বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম
ময়মনসিংহে ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম

ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে ‘স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট’।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সংগঠনের জেলা শাখার উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণের ঘোষণা দিলেও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৯৪ সালে তৎকালীন সরকার রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় এসব মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য মাত্র ৫০০ টাকা ভাতা চালু করলেও পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসাও জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্ত করা হয়নি।

বক্তারা আরও বলেন, দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে শিক্ষকরা কার্যত বিনা বেতনে পাঠদান করে আসছেন। বেতন-ভাতা ও চাকরির নিরাপত্তা না থাকায় হাজার হাজার শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এতে মেধাবী শিক্ষকদের আগ্রহ কমছে এবং শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে।

সংগঠনের জেলা সভাপতি মাওলানা মোঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মোঃ ফয়সাল আহমেদসহ বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৩০ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৩ মে ২০২৬ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, সমাবেশ ও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষক নেতারা।

‘অর্থ লেনদেন ও বিতর্কিতদের পদায়নের’ অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগের একাংশের ঝাড়ু মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ এম
‘অর্থ লেনদেন ও বিতর্কিতদের পদায়নের’ অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগের একাংশের ঝাড়ু মিছিল

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া, বিবাহিত ও অছাত্রদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ করেছেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মীরা। এ সময় ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরগঞ্জ-আঠারবাড়ী সড়কে মুখে কাপড় দিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী ঝাড়ু হাতে মিছিল করেন। পরে তাঁরা জুতা প্রদর্শন করে বিক্ষোভ করেন। মিছিল থেকে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিও জানানো হয়।

গত ৩০ জুলাই ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আল-আমিন ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এক বছর মেয়াদি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে শেখ অলিউল্লাহ রাসেলকে পুনরায় সভাপতি এবং আলমগীর কবির সায়মনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরই মধ্যে নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি পদ পাওয়া ইমরান হাসান সিজান এবং সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত অর্ণব হোম চৌধুরী নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।

সহসভাপতি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া ইমরান হাসান সিজান বলেন, ‘ঝাড়ু মিছিলের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের প্রতিবাদের পদ্ধতিকে আমি সমর্থন করি না। তবে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করায় তৃণমূলে ক্ষোভ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘অর্থের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে এমন কয়েকজনকে পদ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে। আবার কেউ কেউ বিদেশে অবস্থান করেও কমিটিতে পদ পেয়েছেন।’

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘গত ৫ আগস্টের পর যারা আত্মগোপনে ছিলেন, অর্থের বিনিময়ে তাঁদের কেউ কেউ কমিটিতে পদ পেয়েছেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করা ত্যাগী নেতাকর্মীরা বঞ্চিত হয়েছেন।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের একাংশ। অন্যদিকে পুনরায় সভাপতি মনোনীত শেখ অলিউল্লাহ রাসেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তবে নবগঠিত কমিটিতে অর্থের লেনদেন, বিবাহিত ও অছাত্রদের পদায়ন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকার অভিযোগের বিষয়ে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, ‘ঝাড়ু মিছিলের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তবে মিছিলকারীদের পরিচয় ও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে শ্যামপুরে তৎপর শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে শ্যামপুরে তৎপর শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম

রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা আনয়ন এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম। তাঁর ব্যতিক্রমী ও শিক্ষার্থীবান্ধব নানা পদক্ষেপে থানা এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শাপলা খানম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ উন্নত করতে একের পর এক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নিয়মিত বিরতিতে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই থানা এলাকার সরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনে যান। কেবল দাপ্তরিক পরিদর্শন নয়, শ্রেণিকক্ষে ঢুকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান পর্যবেক্ষণ এবং তাদের সাথে সরাসরি কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে।

প্রাতিষ্ঠানিক মনিটরিং সূত্রের বরাতে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে এবং তাদের ঝরে পড়া ঠেকাতে তিনি শিক্ষকদের সাথে নিয়ে উদ্ভাবনী পাঠদান পদ্ধতি চালুর তাগিদ দিয়েছেন। অনেক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী হওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

দাপ্তরিক নথি ও পরিদর্শন রেকর্ড সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, শিক্ষার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা অন্যতম জরুরি বিষয়, এ কথা মাথায় রেখে শাপলা খানম বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার, বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর সময়োপযোগী মনিটরিংয়ের কারণে বিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত।

শ্যামপুর থানার একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাই নন, বরং তিনি শিক্ষকদের কাছে একজন সুপরামর্শক। যেকোনো প্রশাসনিক বা পাঠদান বিষয়ক জটিলতায় তিনি দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করেন।শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও তাঁর এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষা অফিসে কাজের গতি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। কর্মকর্তা নিয়মিত স্কুলগুলো তদারকি করায় শিক্ষকরাও এখন অনেক বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন, যার সুফল পাচ্ছে আমাদের সন্তানরা। অভিভাবক ও শিক্ষকদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানমের এমন গঠনমূলক কার্যক্রম শ্যামপুরের শিক্ষা খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। শতভাগ মানসম্মত ও সততাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেই প্রত্যাশা স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের।

শ্যামপুরের প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বরাদ্দকৃত সরকারি বরাদ্দের শতভাগ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। নিয়মিত সারপ্রাইজ ভিজিট ও জবাবদিহিতার ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

ময়মনসিংহ বিভাগে খাদ্যের মান যাচাই ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ করা এ পরীক্ষাগারটি সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মেট্রোপলিটন কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির বলেন, মানুষের জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাদ্যের মান তদারকি করা হলেও এখন থেকে অভিযানের সময়ই ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারে খাদ্যের নমুনা তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এর ফলে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমও আরও জোরদার হবে।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, আধুনিক পরীক্ষাগার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করেছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।