয়ে নিজের ব্যক্তি ইমেজ গড়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করছেন মজিবুর রহমান। জনতা ব্যাংকের পয়সায় এই আমানত আনার শিশুসুলভ বিজ্ঞাপনে দেশের সবগুলো দৈনিকের পাতা এখন মজিবুরের ছবিতে ভর্তি।

ব্যাংক পাড়ায় গুঞ্জন রয়েছে, নানা সূত্রে ৪৭ কোটি টাকা ঘুষের কন্টাক্টে মজিবুর জনতা ব্যাংকের এমডি পদ হাসিল করেছেন। এই টাকা লাভসহ তোলার জন্য মুখিয়ে আছেন মজিবুর। ফলে সব রকম খাত থেকেই তিনি লাভ তুলতে মরিয়া। উদাহরণ হিসেবে, সম্প্রতি ২ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ওরিয়ান ফার্মার একটি প্রজেক্টের ফায়ার ইনসিওরেন্স তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ইউনিয়ন ইনসুরেন্সকে দিতে বাধ্য করেন মজিবুর। জানা গেছ, মজিবুর একাই এখান থেকে কমিশন নিয়েছেন ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাকি কমিশন ৪৮ মতিঝিল শাখার দুর্নীতিগ্রস্ত ডিজিএম সোবাহান এবং এমডির আত্মীয় ভাগ করে নেন। যা সবসময়ই অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে তাদের কুক্ষিগত হয়। জানা গেছে- অরিয়ন অনিচ্ছা সত্ত্বেও এমডির হুমকিতে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ডেভিটের চিঠি দিতে বাধ্য হয়।

‎এমন হাজার অনিয়ম দুর্নীতির কবলে পড়ে ব্যাহত হচ্ছে ব্যাংকের লাভজনক স্বাভাবিক কার্যক্রম। দক্ষ কর্মকর্তা কর্মচারীদের যখন তখন যেখানে সেখানে বদলি করার ফলে মুখ থুবড়ে পড়ছে জনতা ব্যাংকের অগ্রগতি। হয়রানিমূলক বদলির হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ঘুস দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। জানা গেছে, এই বদলি বাণিজ্য দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন যে কর্মকর্তা, তিনি আবার এমডি মজিবুরের ভায়রাভাই।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে উচ্চপদস্থ এক ব্যাংকার বলেন যে, জনতা ব্যাংক বর্তমানে খেলাপি ঋণে জর্জরিত। এখন দরকার পুনঃ :তফশিল এবং সুদ মওকুফের মাধ্যমে অতিদ্রুত উল্লেখযোগ্য অঙ্কের খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনা, নতুন সিকিউরড ঋণ সৃষ্টি। বর্তমান এমডি খেলাপি ঋণ কমানোর কোনো চেষ্টাই করছেন না। বরং অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নীতি সহায়তা প্রাপ্ত গ্রাহকদের পনু :তফশিল দিতে গড়িমসি করছেন। ফলে ব্যাংকটির শ্রেণিকৃত ঋণের হার কেবল বাড়ছে। এদিকে উচ্চ সুদে আমানত এনে, মিডিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়ে নিজের ব্যক্তি ইমেজ গড়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করছেন মজিবুর রহমান।

‎জনতা ব্যাংক বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি ব্যাংক। দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অবদান এই ব্যাংকটির। এমন প্রেক্ষিতে এই ব্যাংকের বিপর্যয় জাতীয় অর্থনীতিতে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।

তিনি ১৯৬৯ সালে ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলাধীন হাসাদিয়া গ্রামে এক সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে বিএসসি অনার্স ইন এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স এবং এগ্রিকালচারাল প্রডাকশন ইকোনমিক্সে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।