বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভায় এসপির পাশে আ.লীগ নেতা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভায় এসপির পাশে আ.লীগ নেতা

ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগ নেতাকে পাশে বসিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন সভার প্রধান অতিথি ট্যুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ অঞ্চলের এসপি মো. নাইমুল হক পিপিএম। এতে সভাপতিত্ব করেন মোফাখারুল ইসলাম খোকন। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি এবং জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর ময়নার মোড় এলাকার হোটেল হেরা’র হলরুমে জেলার পর্যটন বিকাশে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভার বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ছড়িয়ে পড়লে মিশ্রপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এতে দেখা যায়, ট্যুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ অঞ্চলের এসপি মো. নাইমুল হক পিপিএম এর পাশে বসে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগ নেতা মোফাখারুল ইসলাম খোকন।

এ ছাড়া, অনুষ্ঠানের মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন বিএনপিপন্থি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা তৌহিদুজ্জামান ছোটন, হোটেল রেস্তোরা মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার শরীফ আহমেদ, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব ময়মনসিংহ নামক সংগঠনের উপদেষ্টা ইয়াজদানী কোরাইশি কাজল এবং আব্দুল কাদির মুন্না। এদের মধ্যে ইয়াজদানী কোরাইশি কাজল এবং আব্দুল কাদির মুন্না আওয়ামীপন্থি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে সমাধিক পরিচিত।

এ ঘটনায় চব্বিশের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টিকে পরিকল্পিত মনে করছেন। তাদের ভাষ্য, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে পতিত আওয়ামী লীগের দোসরদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব করছে। এতে তারা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রমোট করতে চায়।

জানতে চাইলে মোফাখারুল ইসলাম খোকন বলেন, “আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগে আমার সব পদ সাবেক। মূলত আমি ওই অনুষ্ঠানে হোটেল মালিক হিসেবে উপস্থিত ছিলাম।”

এ বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ অঞ্চলের এসপি মো. নাইমুল হক পিপিএম বলেন, হোটেল হেরা কর্তৃপক্ষ জেলার পর্যটন বিকাশে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে। আমি ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি হিসেবে অনুষ্ঠানে ছিলাম। তবে অনুষ্ঠানের সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা কী-না, তা আমার জানা ছিল না।

এদিকে মতবিনিময় সভার শেষ পর্যায়ে পুলিশ সুপারকে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা মোফাখার হোসেন খোকনকে ক্রেস্ট প্রদান করেন। এতে অনুষ্ঠানের অন্যান্য অতিথিদের অংশ নিতে দেখা যায়।

‘অর্থ লেনদেন ও বিতর্কিতদের পদায়নের’ অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগের একাংশের ঝাড়ু মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ এম
‘অর্থ লেনদেন ও বিতর্কিতদের পদায়নের’ অভিযোগ, ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগের একাংশের ঝাড়ু মিছিল

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া, বিবাহিত ও অছাত্রদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ তুলে ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ করেছেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মীরা। এ সময় ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরগঞ্জ-আঠারবাড়ী সড়কে মুখে কাপড় দিয়ে ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী ঝাড়ু হাতে মিছিল করেন। পরে তাঁরা জুতা প্রদর্শন করে বিক্ষোভ করেন। মিছিল থেকে নবগঠিত উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিও জানানো হয়।

গত ৩০ জুলাই ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আল-আমিন ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এক বছর মেয়াদি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে শেখ অলিউল্লাহ রাসেলকে পুনরায় সভাপতি এবং আলমগীর কবির সায়মনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটি ঘোষণার পর থেকেই পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরই মধ্যে নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি পদ পাওয়া ইমরান হাসান সিজান এবং সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত অর্ণব হোম চৌধুরী নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বলে জানা গেছে।

সহসভাপতি পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া ইমরান হাসান সিজান বলেন, ‘ঝাড়ু মিছিলের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ধরনের প্রতিবাদের পদ্ধতিকে আমি সমর্থন করি না। তবে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করায় তৃণমূলে ক্ষোভ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘অর্থের বিনিময়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে এমন কয়েকজনকে পদ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে। আবার কেউ কেউ বিদেশে অবস্থান করেও কমিটিতে পদ পেয়েছেন।’

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী রফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘গত ৫ আগস্টের পর যারা আত্মগোপনে ছিলেন, অর্থের বিনিময়ে তাঁদের কেউ কেউ কমিটিতে পদ পেয়েছেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করা ত্যাগী নেতাকর্মীরা বঞ্চিত হয়েছেন।’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের একাংশ। অন্যদিকে পুনরায় সভাপতি মনোনীত শেখ অলিউল্লাহ রাসেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তবে নবগঠিত কমিটিতে অর্থের লেনদেন, বিবাহিত ও অছাত্রদের পদায়ন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকার অভিযোগের বিষয়ে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, ‘ঝাড়ু মিছিলের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তবে মিছিলকারীদের পরিচয় ও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে শ্যামপুরে তৎপর শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে শ্যামপুরে তৎপর শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম

রাজধানীর শ্যামপুর থানা এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা আনয়ন এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম। তাঁর ব্যতিক্রমী ও শিক্ষার্থীবান্ধব নানা পদক্ষেপে থানা এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থায় এক ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শাপলা খানম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার সার্বিক পরিবেশ উন্নত করতে একের পর এক কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নিয়মিত বিরতিতে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই থানা এলাকার সরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনে যান। কেবল দাপ্তরিক পরিদর্শন নয়, শ্রেণিকক্ষে ঢুকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান পর্যবেক্ষণ এবং তাদের সাথে সরাসরি কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে।

প্রাতিষ্ঠানিক মনিটরিং সূত্রের বরাতে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে এবং তাদের ঝরে পড়া ঠেকাতে তিনি শিক্ষকদের সাথে নিয়ে উদ্ভাবনী পাঠদান পদ্ধতি চালুর তাগিদ দিয়েছেন। অনেক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিত দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এতে করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী হওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

দাপ্তরিক নথি ও পরিদর্শন রেকর্ড সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, শিক্ষার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা অন্যতম জরুরি বিষয়, এ কথা মাথায় রেখে শাপলা খানম বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার, বরাদ্দকৃত সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর সময়োপযোগী মনিটরিংয়ের কারণে বিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে শিক্ষক সমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত।

শ্যামপুর থানার একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম কেবল একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাই নন, বরং তিনি শিক্ষকদের কাছে একজন সুপরামর্শক। যেকোনো প্রশাসনিক বা পাঠদান বিষয়ক জটিলতায় তিনি দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করেন।শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও তাঁর এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষা অফিসে কাজের গতি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। কর্মকর্তা নিয়মিত স্কুলগুলো তদারকি করায় শিক্ষকরাও এখন অনেক বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন, যার সুফল পাচ্ছে আমাদের সন্তানরা। অভিভাবক ও শিক্ষকদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানমের এমন গঠনমূলক কার্যক্রম শ্যামপুরের শিক্ষা খাতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। শতভাগ মানসম্মত ও সততাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেই প্রত্যাশা স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের।

শ্যামপুরের প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শ্যামপুর থানা শিক্ষা অফিসার শাপলা খানম বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বরাদ্দকৃত সরকারি বরাদ্দের শতভাগ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। নিয়মিত সারপ্রাইজ ভিজিট ও জবাবদিহিতার ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ আগের চেয়ে অনেক ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

সুমন ভট্টাচার্য, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৭ পিএম
তাৎক্ষণিক খাদ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার: এস এম হুমায়ূন কবির

ময়মনসিংহ বিভাগে খাদ্যের মান যাচাই ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ করা এ পরীক্ষাগারটি সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মেট্রোপলিটন কার্যালয়, ময়মনসিংহ।

উদ্বোধনকালে বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ূন কবির বলেন, মানুষের জীবন ও সুস্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাদ্যের মান তদারকি করা হলেও এখন থেকে অভিযানের সময়ই ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারে খাদ্যের নমুনা তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, এর ফলে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য শনাক্ত করে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমও আরও জোরদার হবে।

বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, আধুনিক পরীক্ষাগার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করেছে। ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।