রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের  অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও  আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল সহ গ্রেফতার-২০

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে ইং ১৯/০২/২০২৫ তারিখ গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ২০ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

এসআই(নিঃ) ফিরোজ আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সাইফুল আলম ফেরদৌস (৬০) (সহ সভাপতি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগ), পিতা- মৃত ফয়েজুল্লাহ, মাতা-মৃত শামছুন্নাহার, সাং- কাটাখালি, জেল রোড, পুলিশ লাইন্স, ২। রেশমা আক্তার (৫০), (আওয়ামীলীগ নেত্রী ও সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, গফরগাঁও উপজেলা) , পিতা- মৃত আব্দুল মান্নান, স্বামী- আক্তারুজ্জামান, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক, কাচিঝুলি, ৩। মোঃ আব্দুল আল রাসেল (৩৮) (যুবলীগ নেতা), পিতা- মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, সাং- ২৭/ক আব্দুল মালেক সড়ক কাচিঝুলি, ৪। মোঃ রুবেল মিয়া (৩৫), (সিটি কর্পোরেশন ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), পিতা-মৃত বাবুল মিয়া, মাতা-রোকিয়া বেগম, সাং-থানারঘাট, ৫। মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (৩৮), (ঘাগড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-মোছাঃ ফরিদা খাতুন, সাং-মাইজহাটি, ৮নং ওয়ার্ড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’ কে কোতোয়ালী থানাধীন দাপুনিয়া বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) পিন্টু কুমার রায়, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলায় ধৃত আসামী ১। সাগর মিয়া(৩২), পিতা-মৃত রঞ্জু মিয়া, মাতা-শাহিদা বেগম, সাং-পূর্বচনপাড়া, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ, ২। শাহাদাত হোসেন বাবু (৩২), পিতা-জালাল গাজী, মাতা-শাহানা, সাং-চরপাড়া খালপাড়, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন তাজমহল মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) খায়রুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), (যুবলীগ নেতা), পিতা-মোঃ আঃ বারেক, মাতা-খুদেজা খাতুন, সাং-বাঘাডোবা, ২। মোঃ বিল্লাল হোসেন (৪০), (আওয়ামীলীগ সমর্থক), পিতা-মৃত আঃ রশিদ, মাতা-জীবনন্নেছা, সাং-বীর বওলা, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন অম্বিকাগঞ্জ বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) সজীব কোচ, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার ১। মনিরুল কাইয়ুম হৃদয় (৩৩), পিতা-আব্দুল হাদী, মাতা-ছালমা বেগম, সাং-৯৬/বি/২ নির্মল আবাসন পুরোহিতপাড়া, ২। বিপ্লব (৩০), পিতা-মৃত সুলতান মিয়া, মাতা-মাজেদা খাতুন, সাং-সানকিপাড়া শেষ মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চরপাড়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই(নিঃ) জাহিদুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী ১। নুরুল আমিন নুরু ওরফে লাল চাঁন (৩০), পিতা-সুলতান ওরফে মদন আলী, মাতা-রেজিয়া খাতুন, সাং-কৃষ্টপুর আলীয়া মাদ্রাসা, ২। মোঃ রাজীব (২৯), পিতা-আঃ রহিম, মাতা-ফাতেমা, সাং-কৃষ্টপুর, ৩। রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রিয়াজ (২৯), পিতা-মোঃ ফজলুল হক, সাং-কালীবাড়ী রোড, ৪। সোহেল হাসান ওরফে ধইন্যা (৩১), পিতা-মৃত আঃ বারেক, মাতা-পারভীন আক্তার, সাং-কালীবাড়ী রোড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের’কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) নাজমুল হক, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সুজন (২৫), পিতা-মৃত বাবুল, সাং-চর কালীবাড়ী মিলগেইট বাজার, ২। রুমান (৪২), পিতা-শাহজাদা, সাং-কৃষ্টপুর নায়েবের তিনতলা পাশে, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদ্বয়কে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

এএসআই(নিঃ) আনছার আলী, সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। সামাদুল মীর (৬৫), পিতা-ইসমাইল মীর, মাতা-আমেনা খাতুন, সাং-রঘুরামপুর সবজিপাড়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী থানা এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

ইহাছাড়াও এএসআই (নিঃ) আয়েছ মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০২ টি সিআর পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ ফরিদ আহমেদ (শ্রভ্র) (৩২), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

২। মোঃ ফরহাদ হোসেন (শান্ত) (২৪), পিতা-ফখরুদ্দিন, স্থায়ী: গ্রাম- বিজয়নগর, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

‎ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে কেউ হতাহত হননি।

‎খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।

‎ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

‎অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বাসটিতে বাইরে থেকে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

‎ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

‎এদিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

‎তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৪ পিএম
‎ময়মনসিংহে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৫

‎ময়মনসিংহে ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তিকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

‎শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলাকালে তাদের আটক করা হয়। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

‎পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্য পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একপর্যায়ে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও প্রাথমিকভাবে অভিযোগ ওঠে।

‎বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। পরে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাদের ব্যবহৃত পরিচয়, কথিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ের সত্যতা এবং ঘটনাটির প্রকৃত উদ্দেশ্য যাচাই করছে পুলিশ।

‎পুলিশ সূত্র জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের ডিজিএফআই, ওয়ারেন্ট অফিসার, ডিবি পুলিশের এসআই, পুলিশ কর্মকর্তা ও যৌথবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি তদন্তে এসেছে। তবে তারা সত্যিই কোনো বাহিনীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, নাকি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছিলেন তা যাচাই করা হচ্ছে।

‎এ ছাড়া ওই ব্যক্তিকে কেন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, এর পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না এবং আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কার কী ভূমিকা ছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত চলছে।

‎পুলিশ আরও জানায়, আটকদের প্রকৃত পরিচয়, পারস্পরিক সম্পর্ক, ব্যবহৃত পরিচয়ের সত্যতা এবং কথিত অপহরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে ভুয়া পরিচয় ব্যবহারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো সরঞ্জাম বা আলামত উদ্ধার হয়েছে কি না, তাও যাচাই করা হচ্ছে।

‎কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঘটনাটি শনাক্ত করে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

‎পুলিশ সূত্র আরও জানায়, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি দেখানো, জোরপূর্বক তুলে নেওয়া বা অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা করা হলে তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

মোক্তার হোসেন গোলাপ, হাওর অঞ্চল।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
অষ্টগ্রামে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ নিয়ে মতবিনিময়

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন ও পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘হাওরাঞ্চল গ্রন্থাগার সংযোগ-২০২৬’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় হাওরাঞ্চলে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অষ্টগ্রাম জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতা এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, অষ্টগ্রামের স্বপ্নীল গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর, মিঠামইনের হাওর পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা ওমর ফারুকসহ অন্যরা।

সভায় বক্তারা বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে গ্রন্থাগারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দুর্গম হাওর এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে বই ও তথ্য-জ্ঞান পৌঁছে দিতে ভাসমান নৌ-পাঠাগার চালুর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পাঠক তৈরির উদ্যোগ, বই পড়ার সংস্কৃতি বিস্তৃত করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও সভায় আলোচনা করা হয়।