বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের  অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও  আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ইং ১৯/০২/২০২৫ তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ২০ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই(নিঃ) ফিরোজ আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সাইফুল আলম ফেরদৌস (৬০) (সহ সভাপতি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ), পিতা- মৃত ফয়েজুল্লাহ, মাতা-মৃত শামছুন্নাহার, সাং- কাটাখালি, জেল রোড, পুলিশ লাইন্স, ২। রেশমা আক্তার (৫০), (আওয়ামীলীগ নেত্রী ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, গফরগাঁও উপজেলা) , পিতা- মৃত আব্দুল মান্নান, স্বামী- আক্তারুজ্জামান, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক, কাচিঝুলি, ৩। মোঃ আব্দুল আল রাসেল (৩৮) (যুবলীগ নেতা), পিতা- মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক কাচিঝুলি, ৪। মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫), (সিটি কর্পোরেশন ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), পিতা-মৃত বাবুল মিয়া, মাতা-রোকিয়া বেগম, সাং-থানারঘাট, ৫। মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৩৮), (ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-মোছাঃ ফরিদা খাতুন, সাং-মাইজহাটি, ৮নং ওয়ার্ড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’ কে কোতোয়ালী থানাধীন দাপুনিয়া বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) পিন্টু কুমার রায়, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলায় ধৃত আসামী ১। সাগর মিয়া(৩২), পিতা-মৃত রঞ্জু মিয়া, মাতা-শাহিদা বেগম, সাং-পূর্বচনপাড়া, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। শাহাদাত হোসেন বাবু (৩২), পিতা-জালাল গাজী, মাতা-শাহানা, সাং-চরপাড়া খালপাড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাজমহল মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) খায়রুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), (যুবলীগ নেতা), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-খুদেজা খাতুন, সাং-বাঘাডোবা, ২। মোঃ বিল্লাল হোসেন (৪০), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত আঃ রশিদ, মাতা-জীবনন্নেছা, সাং-বীর বওলা, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন অম্বিকাগঞ্জ বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) সজীব কোচ, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার ১। মনিরুল কাইয়ুম হৃদয় (৩৩), পিতা-আব্দুল হাদী, মাতা-ছালমা বেগম, সাং-৯৬/বি/২ নির্মল আবাসন পুরোহিতপাড়া, ২। বিপ্লব (৩০), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, মাতা-মাজেদা খাতুন, সাং-সানকিপাড়া শেষ মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) জাহিদুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী ১। নুরুল আমিন নুরু ওরফে লাল চাঁন (৩০), পিতা-সুলতান ওরফে মদন আলী, মাতা-রেজিয়া খাতুন, সাং-কৃষ্টপুর আলীয়া মাদ্রাসা, ২। মোঃ রাজীব (২৯), পিতা-আঃ রহিম, মাতা-ফাতেমা, সাং-কৃষ্টপুর, ৩। রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রিয়াজ (২৯), পিতা-মোঃ ফজলুল হক, সাং-কালীবাড়ী রোড, ৪। সোহেল হাসান ওরফে ধইন্যা (৩১), পিতা-মৃত আঃ বারেক, মাতা-পারভীন আক্তার, সাং-কালীবাড়ী রোড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) নাজমুল হক, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সুজন (২৫), পিতা-মৃত বাবুল, সাং-চর কালীবাড়ী মিলগেইট বাজার, ২। রুমান (৪২), পিতা-শাহজাদা, সাং-কৃষ্টপুর নায়েবের তিনতলা পাশে, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) আনছার আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সামাদুল মীর (৬৫), পিতা-ইসমাইল মীর, মাতা-আমেনা খাতুন, সাং-রঘুরামপুর সবজিপাড়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) আয়েছ মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০২ টি সিআর পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ ফরিদ আহমেদ (শ্রভ্র) (৩২), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

২। মোঃ ফরহাদ হোসেন (শান্ত) (২৪), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ময়মনসিংহে ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের স্থান নিয়ে বিতর্ক!

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ওয়ার্ডবাসীর অভিযোগ, প্রস্তাবিত স্থানটি অধিকাংশ মানুষের জন্য দূরবর্তী হওয়ায় নাগরিক সেবা গ্রহণে ভোগান্তি বাড়তে পারে।

স্থানীয় নাগরিকদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, Mymensingh City Corporation-এর ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিসের জন্য নির্ধারিত বর্তমান স্থানটি ওয়ার্ডের অনেক বাসিন্দার জন্য সুবিধাজনক নয়। এতে প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষকে নাগরিক সেবা গ্রহণের জন্য দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হতে পারে।

নাগরিকদের মতে, বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী ও সাধারণ মানুষের জন্য এত দূরত্ব অতিক্রম করা কষ্টসাধ্য হবে। এতে সরকারের ঘোষিত নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার মূল লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে।

আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছেন, Constitution of Bangladesh-এর অনুচ্ছেদ ২৭ (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) এবং অনুচ্ছেদ ৩১ (আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার) অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার অধিকারী।

এছাড়া Local Government (City Corporation) Act, 2009 অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব হলো নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য, স্বচ্ছ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা।

সরকারের Digital Bangladesh ও Smart Bangladesh বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নাগরিক সেবা সহজলভ্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে Local Government Division এবং a2i Programme-এর মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

নাগরিকদের মতে, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও আধুনিক নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হলে মানুষ দ্রুত ও সহজে সরকারি সেবা পেতে পারবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়ার্ড অফিস স্থাপনের জন্য যে জমি নির্বাচন করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ে বা বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের মালিকানাধীন হতে পারে বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এসব জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ওয়ার্ডবাসীর দাবি, নাগরিকদের মতামত বিবেচনা করে অধিকাংশ মানুষের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য চায়না মোড় এলাকায় ৩২ নম্বর ওয়ার্ড অফিস স্থাপন করা হলে হাজারো মানুষ উপকৃত হবে।

ওয়ার্ডবাসীর পক্ষে উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা বিপ্লব নিভ বলেন, “নাগরিকদের সুবিধা বিবেচনা করেই ওয়ার্ড অফিসের স্থান নির্ধারণ করা উচিত। আমরা চাই প্রশাসন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে এমন স্থানে অফিস স্থাপন করুক, যেখানে অধিকাংশ মানুষ সহজে সেবা নিতে পারে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহের চর নিলক্ষীয়ায় বিএনপি’র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ময়মনসিংহ সদরে ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে রাজগঞ্জ সাহেব কাচারি বাজারে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান রাসেলের সভাপতিত্বে ও মহসিন আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কোতোয়ালী বিএনপি’র আহ্বায়ক হেলাল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াহিয়া হোসেন শাহীন, সদস্য সচিব, মোঃ আজহারুল ইসলাম বুলবুল সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম শহীদ সদস্য, আব্দুস ছালাম।

ইফতার পূর্ব মিলাদ ও মোনাজাত পাঠ করা হয়।

ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ পিএম
ময়মনসিংহ বিসিক শিল্পনগরীতে কয়েল কারখানায় আগুন, ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভিন্ন দাবি

ময়মনসিংহের বিসিক শিল্প নগরীর একটি কয়েল উৎপাদন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দিনগত রাত ৩টার দিকে বিসিক শিল্প নগরীতে ‘মেসার্স তাকওয়া মার্কেটিং নেটওয়ার্ক’ উৎপাদিত নাইটগার্ড মশার কয়েলের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল উৎপাদন কারখানায় হঠাৎ করেই আগুন দেখতে পায় লোকজন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে সদর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বাকৃবি ফায়ার সার্ভিসের আরও দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হয় সকাল ৬টার পর।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে কারখানার অনেক অংশসহ উৎপাদিত কয়েল, উৎপাদন সামগ্রী, মটরসহ কারখানায় থাকা অন্য জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও কারখানার মালিকের দাবি, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছি। বিসিকে প্রচুর পরিমাণ শিল্প কারখানা রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।