শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

ইসরায়েলি হামলা স্বীকার না করলে আলোচনায় অগ্রগতি নয়: জেনেভা থেকে ইরানের ফাতেমেহ মোহাজেরানির হুঁশিয়ারি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ২:২৭ পিএম
ইসরায়েলি হামলা স্বীকার না করলে আলোচনায় অগ্রগতি নয়: জেনেভা থেকে ইরানের ফাতেমেহ মোহাজেরানির হুঁশিয়ারি

ইসরায়েলের টানা হামলার মধ্যেও কূটনৈতিক দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি ইরান। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলমান আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নিতে উপস্থিত ইরানি প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এমনটাই জানিয়েছেন সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাজেরানি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিপক্ষের কথা শোনা উচিত। এ কারণেই আমাদের কূটনীতিকরা জেনেভায় এসেছেন, যাতে তারা অন্য পক্ষের বক্তব্য শুনতে পারেন।”

তবে তিনি কূটনৈতিক আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য একটি কঠিন শর্তও উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, “এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো, বিশ্বকে স্বীকার করতে হবে যে একটি সত্যিকারের আগ্রাসী শাসন আমাদের দেশে হামলা চালিয়েছে—আমাদের সামরিক কমান্ডার, শিশু, নারী, বিজ্ঞানী ও সাধারণ নাগরিকদের নিশানা করে, গভীর রাতে।”

ইরানি মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, পশ্চিমা শক্তিগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানিদের প্রতি ‘হুমকির ভাষায়’ কথা না বলে। তিনি বলেন, “যদি তারা কোনো ভুল করে, তবে আমরা নিঃসন্দেহে নিজেদের রক্ষা করব এবং আমাদের যা ন্যায্য অধিকার, তা আদায় করে নেব।”

তিনি আরও সতর্ক করে দেন, “আমরা আশা করি যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো ভুল করবে না। তবে যদি উত্তেজনা বাড়ে, আমাদের প্রতিক্রিয়াও হবে ঠিক ততটাই শক্তিশালী এবং সমান মাত্রায়।”

জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তরে চলমান এই বৈঠকে ইরান ছাড়াও অংশ নিচ্ছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশগুলো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা প্রশমিত করা, মানবিক সহায়তার পথ খোলা রাখা, এবং একটি সম্ভাব্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলা।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই শর্ত এবং কূটনৈতিক অংশগ্রহণ বিশ্ব রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে। তেহরানের অবস্থান কূটনীতিকে একদিকে খোলা রেখেছে, অন্যদিকে পশ্চিমা মিত্রদের উপর চাপ বাড়িয়েছে।

‎ময়মনসিংহে আওয়ামী সন্ত্রাসী শাহীনের মটর ঘর থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার! নেপথ্যে কারা?

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
‎ময়মনসিংহে আওয়ামী সন্ত্রাসী শাহীনের মটর ঘর থেকে চোরাই মালামাল উদ্ধার! নেপথ্যে কারা?

ময়মনসিংহ সদরের ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে রাজগঞ্জ বাজার (সাহেব কাচারি) এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের মালিকানাধীন একটি মটর ঘর থেকে বিভিন্ন প্রকারের চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।

‎এ ঘটনায় (৬ নভেম্বর) সত্যের সন্ধান লোক সাংস্কৃতিক একাডেমির পরিচালক গোলাম রব্বানী (বাউল রব্বানী) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মটর ঘরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম ও তাঁর ভাই সিদ্দিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন।

‎ভুক্তভোগী বাউল শিল্পী গোলাম রব্বানী বলেন, আমি “সত্যের সন্ধান লোক সাংস্কৃতিক একাডেমি”র পরিচালক। আমার সারাজীবনে তিলে তিলে গড়া সকল বাদ্যযন্ত্র চুরি হয়েছে। একটা যন্ত্র রাঘবপুর বড়বাড়ির মৃত শামসুল হকের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের মালিকানাধীন মটর ঘর থেকে এলাকাবাসী উদ্ধার করেছে। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম ও সিদ্দিকুর রহমান চুরির সাথে জড়িত রয়েছে। আমার বিশ্বাস চুরি হওয়া মালামালগুলো পুলিশ দ্রুত উদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

‎স্থানীয়রা জানান,  চলতি বছরেই এ এলাকায় অন্তত কোটি টাকার মালামাল চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোর সনাক্ত না হওয়ায় একাধিক ভুক্তভোগী অজ্ঞাত নামে থানায় অভিযোগ করেছে, যা পুলিশের তদন্তাধীন রয়েছে। সম্প্রতি চোর চক্র সনাক্ত হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

‎এদিকে আদালতে বিচারাধীন মামলা জোরপূর্বক প্রত্যাহারে বাধ্য করতে চাঁদা দাবী, হত্যার হুমকি ও ‘মব’ সৃষ্টি, এক একর জমিতে মাছ চাষ ও নার্সারির কর্যক্রম বন্ধ রেখে ৬০ লাখ টাকা ক্ষতি সাধনে জাতীয় দৈনিক নতুন সময় পত্রিকার ময়মনসিংহ ব্যুরো চীফ মোঃ মাইন উদ্দিন উজ্জ্বল চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারী পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অদৃশ্য কারনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি পুলিশ।

‎জানা যায়, আওয়ামী সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমান শাহীনের নামে কোতোয়ালী মডেল থানায় সাংবাদিক নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিপূর্বে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক নির্যাতন, চুরি, ছিনতাইসহ ভয়ংকর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

‎এ ঘটনার ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছু মালামাল স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে বলে অবগত হয়েছি। ঘটনার প্রেক্ষিতে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মিঠামইনে ছোট ভাইকে ঠকানোর অভিযোগ, চুক্তিপত্রেও মিলছে না সমাধান

মোক্তার হোসেন গোলাপ, মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
মিঠামইনে ছোট ভাইকে ঠকানোর অভিযোগ, চুক্তিপত্রেও মিলছে না সমাধান

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় পৈতৃক সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বড় ভাইদের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে বঞ্চিত করা, বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা এবং ঘরের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে স্ট্যাম্পে আপস-মীমাংসার চুক্তিনামা সম্পাদিত হলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছোট ভাই মো. শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে চলা এ বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীপাড়া গ্রামের মৃত হারিছ মিয়ার ছেলে মো. শফিকুল ইসলাম (৪৯) মিঠামইন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে একই বাবার সন্তান মাওলানা আহসান হাবিব (৫৭), তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম (৫২) এবং ছেলে মুজাহিদ মিয়াকে (২২) বিবাদী করা হয়।

লিখিত অভিযোগে শফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ঢাকায় বসবাসের সুযোগে তাঁর মালিকানাধীন বসতবাড়ির আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল বিবাদীরা দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়। ঘরে থাকা কাঠের বক্স, চৌকি, ফ্যান, সিমেন্টের পিলারসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

অন্যদিকে, অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদিত একটি অঙ্গীকারনামায় আপস-মীমাংসার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। এতে প্রথম পক্ষ হিসেবে মো. শফিকুল ইসলাম এবং দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে মাওলানা আহসান হাবিব ও মাহবুব আলমের নাম রয়েছে। দলিল অনুযায়ী, বাড়িসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দুই লাখ টাকা লেনদেন এবং ৩৯৫ নম্বর দাগ থেকে তিন শতাংশ জমি দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের পর দ্বিতীয় পক্ষের আর কোনো দাবি-দাওয়া থাকবে না বলেও অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে।

শফিকুল ইসলামের অভিযোগ, আপস-মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে চুক্তির শর্ত কার্যকর হচ্ছে না। বরং বিবাদীরা তাঁর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর বড় ভাই মাহবুব আলম ও আহসান হাবিব ওয়ারিশি সম্পত্তি থেকে তাঁকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় নিজের নিরাপত্তা ও পৈতৃক সম্পত্তির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাহবুব আলম কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে এবং মাওলানা আহসান হাবিব তুমিজা খাতুন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, বিষয়টি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের। উভয় পক্ষের বক্তব্য ও দলিলপত্র যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

ময়মনসিংহে রেলওয়ের জমিতে ১৮ তলা ভবন! নকশা বাতিলের উদ্যোগ, দুদকের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম
ময়মনসিংহে রেলওয়ের জমিতে ১৮ তলা ভবন! নকশা বাতিলের উদ্যোগ, দুদকের অভিযান

ময়মনসিংহ নগরীতে রেলওয়ের জমি দখল করে ১৮ তলা এলিট টাওয়ার নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্মাণাধীন ভবনটির কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ভবনটির অনুমোদিত নকশা বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর মিন্টু কলেজ এলাকায় সরেজমিনে জমি পরিমাপ করেন ঢাকা বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. এরশাদ উদ্দিন। এ সময় তিনি দেখতে পান, সড়কসংলগ্ন রেলওয়ের প্রায় ১৩ ফুট জায়গা নির্মাণাধীন এলিট টাওয়ারের সীমানার ভেতরে রয়েছে। এরপরই ভবনটির নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

রেলওয়ের অনুমতি ছাড়া পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন এই কর্মকর্তা। পাশাপাশি রেললাইনের পাশে বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এর আগে বুধবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বুলু মিয়ার নেতৃত্বে নির্মাণাধীন এলিট টাওয়ারে অভিযান চালানো হয়। রেলওয়ের জমি দখল করে প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট ভবনটির নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে-এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঢাকা বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. এরশাদ উদ্দিন বলেন, রেলওয়ের জমিতে কোনো ধরনের বহুতল ভবন নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপ করে দেখা গেছে, ১৮ তলা এলিট টাওয়ারের নির্মাণকাজ রেলওয়ের জমির মধ্যে সম্প্রসারিত হয়েছে। এ কারণে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালু করা হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে ভবনটির ডেভেলপার ও নগরীর মুসলিম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিনের দাবি, নিয়ম মেনেই ১৮ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। ভবনটিতে ১০৫ জন শেয়ারহোল্ডার রয়েছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে আপাতত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে গণপূর্ত বিভাগ থেকে ১৮ তলা ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে নকশা অনুমোদনের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ডেভেলপার জালাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নকশা অনুমোদনে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে রেলওয়ের জমি ভবনের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় ভবনটির অনুমোদন প্রক্রিয়া, জমির মালিকানা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।