মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের কর্মতৎপরতা

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫, ৯:১৫ পিএম
ময়মনসিংহে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের কর্মতৎপরতা

পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পুলিশ। বিশেষ করে শহরসহ ময়মনসিংহ জেলার ১৩টি উপজেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, অজ্ঞান ও মলম পার্টির দৌরাত্ম্য ঠেকাতে মাঠে একাধিক টিম নামানোর কৌশল ঠিক করেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ।

একই সঙ্গে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যাংক অফিস-আদালত, শপিংমলসহ ব্যাপক লোকসমাগম হয় এমন স্থানে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ সময় সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে তৎপর থাকার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া নারী ক্রেতা সমাগম বেশি এমন মার্কেট গুলোতে নারী পকেটমার, নারীদের হয়রানি ও ইভটিজিং রোধে বিপুল সংখ্যক নারী পুলিশ মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সূত্রে, রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরমধ্যে মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধ ও যানজট নিরসনসহ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার প্রবেশ মুখে শেরপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা শম্ভুগঞ্জে তিনটি মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এদিকে টাঙ্গাইল থেকে রহমতপুর বাইপাস ঢাকা বাইপাসের বিভান্ন জায়গায়ও বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। পবিত্র রমজান ও ঈদ উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে ঈদ পূর্ববর্তী ও ঈদ পরবর্তী নিরাপত্তার ব্যাপারে সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, রমজানে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণই নয়, একই সঙ্গে রেল স্টেশন, বাস টার্মিনালে ও যানবাহনে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদ জামায়াতের নিরাপত্তা ও জাল টাকার অপব্যবহার রোধ চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ রোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনালে পকেটমার ও অজ্ঞানপার্টির তৎপরতা প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়োজিত রাখা হবে।’

পুলিশ সুপার আখতার বলেন, ‘জনসাধারণের কেনাকাটার সুবিধার্থে গভীর রাত পর্যন্ত পর্যাপ্ত নৈশটহলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বড় অংকের অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।’

শপিংমলগুলোর সামনে অবৈধভাবে কোনো গাড়ি পার্কিং করা যাবে না এবং সেখানে কোনো গাড়ি দাঁড়াতে বা অবস্থান করতে দেয়া হবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে কাজী আখতার উল আলম বলেন, ‘রমজানে শহরবাসী যেন ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফের ঘরে ফিরতে পারেন, নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন সে লক্ষ্যে পুলিশ শহরবাসীর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও শপিংমলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। যে সকল মানুষ গ্রামে ঈদ উদযাপন করতে যাবে তাদের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান ও মলমপার্টির সদস্যদের অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ফুলবাড়ীয়ায় নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী প্রদান

রিফাত আহমেদ রিজভী, স্টাফ রিপোর্টার।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৪ পিএম
ফুলবাড়ীয়ায় নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী প্রদান

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক উইমেন্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এ অসাধারণ ও সাহসী নৈপুণ্য প্রদর্শন করায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সাথে নারী ফুটবলারদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বিশেষ শিক্ষা সামগ্রী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ জেলা স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের খেলায় অংশ নেয় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নারী ফুটবল দল। কে এন বি এস যুব ফুটবল একাডেমির পরিচালক সার্জন বিপ্লবের কোচিং ও নির্দেশনায় পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা উপহার দেয় দলের মেয়েরা। অত্যন্ত টানটান উত্তেজনার ম্যাচটিতে টাইব্রেকারে মাত্র ১ গোলের ব্যবধানে ফুলবাড়ীয়া দল পরাজিত হলেও, খেলোয়াড়দের অদম্য সাহসিকতা ও মাঠের পারফরম্যান্স জেলা জুড়ে সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

খেলোয়াড়দের এই উদ্যম ও অদম্য সাহসিকতাকে উৎসাহিত করতে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্বউদ্যোগে তাঁর কার্যালয়ে এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এ সময় তিনি বিজয়ী মনোভাব নিয়ে লড়াই করা নারী ফুটবলারদের হাতে বিশেষ স্মারক উপহার হিসেবে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেন।

শিক্ষা সামগ্রী প্রদানকালে ইউএনও তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ফুটবলারদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মাঠের এই লড়াই ও সাহস আমাদের গর্বিত করেছে। একই সাথে ক্রীড়া ক্ষেত্রের সাফল্যের পাশাপাশি লেখাপড়ার প্রতি সমানভাবে মনোযোগ প্রদান করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানান।

সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ ইমরান হাসান এবং ক্রীড়া সংস্থার সদস্য রমি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ পিএম
‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল  ‎

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় রেঞ্জের নিয়মিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের হাতে এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা। পর্যালোচনা সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলা নিষ্পত্তি, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের মূল্যায়ন এবং এটি দায়িত্ব পালনে পেশাগত উৎসাহ ও কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জনের পেছনে ধোবাউড়া থানার প্রতিটি সহকর্মীর নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে। তাই এই অর্জন আমি থানার সব সহকর্মীর প্রতি উৎসর্গ করছি।

‎তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে তিনি ও তাঁর পুরো টিম ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়, অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে বসতঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি ট্রান্সফরমার। এতে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের গোরকপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধুরাইল ইউনিয়নের পশ্চিম পাবিয়াজুরী ও গোরকপুর এলাকায় আকস্মিক ঝড়টি আঘাত হানে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে এলাকার বহু বসতঘরের চালা উড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিম পাবিয়াজুরীর সুমন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে গোরকপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা গাছ সরিয়ে সড়কটি সচল করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে গোরকপুর এলাকায় তিনটি ট্রান্সফরমার ও কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎহীন রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোরকপুর উত্তরপাড়া এলাকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের বসতঘর ও রান্নাঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে ঘরের বিভিন্ন অংশ। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে টিন ও কাঠের খুঁটি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাই। অনেক কষ্ট করে নতুন ভিটায় ঘর করেছিলাম। কিন্তু মাত্র এক মিনিটের ঝড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমাকে সহযোগিতা করলে খুব উপকার হতো।’

গোরকপুর ও পশ্চিম পাবিয়াজুরী এলাকার আরও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধবা রাহিলার বসতঘরও ঝড়ে ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটে। ঝড়ে আমার ঘরটাও ভেঙে গেছে। আমার একটা ব্যবস্থা করে দেন।’

ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ ঘরের চালা উড়ে যাওয়ার সময় ভাঙা খুঁটির নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রুবেলের স্ত্রী রেনুয়ারা বলেন, ‘ঝড়ের সময় ঘরের খুঁটি ভেঙে পড়ে আমার স্বামী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পশ্চিম পাবিয়াজুরীর বাসিন্দা আজি রহমানের বসতঘর ও গোয়ালঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ঘরের চারটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরুর পা কেটে গেছে। এ ঘটনায় তার দুই ছেলেও আহত হয়েছেন।

গোরকপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয় চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের ঝড়ে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অবগত হয়েছেন। একটি টিম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য মোস্তফা কামাল বলেন, রাতে এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ঝড়ের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেলের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে।