মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ ১৪৩২

মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত জুয়েলের যৌন হয়রানির শিকার এক শিক্ষার্থী

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫, ৪:৪২ পিএম
মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত জুয়েলের যৌন হয়রানির শিকার এক শিক্ষার্থী

সারাদেশে শিক্ষা অঙ্গনে শিক্ষার্থী যৌন হয়রানি বন্ধের দাবিতে উত্তাল, ঠিক সেই মুহুর্তে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা পায়নি একই কলেজের এক শিক্ষার্থী।

এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং দ্বায়িত্বশীল শিক্ষক মণ্ডলীর মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষে ও ম্যানেজিং কমিটির লালিত ঐ ডেমোনেস্ট্রেটর বহু নারী কেলেংকারী মাস্টারমাইন্ড আক্তারুজ্জামান জুয়েল রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

সুত্র জানায়, যে কোন সময় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল সহ হামলার আশংকা রয়েছে।

মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ জানান, কলেজটি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুয়াকাটায় বার্ষিক বনভোজন বা পিকনিকের আয়োজন করা হয়। ঐ বনভোজনে অত্র কলেজের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল কর্তৃক একই কলেজের এক ছাত্রী যৌন হয়রানি শিকার হন।

পরবর্তীতে ঐ ছাত্রী কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে সন্তোষজনক বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী কলেজটির ম্যানেজিং কমিটির দ্বায়িত্বে থাকা মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর দ্বারস্থ হয়ে বিচার না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এই অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যৌন হয়রানির শিকার শিক্ষার্থী মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে তিনি জানান, ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলকে এবিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং তাকে শাসানো হয়েছে। এই প্রতিবেদক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে প্রশ্ন করেন যৌন হয়রানির বিচার কি শুধু শাসানো? তখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিজেকে মুক্তাগাছা প্রেসক্লাবের সদস্য পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, যৌন হয়রানির শিকার ঐ ছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের বিরুদ্ধে নমনীয়তা দেখানো হয়েছে।

এবিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সত্যতা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি । অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে জেনেছি, ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল ঐ ছাত্রীকে পা দিয়ে স্পর্শ করেন। এবিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন ? প্রতিবেদক এমন প্রশ্ন করলে তিনি কথা শেষ না করেই ফোন কেটে দেন।

ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েল সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, জুয়েল ইতিমধ্যে বহু নারী কেলেংকারীর পাশাপাশি ৩টি বিয়ে করেছেন। জুয়েলের বিরুদ্ধে তার সাবেক স্ত্রী’গন বিভিন্ন সময় মুক্তাগাছার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার প্রার্থী হয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জুয়েলকে নির্বিত্ত করতে না পারায় তার স্ত্রী বিজ্ঞ আদালতের নিকট বিচার প্রার্থী হয়েছে।

নারী লোভী দুশ্চরিত্র মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ডেমোনেস্ট্রেটর আক্তারুজ্জামান জুয়েলের এমন তৎপরতা বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে সামাজিক এবং শিক্ষা-অঙ্গনের ভাবমূর্তি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে জানাযায়, শুধু নারী কেলেংকারীতেই সীমাবদ্ধ নয় তিনি। মামলাবাজ হিসেবে পরিচিত শেখ মুহাম্মাদ আক্তারুজ্জামান জুয়েল অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নিকটাত্মীয়সহ এলাকার প্রায় অর্ধশত পরিবারকে হয়রানি করছে।

অভিযোগ রয়েছে, একজন কম্পিউটার ডেমোনেস্টেটর পদে চাকুরী করলেও মামলার এজাহারে নিজেকে প্রভাষক দাবী করেছেন।

আরো জানাযায়, স্বায়ত্তশাসিত মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ে বছরে ২০দিন ছুটির নিয়ম থাকলেও এতসব মামলার হাজিরা নিয়ে প্রশ্ন দীর্ঘ দিনের। ৫ আগস্টের আগে এসকল তথ্যের জন্য অধ্যক্ষ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র, মুক্তাগাছা মহাবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেন সরকারের কাছে গেলে সাংবাদিকদের কোন তথ্য প্রদান করেননি। বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপন করে তাদের লালিত কম্পিউটার ডিমোনেস্টটরকে রেখেছেন বহাল তবিয়তে।

এবিষয়ে অধ্যক্ষের কাছে জানতে চাইলে তিন বলেন, আক্তারুজ্জামান জুয়েল প্রভাষক না, সে যদি এ পরিচয় কোথাও ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আমার কি করার আছে। তবে তাকে প্রভাষক পরিচয় দিতে মৌখিকভাবে না করে দিয়েছি। আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমার ক্ষমতা অর্ধেক, তাই আমি চাইলে সব কিছুর ব্যবস্থা নিতে পারিনা বলে অপারগতা প্রকাশ করেন।

ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ২:২১ এম
ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

ময়মনসিংহে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী নাজিম মীর (৪৩) কে অবশেষে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত নাজিম মীর ময়মনসিংহ সদর উপজেলার খুরশিদপুর (মহব্বতপুর দরগাবাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম জাকির মীর ও মাতার নাম আছিয়া খাতুন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাজিম মীর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির হওয়ায় তাকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; প্রতিবারই তিনি কৌশলে পালিয়ে যান।

অবশেষে সোমবার (১৬ মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবীরুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এসআই মুহসিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত নাজিম মীরের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক সংক্রান্ত ৭টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
ভালুকায় সার্ভেয়ার ও উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, অনিয়ম ও সেবা গ্রহীতাদের হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে অফিসের সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম এবং মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, খতিয়ান সৃজন, তদন্ত প্রতিবেদন, নামজারি ও অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের উৎকোচ না দিলে কাজ করা হয় না। টাকা না দিলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মনগড়া তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম ভালুকা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই নানা অনিয়মের মাধ্যমে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছেন। কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও অর্থের বিনিময়ে তিনি প্রতিবেদনে সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করে নানা কৌশলে হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন।

উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, হবিরবাড়ী মৌজায় তার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ভুলবশত রেকর্ড হওয়ায় সংশোধনের জন্য সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তিনি মোটা অঙ্কের উৎকোচ দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব সার্ভেয়ারের ওপর পড়লে তিনি তার কাছে ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে জমির কাগজপত্র সঠিকভাবে পর্যালোচনা না করেই প্রতিপক্ষের পক্ষে একতরফা প্রতিবেদন দাখিল করেন।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের একটি জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়েও। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীর কাগজপত্র যথাযথভাবে যাচাই না করেই সার্ভেয়ার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে প্রকৃত জমির মালিক ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত হন।

কাচিনা ইউনিয়নের এক সেবাগ্রহীতা জানান, জমির নামজারি খতিয়ান করতে গিয়ে সার্ভেয়ারের কাছে গেলে তাকে বলা হয় রেকর্ডীয় মালিকের জমি নেই। তিনি বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে সার্ভেয়ার বালাম খুলে দেখান যে বিক্রেতার নামে গোল চিহ্ন রয়েছে। পরে উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন তাকে জানান, এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দিলে ওই গোল চিহ্ন তুলে দেওয়া যাবে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে একজনের দখলীয় জমি অন্যজনকে পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন। তার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে তদন্ত প্রতিবেদন বিপক্ষে চলে যায়। এতে এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও উত্তেজনা বাড়ছে।

কাদিনগর, পালাগাও ও তামাট এলাকার কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সার্ভেয়ার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়েও বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, তার সহযোগীদের মাধ্যমে প্রতিপক্ষ তৈরি করে উভয় পক্ষের কাছ থেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে এলাকায় জমি নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না—এমন অভিযোগ তুলেছেন অনেক সেবাপ্রত্যাশী। জমির নামজারি, খতিয়ান দেখা, তদন্ত প্রতিবেদন বা খাজনা আদায়—প্রতিটি ধাপেই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের সময় পরিচয় গোপন রেখে কথা বললে একাধিক সেবাগ্রহীতা জানান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা করলেও সার্ভেয়ার জহিরুল ইসলাম, উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুবেল হোসাইন, সার্টিফিকেট পেশকার খাইরুল ইসলাম ও মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মতো কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার কারণে অফিসের বদনাম কাটছে না। তাদের ঘুষ বাণিজ্যের কারণে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া কোনো ফাইলই এসিল্যান্ডের টেবিলে যায় না বলে অভিযোগ।

অভিযোগ রয়েছে, একটি মিউটেশনের সরকারি ফি ১ হাজার ১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। মিউটেশন সহকারী সাজ্জাদ হোসেনের মাধ্যমে এসব অর্থ আদায় করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সেবাগ্রহীতাদের দাবি, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা কয়েকজন দালালের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অফিস খরচের অজুহাত দেখিয়ে নিজেরাই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন।

এ বিষয়ে একজন সামাজিক বিশ্লেষক বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন চালু হলেও তৃণমূল পর্যায়ে এখনও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি পুরোপুরি দূর হয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে সংস্কারের উদ্যোগ থাকলেও মাঠ পর্যায়ে সেই বার্তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪১ পিএম
মুক্তাগাছায় অ্যাম্বুলেন্স-সিএনজি-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের পর সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর সড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।