মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

আ’লীগ ক্যাডারকে থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৪৬ পিএম
আ’লীগ ক্যাডারকে থানা থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

ময়মনসিংহে সাংবাদিকের উপর দায় চাপিয়ে চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম (রফিক মাস্টার) ও মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সালের লালিত, পতিত আওয়ামী সরকারের সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্তর রাজনৈতিক অনুসারী আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রাসী শাহীনকে আটক করে থানা থেকে ছেড়ে দিয়ে ব্যপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন। এতে চরাঞ্চল বাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিন্দা জানিয়েছে সাংবাদিক সমাজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত (২৯ জুন) ময়মনসিংহে এম এন এন্টারপ্রাইজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা সিদ্দিকুর রহমান শাহীনকে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে নিয়ে আসে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। বাদী মহসিন আলম লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়ে দেখে অভিযুক্তকে ছেড়ে দিয়েছে।

এসময় কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামকে বলতে শোনা যায়, ডিআইজি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন একজন সাংবাদিক শাহিনকে ৭বছর ধরে হয়রানি করছে তাই অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বাদী ক্ষুব্ধ হয়ে তার নিজের বিচার দাবী করেন।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরদিন (৩০ জুন) অভিযুক্ত সিদ্দিকুর রহমান শাহীন ২০/৩০ জনকে সাথে নিয়ে হৈই হুল্লা করে থানায় সাংবাদিকসহ বাদী মহসিন আলমের বিচার দাবী করে।

এসময় অভিযুক্ত সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের সাথে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি আশিক ও যুবলীগের সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম নেতৃত্ব দেয়। বিষয়টি ওসি বাদীকে জানালে সেও থানায় আসে সাথে শতাধিক লোকজন নিয়ে।

উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে সালিসি বৈঠক করেন ওসি শিবিরুল ইসলাম। এসময় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম, এসআই আকবর আলী, এসআই খালিদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাদী বিবাদীর সঙ্গে আসা লোকজন বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

থানায় সালিসি বৈঠকে সিদ্দিকুর রহমান শাহীন দোষী প্রমানিত হওয়ার পরেও গ্রেফতার না করে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেয় থানা পুলিশ।

এদিকে কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে ৩০০গজের ভিতরে আ”লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম (রফিক মাস্টার) ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগরের আইন বিষয়ক সম্পাদক মতিউর রহমান ফয়সালের বাসা, সিনাটান করে থানার সামনে দিয়ে প্রতিনিয়ত দিবালোকে যাতায়াত করলেও অদৃশ্য কারনে রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি ডিআইজি স্যারকে অবগত করেছি, এটাও বলেছি একজন সাংবাদিকের পায়ে রড পড়িয়ে রেখেছে, আপনি হলে কি করতেন। চর নিলক্ষীয়ায় শাহিন নামের দাউদ ইব্রাহিম থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ওসি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, শাহিন এলাকার ৩০/৪০ জন লোক নিয়ে আমার কাছে এসেছিল, তখন বারবার সাংবাদিকের নাম বলেছিল, যে ঘটনার প্রেক্ষিতে আনা হয়েছে তাতে দোষী প্রমানিত না হওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক তাকে হয়রানি করছে বলে ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে, ওসি এমন কথা বলে থাকলে সেটা ওসির বক্তব্য।

থানায় সালিসি বৈঠকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতারা উপস্থিত ছিল এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এতকিছু তদন্ত করিনি, এত সময় নাই। শাহিন নির্দোষ আপনার তদন্ত উঠে এসেছে কিন্তু সন্ত্রাসী শাহিন সাংবাদিকের উপর হামলা করে হাত পা গুড়িয়ে দিয়েছে এমন তথ্য তদন্তে উঠে আসেনি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এগুলো জানিনা যে অভিযোগে আনা হয়েছে সেটার সত্যতা পাইনি।

হাওরে নৌকা পারাপারে অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে সংবাদ, একপেশে প্রতিবেদনের অভিযোগ ইজারাদারের

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওর অঞ্চল।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২৯ পিএম
হাওরে নৌকা পারাপারে অতিরিক্ত টোল আদায় নিয়ে সংবাদ, একপেশে প্রতিবেদনের অভিযোগ ইজারাদারের

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে নৌকা পারাপারে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবেদনটিকে একপেশে, অসম্পূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ঘাটের ইজারাদার। তাঁদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য না নিয়ে এবং যথাযথভাবে তথ্য যাচাই না করেই প্রতিবেদনটি প্রচার করা হয়েছে।

ইজারাদারদের দাবি, প্রচারিত ভিডিও প্রতিবেদনে ইজারা আদায়কারী, ঘাট-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, এমনকি পারাপার হওয়া যাত্রী বা কথিত ভুক্তভোগীদের কারও বক্তব্য নেওয়া হয়নি। সরেজমিনে তথ্য যাচাই-বাছাই না করে একপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রচার করায় প্রকৃত চিত্র উঠে আসেনি। এতে স্থানীয় সাংবাদিকদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে তাঁরা মনে করেন।

ইজারাদাররা জানান, সরকারি নিয়ম, নির্ধারিত টোল চার্ট ও তালিকা অনুসরণ করেই তাঁরা ঘাটে টাকা আদায় করছেন। সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ইজারামূল্য পরিশোধ করে বৈধভাবেই ঘাট পরিচালনা করছেন বলেও দাবি তাঁদের। তাঁদের ভাষ্য, এ বিষয়ে স্থানীয় যাত্রী বা সাধারণ মানুষের কোনো অভিযোগ নেই।

এ বিষয়ে দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার স্থানীয় সাংবাদিক মোক্তার হোসেন গোলাপের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এই ভিডিও প্রতিবেদন সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। বাইরের একজন সাংবাদিক হাওরাঞ্চলে এসে অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রচার করেছেন। এ ধরনের প্রতিবেদন সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু ওই প্রতিবেদনে এসব বিষয় অনুসরণ করা হয়নি।’

স্থানীয়দের মতে, হাওরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌকা পারাপার। এ ব্যবস্থাকে ঘিরে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথভাবে তদন্ত ও যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা জরুরি। অন্যথায় অসম্পূর্ণ বা একপেশে তথ্য প্রচারের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ঘাটে অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তাই নৌকা পারাপারে টোল আদায় নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ যাচাই এবং সংবাদ প্রকাশে সব পক্ষের বক্তব্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ মিয়া, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ এম
ময়মনসিংহে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারী ও বৃদ্ধার ওপর হামলা, থানায় লিখিত অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩৩নং ওয়ার্ডের চর গোবদিয়া এলাকায় জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা, মারধর, সম্পদ নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান হিরা, সুরে এবং রশিদ গংদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী মোছাঃ ডলি আক্তার।

লিখিত অভিযোগে মোছা. ডলি আক্তার উল্লেখ করেন, চর ঈশ্বরদিয়া মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীরা জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জমিতে প্রবেশে বাধা, জোরপূর্বক ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং তাঁদের বিভিন্ন সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিবাদীরা তাঁদের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে ডলি আক্তার ও তাঁর ছেলে সাকিব (২১) সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় অভিযুক্ত মোখলেসসহ কয়েকজন এবং তাঁদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ডলি আক্তারের দাবি, হামলাকারীরা লোহার রড, এসএস পাইপ ও হকিস্টিক দিয়ে তাঁকে এবং তাঁর ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এ সময় তাঁর ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা নুরজাহানকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে বিবাদীরা তাঁদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হত্যার উদ্দেশ্যে তেড়ে আসেন। এ সময় তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ভবিষ্যতে জমি নিয়ে কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করলে আরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী।

ডলি আক্তারের আশঙ্কা, জমি দখলের চেষ্টা ও হামলার এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ভবিষ্যতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেও তিনি প্রতিকার না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত থানার দ্বারস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের বক্তব্য এবং অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মুক্তাগাছায় সুদের টাকা দিতে না পারায় ভ্যান চালক বিল্লালকে মারধর

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার আধপাখিয়া গ্রামের মেম্বারের ভাই মোফাজ্জল হোসেন সুদে টাকা লাগিয়ে কম পক্ষে ২০ পরিবারকে পথে বসিয়ে দিয়েছেন। এদের প্রায় সকলেই হয়েছেন টাকা কিংবা সুদের টাকা দিতে নাপারায় নির্যাতনের শিকার।গত ২৯ অক্টোবর সুদের টাকার জন্য শারিরিক নির্যাতনের শিকার হন বিল্লাল মিয়া।এই হতভাগ্য থানায় অভিযোগ করতে পারেনি।পরে যদি এর চেয়ে বড় কিছু করে ফেলে। মোফাজ্জল এতোটাই এলাকায় আতংকের নাম।

আধপাখিয়ার ভ্যান চালক বিল্লাল একই এলাকার মোফাজ্জলের কাছ থেকে বিপদে পড়ে মাসিক বিশ টাকা হাড় সুদে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল।গত প্রায় ২ বছরে বিল্লাল প্রায় বিশ হাজার টাকা সুদ দিয়েছে। সম্প্রতি সুদ দিতে দেরী হওয়ায় মোফাজ্জল চাপ দেয় সুদে আসলে তার টাকা দিয়ে দিতে হবে।টাকা দিতে দেরী হওয়ায় ২৯ অক্টোবর বিল্লালকে স্থানীয় সুমনের দোকানের সামনে বেদরক মারধর করে।নির্যাতন দেখে সহ্য না হওয়ায় দোকানদার সুমন মোফাজ্জলের টাকা দিয়ে দেন।এ সময় তাকে সুদসহ ৬ হাজার টাকাই দিতে হয়।এমন অভিযোগ স্থানীয় এক নারীও করেছেন।

এলাকার অনেকের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন মোফাজ্জল চড়া সুদে টাকা লাগান। টাকা আদায় করতে গিয়ে অনেকের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার টাকার সুদ দিতে দিতে অনেকে নিঃশ্ব হয়েছেন।অনেকের ঢাকা শহরে গিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। এলাকার মানুষের সাথে যেন তার পায়কারি হাড়ে বিরোধ। কোন ব্যাক্তি এ সকল ঘটনার প্রতিবাদ করলেই সেও পড়ে তাদের রোষানলে।

মোফাজ্জল জানান, এলাকায় তার সাথে কারো বিরোধ নেই। পাওনা টাকা চাইলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।তিনি তার ভাই মেম্বার এর নাম উল্লেখ করে বলেন আমি খারাপ হলে কি ভাইকে ভোট দিতো? জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে তাদের সাথে অনেকের। সে গুলোও মানুষ সমালোচনা করে।