বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আলীর অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা; গড়েছেন সম্পদের পাহাড়! 

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৪, ৫:৩৫ পিএম
মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আলীর অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা; গড়েছেন সম্পদের পাহাড়! 

ময়মনসিংহ নগরীর নিজ মহল্লায় টানা প্রায় ৯ বছর ধরে নানা দপ্তরে কর্মরত থাকাকালীন নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী। নিজ নগরীর অধিবাসী হওয়ায় ঘুষ দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতায় মানুষ অতিষ্ট হলেও তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়নি কেউ। চতুর ইউসুফ আলী দুর্নীতির সাম্রাজ্য চালাতে গড়ে তুলেছেন একটি সিন্ডিকেট। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতাদের ম্যানেজ করেই তিনি এই নগরে দীর্ঘ সময় পার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

জানা গেছে, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আলীর পৈত্রিক বাড়ি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের গন্ডপা এলাকায়। তা সত্ত্বেও ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তর পরবর্তীতে ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী (ন্যাপ) এ কর্মরত থেকে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রধান নির্বাহী হিসেবে যোগদান করেন। প্রায় ৯ বছর যাবৎ নিজ বাড়ির সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন দপ্তরে চাকুরীর সুবাদে থেকে এক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে দুর্নীতির আখড়া তৈরি করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ করেন। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ অর্থ দিয়ে ময়মনসিংহের তৈমুর এক্সেল টাওয়ারসহ ঢাকায় করেছেন একাধিক ফ্ল্যাট। স্ত্রী সন্তানদের নামেও রয়েছে একাধিক সম্পদ। এই অবৈধ সম্পদের সরকারি কোন হিসাব না থাকায় ফাঁকি দিচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, ইউসুফ আলী ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে ৫ জানুয়ারি ২০২২ সালে যোগদানের পর থেকেই শুরু হয় একের পর এক অনিয়ম। বৃহত্তম এই নগরীতে বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হচ্ছে শত শত বহুতল ভবন। নকশা বহির্ভূতভাবে একের পর এক বহু্তল ভবন তৈরি করে সৃষ্টি হচ্ছে মরণফাঁদ। যার নেপথ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী। ২০১৭ সালের প্রজ্ঞাপন এ নিষেধ থাকলেও প্রধান নির্বাহীর উদ্যোগে বেআইনিভাবে দেয়া হয় বহুতল ভবনের নকশার অনুমোদন। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কোন নিয়ম নীতি না মেনে নকশা অনুমোদন করিয়ে দেন ইউসুফ আলী। কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই এসব অভিযোগ তাদের নিত্যদিনের ঘটনা।

 

সিটি কর্পোরেশনের ব্যয়বহুল বাজেটে নিম্ন মানের রাস্তা ঢালাই, ড্রেননির্মাণ করে ঠিকাদারদের মাধ্যমে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা।ইউসুফ আলীর নির্দেশে সিটি কর্পোরেশন থেকে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও মিশুকের লাইসেন্স নিতে ও নবায়নে চরম মুল্য পরিশোধ করতে হয়। এছাড়াও ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রায় শতাধিক লোকের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে মাস্টার রোলে চাকরি দিয়ে দুর্নীতি করে অবৈধ টাকার মালিক হয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তিনি নানা দাপটে ক্ষমতার অপব্যবহার করেন এবং কি মেয়রের ক্ষমতার দাপট দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তবে ছাত্র জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কারণে ছাত্র-জনতা তাকে লাঞ্ছিত করে। ময়মনসিংহবাসীর দাবি ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারের দোষের হিসেবে তাকে চাকরিচ্যুত করা। তবে তা না করে তাকে আবারও সেই ময়মনসিংহেই বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে নিয়োগের গুঞ্জন এখন মুখে মুখে এবং টক অফ দ্যা ময়মনসিংহ।

 

নাগরিকরা জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেসুর রহমান ও ময়মনসিংহের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কাজী আনোয়ার হোসেনের কাছে ময়মনসিংহবাসীর দাবি এই ফ্যাসিস্ট আর ময়মনসিংহে যাতে যোগদান করতে না পারে। যোগদান করলে ময়মনসিংহের ছাত্র-জনতা ঝাড়ু মিছিল করবে বলে হুমকি দিয়েছেন।

 

অপরদিকে সূত্র জানায়, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় উন্নয়ন চাহিদা বিবেচনায় সরকার ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর বিশেষ প্রকল্প অনুমোদন দেয়। ‘ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন সড়ক উন্নয়ন ও ড্রেনেজ নেটওয়ার্কসহ নাগরিক সেবা উন্নতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ ১ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।যার অধিকাংশ কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।

 

এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৭৫ কিলোমিটার সড়ক, ৩৪৫ কিলোমিটার নালা (ড্রেন) ও প্রায় ১৭ কিলোমিটার ফুটপাত নির্মাণ করার কথা। প্রকল্পের আওতায় আরও রয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৯ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল ও ১ দশমিক ১০ কিলোমিটার সড়ক বিভাজক, ৩টি সেতু, ১৩টি কালভার্ট ও ৬টি পদচারী–সেতু নির্মাণের কাজ। প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

 

তবে এসব প্রকল্প শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে না বলে নগরবাসী মন্তব্য করেছেন।

 

এই দুর্নীতিবাজ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ আলীকে দুদকের আওতায় এনে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি উন্মোচন করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন ময়মনসিংহবাসী।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৫:২৯ পিএম
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরীর ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালীবাড়ি এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত দুই যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোঃ সাকিব মিয়া (২৪)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ৩২নং ওয়ার্ডের চর কালিবাড়ী এলাকায় জলিল মুন্সির পুরাতন বাড়ী ভিটার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাকিব মিয়া ও তার বন্ধু মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৫) বাড়ি ফেরার পথে একদল ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে।

অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে উভয়েই আহত হন। এ সময় প্রধান অভিযুক্ত রেজাউল নামে এক ব্যক্তি সাকিব মিয়ার চোখের কাছে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। যাওয়ার সময় তারা পুনরায় হুমকি দিয়ে বলে, মাদক ব্যবসায় বাধা দিলে বা পুলিশে অভিযোগ করলে ভুক্তভোগীদের হত্যা করে লাশ গুম করা হবে।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা স্থানীয় মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য হিসেবে এলাকায় মাদক নির্মূলে কাজ করছিলেন। এ কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের শিকার হয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
এম.এস.এ আরেফিন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা এম.এস.এ আরেফিন।

এম.এস.এ আরেফিনের পিতার নাম মহিউদ্দিন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ৩ নং কুশমাইল ইউনিয়নের কুশমাইল ধামর কাচারি (নায়েব বাড়ী) গ্রামের বাসিন্দা।

শিক্ষাজীবনে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে ফুলবাড়িয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে ফুলবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি আনন্দমোহন কলেজের গণিত বিভাগ থেকে ২০১৬-১৭ সেশনে বিএসসি (সম্মান) এবং একই বিভাগ থেকে এমএসসি (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা এম.এস.এ আরেফিন পূর্বে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি “লাইট অফ ট্রিমস ইউথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি” ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়েছে।

তার এই নির্বাচনে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এম.এস.এ আরেফিন তার মেধা, যোগ্যতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবেন।

আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১২:৩২ এম
আছিফুজ্জামান অসীম ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তরুণ, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আছিফুজ্জামান অসীম। সংগঠনের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের মাঝে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

ছাত্র রাজনীতির ধারাবাহিকতায় আছিফুজ্জামান অসীম সবসময়ই গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে মহানগর ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, আছিফুজ্জামান অসীম একজন পরিশ্রমী, সাহসী ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।