রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ২শত কোটি টাকার ১৮৩ প্রকল্প অনুমোদনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে!

শিবলী সাদিক খান।। প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫, ২:৪৮ এম
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ২শত কোটি টাকার ১৮৩ প্রকল্প অনুমোদনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে!

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর ১০৩টি, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা ৪৭টি এবং কবিখা চাল ১৮টি, গম ১৫টি প্রকল্পের ২ শত কোটি টাকার ১৮৩ প্রকল্প অনুমোদনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ আনা হয়। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর উন্নয়ন প্রকল্পে নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা হয়রানির কথা বলা হয়।

এ সকল ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান কালে জানা যায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে টিআর কর্মসূচি প্রকল্পে ১৬১১৫৪০৮.০ টাকা উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্দের বিপরীতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর ১০৩টি প্রকল্প দেওয়া হয়। যার ৮ নং প্রকল্পের ভূল নামে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়া আছে, ১৯ নং প্রকল্পে ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ চেয়ারম্যান এর তালিকায় নাম নেই।

অধিকাংশ প্রকল্পে ৩০ শতাংশ বেশী ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে যা সরকারের অর্থের অপচয় লুটপাট হওয়ার আশংকা বিদ্যমান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিটা কর্মসূচি প্রকল্পে একই অর্থ বছরে ২০৪১০৮৮৩.০০ টাকা উন্নয়ন ব্যয় বরাদ্ধের বিপরীতে ৪৭টি প্রকল্প দেওয়া হয়। যার ৮ নং প্রকল্পের ২৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ সঠিক লোকেশন নাই, ১০ নং প্রকল্প সাড়ে ২৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ চেয়ারম্যান এর তালিকায় নাই, ২৩ নং প্রকল্পে ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ যার ডিজাইন বরাদ্দকৃত অর্থের সমন্বয় নাই। অধিকাংশ প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দে ব্যাপক গড়মিল রয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিখা কর্মসূচি প্রকল্পে চাল ১২১.৬৫৪ মে. টন বরাদ্দের বিপরীতে ১৮ টি প্রকল্প নেওয়া হয় এবং গম ১২১.৬৫৪ মে. টন বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ টি প্রকল্প নেওয়া হয়। গমের ১নং প্রকল্পে ৬.৬৯৪ মে.টন বরাদ্দের প্রকল্প নাই বাতিল করা হয়। ৫নং প্রকল্প ৮ টন বরাদ্দ হয়েছিল তা সঠিক না হওয়ায় মেম্বার বদলিয়ে দিবে বলে জানা গেছে। প্রকল্প তালিকা আরো ব্যাপক তদন্ত করলে সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থের সমন্বয় হীনতা, অপচয় দুর্নীতি প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে এমন আশংকা থাকায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়।

ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো কর্মসূচির ২শত কোটি টাকার ১৮৩ প্রকল্প অনুমোদনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রহমান বলেন, “৮০ শতাংশ প্রকল্প তালিকা সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানরা দিয়ে থাকেন আমি উপজেলার প্রশাসক এবং উন্নয়ন কমিটির সভাপতি হিসাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০ শতাংশ প্রকল্প দিয়ে থাকি। প্রকল্প তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে ডিআরও তদন্ত করছেন, অফিসে আমার টেবিলে তালিকা আসলে আমি স্বাক্ষর করে দেই। প্রকল্প কমিটি এসকল কাজ বাস্তবায়ন করে, কোন অনিয়মকে প্রশ্রয় দেই না।”

এবিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম এর মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়ন উন্নয়ন কমিটির সভার আমি সদস্য সচিব প্রকল্প অনুমোদনের সভা আহবান না করে প্রকল্পগুলো যাচাই বাছাই করার সুযোগ না দিয়ে কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর নিয়ে ইউএনও মেডাম প্রকল্পে একক ভাবে স্বাক্ষর দিয়ে আমাকে স্বাক্ষর করতে বলেন, আমি প্রকল্প গুলো এবং এর বিপরীতে উন্নয়ন ব্যায় বরাদ্দ সঠিক আছে কিনা যাচাই করে স্বাক্ষর দিচ্ছি জানালে ইউপি চেয়ারম্যান কয়েকজন মিলিত হয়ে প্রকল্প অনুমোদনের আগেই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা বানোয়াট ভীত্তিহীন অভিযোগ আনয়ন করে। যেখানে প্রকল্প অনুমোদন হয়নি সেখানে দুর্নীতি অনিয়ম হয়রানির সুযোগ কোথায়। স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি বলেই চেয়ারম্যানগণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন।”

নিকলীতে বীর বিক্রম মতিউর রহমানের নামে সড়ক ও চত্বরের নামকরণের সিদ্ধান্ত

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওরাঞ্চল।। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
নিকলীতে বীর বিক্রম মতিউর রহমানের নামে সড়ক ও চত্বরের নামকরণের সিদ্ধান্ত

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিকলীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মতিউর রহমান বীর বিক্রমের নামে একটি সড়ক ও একটি চত্বরের নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা পরিষদ।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিকলী নতুন বাজার থেকে কুর্শা বাজার পর্যন্ত সড়কটির নামকরণ করা হবে ‘মতিউর রহমান বীর বিক্রম সড়ক’। অন্যদিকে শহীদ স্মরণিকা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মোড়ের নাম হবে ‘মতিউর রহমান বীর বিক্রম চত্বর’।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শিদ আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় উত্থাপন করা হয়। গত ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ নভেম্বর নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবর একটি পত্র পাঠানো হয়েছে। ওই পত্রে প্রস্তাবিত সড়ক ও চত্বরের নামকরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান বীর বিক্রমের বীরত্বগাথা ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই নামকরণ।

‎ময়মনসিংহে আওয়ামী সন্ত্রাসী শাহীনের মটর ঘর থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার! নেপথ্যে কারা?

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
‎ময়মনসিংহে আওয়ামী সন্ত্রাসী শাহীনের মটর ঘর থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার! নেপথ্যে কারা?

ময়মনসিংহ সদরের ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে রাজগঞ্জ বাজার (সাহেব কাচারি) এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের মালিকানাধীন একটি মটর ঘর থেকে বিভিন্ন প্রকারের চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।

‎এ ঘটনায় (৬ নভেম্বর) সত্যের সন্ধান লোক সাংস্কৃতিক একাডেমির পরিচালক গোলাম রব্বানী (বাউল রব্বানী) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মটর ঘরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম ও তাঁর ভাই সিদ্দিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন।

‎ভুক্তভোগী বাউল শিল্পী গোলাম রব্বানী বলেন, আমি “সত্যের সন্ধান লোক সাংস্কৃতিক একাডেমি”র পরিচালক। আমার সারাজীবনে তিলে তিলে গড়া সকল বাদ্যযন্ত্র চুরি হয়েছে। একটা যন্ত্র রাঘবপুর বড়বাড়ির মৃত শামসুল হকের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের মালিকানাধীন মটর ঘর থেকে এলাকাবাসী উদ্ধার করেছে। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম ও সিদ্দিকুর রহমান চুরির সাথে জড়িত রয়েছে। আমার বিশ্বাস চুরি হওয়া মালামালগুলো পুলিশ দ্রুত উদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

‎স্থানীয়রা জানান,  চলতি বছরেই এ এলাকায় অন্তত কোটি টাকার মালামাল চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোর সনাক্ত না হওয়ায় একাধিক ভুক্তভোগী অজ্ঞাত নামে থানায় অভিযোগ করেছে, যা পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে। সম্প্রতি চোর চক্র সনাক্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎এদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলা জোরপূর্বক প্রত্যাহারে বাধ্য করতে চাঁদা দাবী, হত্যার হুমকি ও ‘মব’ সৃষ্টি, এক একর জমিতে মাছ চাষ ও নার্সারির কর্যক্রম বন্ধ রেখে ৬০ লাখ টাকা ক্ষতি সাধনে জাতীয় দৈনিক নতুন সময় পত্রিকার ময়মনসিংহ ব্যুরো চীফ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারী পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অদৃশ্য কারনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি পুলিশ।

‎জানা যায়, আওয়ামী সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নামে কোতোয়ালী মডেল থানায় সাংবাদিক নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিপূর্বে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক নির্যাতন, চুরি, ছিনতাইসহ ভয়ংকর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

‎এ ঘটনার ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু মালামাল স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে বলে অবগত হয়েছি। ঘটনার প্রেক্ষিতে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিঠামইনে ছোট ভাইকে ঠকানোর অভিযোগ, চুক্তিপত্রেও মিলছে না সমাধান

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
মিঠামইনে ছোট ভাইকে ঠকানোর অভিযোগ, চুক্তিপত্রেও মিলছে না সমাধান

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বড় ভাইদের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে বঞ্চিত করা, বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা এবং ঘরের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে স্ট্যাম্পে আপস-মীমাংসার চুক্তিনামা সম্পাদিত হলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছোট ভাই মো. শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীপাড়া গ্রামের মৃত হারিছ মিয়ার ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৪৯) মিঠামইন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে একই বাবার সন্তান মাওলানা আহসান হাবিব (৫৭), তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম (৫২) এবং ছেলে মুজাহিদ মিয়াকে (২২) বিবাদী করা হয়।

লিখিত অভিযোগে শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ঢাকায় বসবাসের সুযোগে তাঁর মালিকানাধীন বসতবাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল বিবাদীরা দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। ঘরে থাকা কাঠের বক্স, চৌকি, ফ্যান, সিমেন্টের পিলারসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

অন্যদিকে, অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদিত একটি অঙ্গীকারনামায় আপস-মীমাংসার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এতে প্রথম পক্ষ হিসেবে মো. শফিকুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে মাওলানা আহসান হাবিব ও মাহবুব আলমের নাম রয়েছে। দলিল অনুযায়ী, বাড়িসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দুই লাখ টাকা লেনদেন এবং ৩৯৫ নম্বর দাগ থেকে তিন শতাংশ জমি দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পর দ্বিতীয় পক্ষের আর কোনো দাবি-দাওয়া থাকবে না বলেও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে।

শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে চুক্তির শর্ত কার্যকর হচ্ছে না। বরং বিবাদীরা তাঁর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর বড় ভাই মাহবুব আলম ও আহসান হাবিব ওয়ারিশি সম্পত্তি থেকে তাঁকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় নিজের নিরাপত্তা ও পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে এবং মাওলানা আহসান হাবিব তুমিজা খাতুন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, বিষয়টি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের। উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দলিলপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।