সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৪৭ জন

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অভিযানে গ্রেফতার ৪৭ জন

গত ২৪ ঘন্টায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া মোট ৪৭ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়।

 

 

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন (৪০), আওয়ামীলীগের সমর্থক, পিতা-মৃত মমরোজ আলী, মাতা-মৃত ফিরোজা খাতুন, সাং-চর হাসাদিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন চর হাসাদিয়া এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) টিটু সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মারামারি মামলার আসামী ১। মোঃ আশিকুর রহমান (১৯), পিতা-মোঃ হযরত আলী, সাং-নারকেল বাগান রোড, বয়ড়া ভালুকা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে ইং ২৮/১১/২০২৪ তারিখ রাত অনুমান ২০.১৫ ঘটিকার সময় কোতোয়ালী মডেল থানাধীন বয়ড়া ভালুকা সুপারী বাগান মসজিদের পাশে জনৈক সুমন এর মুদির দোকানের সামনে হইতে গ্রেফতার করেন।

এসআই (নিঃ) অংকন সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া চুরি মামলার আসামী ১। মোঃ লোকমান (২৬), পিতামৃত-মিজানুর রহমান, মাতা-মোছাঃ নার্গিস আক্তার, সাং-গলগন্ডা, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) খলিলুর রহমান সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আরিফ (৫২), ০৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি, পিতামৃত-শহর আলী, মাতামৃত-আবে খাতুন, সাং-গোহাইলকান্দি জামতলা মোড়, থানা- কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন গোহাইলকান্দি এলাকা হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) টিটু সরকার সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া দস্যুতার চেষ্টা মামলার আসামী ১। মোঃ আসিফ (২৩), পিতামৃত-আইনুল হক, মাতা-আছমা বেগম, ২। প্রান্ত সরকার (১৯), পিতা-প্রদীপ সরকার, মাতা-অনুরাধা সরকার, ৩। নিলয় কর্মকার (১৯), পিতা-নির্মল কর্মকার, মাতা-মনি কর্মকার, সর্ব সাং-কালিবাড়ী কবরখানা রোড, ৪। রাহুল (১৯), পিতামৃত-রতন বর্ণিক, মাতা-লক্ষী বর্ণিক, সাং-জেসি গুহ রোড, সর্ব থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহদের কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ১/ডি জেসি গুহ রোড (স্টেশন গেইট) প্রগতি গেষ্ট হাউজের সামনে সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহাদের নিকট হইতে ০৪টি চাকু ও ০৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।

ইছাড়াও র‌্যব-১৪ থানা এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫৫), পিতা-মৃত রজিব উদ্দিন, ২। রাজিয়া সুলতানা (৬২), পিতা-মৃত আব্দুর রকিব, উভয়সাং-পূর্ব রামচন্দ্রপুর, ৩। মোছাঃ রিনা বেগম (৩৫), স্বামী-রেজাউল করিম, সাং: উত্তর গোপালপুর, সর্বথানা: পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাটদেরকে কোতোয়ালী মডেল থানা সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডের ভাটিবাড়েড়া সাকিনস্থ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পশ্চিম পাশে জনৈক শফিকুল ইসলাম এর ‘‘ভাই ভাই হোটেলের” সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন এবং তাহাদের নিকট হইতে ১৯০২ পিস ইনজেকশন উদ্ধার করেন।

 

এসআই (নিঃ) আলী আকবর সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ আব্দুল মতিন (৬২), পিতা-মৃত আব্দুল জব্বার বেপারী, মাতা-রেজিয়া খাতুন, সাং- সরস্বতীকান্দা, ২। মোঃ জুলহাস মিয়া (২২), পিতা-হাফিজ উদ্দিন, মাতা-শেফালী আক্তার, সাং-বালিদিয়া, ৩। হাসান মিয়া (২১), পিতা-আতিকুল ইসলাম, মাতা-পারুল আক্তার, সাং-কাকচর নয়াপাড়া, ৪। আরিফুল ইসলাম (২৬), পিতা-নজরুল ইসলাম, মাতা-মোছাঃ সালমা বেগম, সাং- সরস্বতীকান্দা, ৫। আসাদুল ইসলাম (৪২), পিতা-আলী উদ্দিন, মাতা-মৃত তহুরুন নেছা, সাং-তালতলা, ৬। শাহ জালাল (৬৫), পিতা-মৃত আবুল কাশেম, মাতা-মোছাঃ জাহিদা খাতুন, সাং-কাকচর চকপাড়া, ৭। আব্দুর রশিদ (৩২), পিতা-চাঁন মিয়া, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-কাঁঠাল রাজাবাড়ী, ৮। মোঃ সোহাগ (৩০), পিতা-মৃত শামছুল হক, মাতা-নুর জাহান, সাং-কাকচর চকপাড়া, ৯। সাব্বির আহম্মেদ (১৯), পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, মাতা-রওশনারা, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১০। আতিকুল ইসলাম (৫৫), পিতা-শমসের আলী, মাতা-মোছাঃ বানু, সাং-কাকচর, ১১। মোঃ জাহিদ হাসান (২১), পিতা-আব্দুল সালাম, মাতা-জোৎ¯œা আরা বেগম, সাং-বড়মা, ১২। দুলাল মিয়া (৪৮), পিতা-মৃত নাজিম উদ্দিন @ নজিম উদ্দিন, মাতা-ফালানী খাতুন, সাং-তালতলা, ১৩। শওকত আলী (৩০), পিতা-জালাল উদ্দিন, মাতা-হাজেরা খাতুন, সাং-বড়মা, ১৪। আতিকুল ইসলাম (২৫), পিতা-মৃত আব্দুর জব্বার, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১৫। মোঃ দুলাল (৩৮), পিতা-মৃত তাইজ উদ্দিন, মাতা-ফিরোজা খাতুন, সাং-বড়মা, ১৬। মোঃ আরিফুল ইসলাম (২৪), পিতা-মোফাজ্জল হোসেন, মাতা-বেদেনা খাতুন, সাং-বালিদিয়া, ১৭। আব্দুর মালেক (৩৩), পিতা-আব্দুল মান্নান, মাতা-রোকেয়া বেগম, সাং-চকরামপুর কাজিরকান্দা, ১৮। মোঃ বোরহান উদ্দিন (২৭), পিতা-আব্দুর রাজ্জাক, মাতা-রওশনারা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ১৯। মোঃ ইউনুছ আলী (২৬), পিতা-জালাল উদ্দিন, মাতা-হাজেরা খাতুন, সাং-বড়মা, ২০। হুমায়ুন কবির (৩২), পিতা-সিরাজুল ইসলাম, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-কাকচর, ২১। মোঃ রিপন মিয়া (৩২), পিতা-মৃত চাঁন মিয়া, মাতা-রুপজান নেছা, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২২। মামুন মিয়া (১৯), পিতা-মোঃ রুহুল আমিন, মাতা-মোছাঃ রোকেয়া খাতুন, সাং-বালিদিয়া, ২৩। মোঃ আল আমিন (২৬), পিতা-আব্দুল হেকিম, মাতা-মজিদা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৪। মোঃ রাসেল (২৩), পিতা-মোঃ আব্দুল খালেক, মাতা-মোছাঃ মমতা বেগম, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৫। মোঃ মানিক মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ আব্দুর রশিদ, মাতা-রাবেয়া খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৬। মোঃ লিটন মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত মাহমুদ আলী, মাতা-আম্বিয়া খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, ২৭। মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৫), পিতা-মোঃ কছিম উদ্দিন খান, মাতা-আমেনা খাতুন, সাং-বড়মা, ২৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত মাহমুদ আলী বেপারী, মাতা-মৃত রমিছা খাতুন, সাং-সরস্বতীকান্দা, সর্ব থানা-ত্রিশাল, ২৯। মোঃ নাজমুল হুদা ফরাজী (৩৫), পিতা-আব্দুল কদ্দুছ, মাতা-তাসফিয়া খাতুন, সাং-তেলীগ্রাম, থানা-ফুলবাড়ীয়া, এ/পি সাং-বনগ্রাম, থানা-ত্রিশাল, সর্ব জেলা-ময়মনসিংহ, ৩০। মোঃ আকরাম হোসেন (২৩), পিতা-মোঃ সুরুজ আলী, মাতা-সাবানা আক্তার, ৩১। ইমান উদ্দিন (২৪), পিতা-তরিকুল ইসলাম, মাতা-নুরজাহান, উভয় সাং-সিদ্ধরপুর, ৩২। মোঃ আসাদ মিয়া (৩৫), পিতা-সালেম উদ্দিন, মাতা-সাহেরা খাতুন, সাং-ছোট কাইলাটি, সর্ব থানা-নেত্রকোণা সদর, জেলা-নেত্রকোনা’দেরকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজের পশ্চিম পাশে জয় বাংলা চত্ত্বরের সামনে হইতে গ্রেফতার করেন।

 

১। মোঃ রাকিবুল হাসান রাজিব (২৬), পিতা-মৃত মুনসুর আলী, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম দুলদুল ক্যাম্প, ২। ইলিয়াস কাঞ্চন (২৫), পিতা-গোলাপ মিয়া, মাতা-মোছাঃ আছিয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম র‌্যালীর মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এসআই (নিঃ) নুরুল ইসলাম সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ রাকিবুল হাসান রাজিব (২৬), পিতা-মৃত মুনসুর আলী, মাতা-রোকেয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম দুলদুল ক্যাম্প, ২। ইলিয়াস কাঞ্চন (২৫), পিতা-গোলাপ মিয়া, মাতা-মোছাঃ আছিয়া খাতুন, সাং-পাটগুদাম র‌্যালীর মোড়, উভয় থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

এএসআই (নিঃ) ইমরান আলী সংগীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া অন্যান্য মামলার আসামী ১। মোঃ জসিম উদ্দিন (২৫), পিতা-আব্দুর রশিদ, মাতা-আমেনা বেগম, সাং-থানারঘাট, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন দিঘারকান্দা মোড় এলাকায় সরকারী পাকা রাস্তার উপর হইতে গ্রেফতার করেন।

 

ইহাছাড়াও এসআই (নিঃ) মোজাম্মেল হোসেন থানা এলাকা অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১টি সিআর পরোয়ানা ভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

 

সিআর পরোয়ানা ভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

 

১। মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিতা-মোফাজ্জল হোসেন, স্থায়ী : গ্রাম- চর খরিচা, উপজেলা/থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা –ময়মনসিংহ

 

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ পিএম
‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের সেরা ওসি ধোবাউড়ার শফিকুল  ‎

‎ময়মনসিংহ রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় রেঞ্জের নিয়মিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাদের হাতে এই স্বীকৃতি ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা। পর্যালোচনা সভায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং রেঞ্জের বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মামলা নিষ্পত্তি, ক্লুলেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটন এবং ওয়ারেন্ট তামিলসহ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‎শ্রেষ্ঠ ওসির স্বীকৃতি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, যেকোনো স্বীকৃতিই কাজের মূল্যায়ন এবং এটি দায়িত্ব পালনে পেশাগত উৎসাহ ও কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এই অর্জনের পেছনে ধোবাউড়া থানার প্রতিটি সহকর্মীর নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে। তাই এই অর্জন আমি থানার সব সহকর্মীর প্রতি উৎসর্গ করছি।

‎তিনি আরও জানান, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আইনি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে তিনি ও তাঁর পুরো টিম ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়, অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
চালা উড়ে গেছে, উপড়ে পড়েছে গাছ-বিদ্যুতের খুঁটি; তিন ট্রান্সফরমার নষ্ট, আহত ৩

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে বসতঘরের টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি ট্রান্সফরমার। এতে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের গোরকপুর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধুরাইল ইউনিয়নের পশ্চিম পাবিয়াজুরী ও গোরকপুর এলাকায় আকস্মিক ঝড়টি আঘাত হানে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে এলাকার বহু বসতঘরের চালা উড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পশ্চিম পাবিয়াজুরীর সুমন চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে গোরকপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে থাকায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়রা গাছ সরিয়ে সড়কটি সচল করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে গোরকপুর এলাকায় তিনটি ট্রান্সফরমার ও কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঝড়ের পর থেকেই বিদ্যুৎহীন রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, গোরকপুর উত্তরপাড়া এলাকার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শফিকুল ইসলামের বসতঘর ও রান্নাঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে ঘরের বিভিন্ন অংশ। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে টিন ও কাঠের খুঁটি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। অটোরিকশা চালিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাই। অনেক কষ্ট করে নতুন ভিটায় ঘর করেছিলাম। কিন্তু মাত্র এক মিনিটের ঝড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমাকে সহযোগিতা করলে খুব উপকার হতো।’

গোরকপুর ও পশ্চিম পাবিয়াজুরী এলাকার আরও অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিধবা রাহিলার বসতঘরও ঝড়ে ভেঙে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। অনেক কষ্টে দিন কাটে। ঝড়ে আমার ঘরটাও ভেঙে গেছে। আমার একটা ব্যবস্থা করে দেন।’

ঝড়ের সময় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল। হঠাৎ ঘরের চালা উড়ে যাওয়ার সময় ভাঙা খুঁটির নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রুবেলের স্ত্রী রেনুয়ারা বলেন, ‘ঝড়ের সময় ঘরের খুঁটি ভেঙে পড়ে আমার স্বামী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পশ্চিম পাবিয়াজুরীর বাসিন্দা আজি রহমানের বসতঘর ও গোয়ালঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ঘরের চারটি চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গোয়ালঘরে থাকা একটি গরুর পা কেটে গেছে। এ ঘটনায় তার দুই ছেলেও আহত হয়েছেন।

গোরকপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয় চত্বরে বেশ কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে আছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের ঝড়ে বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি অবগত হয়েছেন। একটি টিম ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ইউপির সাবেক সদস্য মোস্তফা কামাল বলেন, রাতে এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ঝড়ের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেলের একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে।

‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
‎ময়মনসিংহে সৌখিন পরিবহনের বাসে আগুন, নাশকতার সন্দেহ

‎ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সৌখিন পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে কেউ হতাহত হননি।

‎খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।

‎ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

‎অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বাসটিতে বাইরে থেকে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

‎ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

‎এদিকে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, মাসকান্দা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা জানতে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। জব্দ করা আলামত ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

‎তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনায় কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।