বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

মসিকের কাঁচিঝুলি’তে লে-আউট নকসা ও প্লান অমান্য করে বহুতল ১০তলা ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় অপসারণের নির্দেশ

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:২২ পিএম
মসিকের কাঁচিঝুলি’তে লে-আউট নকসা ও প্লান অমান্য করে বহুতল ১০তলা ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় অপসারণের নির্দেশ

ময়মনসিংহে কাচিঝুলি গোলাপজান রোডে সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান বাবুলের বাসার পাশে ডঃ মাহবুবুর রহমান গং শিক্ষক চাকুরিজীবী ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট বিল্ডিং কোর্ডের নিয়ম নিতীমালার কোন তোয়াক্কা না করেই অনুমোদিত লে-আউট নকসা ও প্ল্যান অমান্য করে বহুতল ১০ (দশ তলা) ফাতিহা ভবন নির্মাণ করায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় বর্ধিত অংশ অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন ময়মনসিংহ বি. সি কমিটি ও সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ।

 

ময়মনসিংহে অপরিকল্পিত বহুতল ভবন নির্মাণ করার অনেক অভিযোগ রয়েছে ব্যক্তি মালিকানা এবং বিভিন্ন হাউজিং নির্মাণ প্রতিষ্ঠান গুলির বিরুদ্ধে যাদের অনেকেই সিটি কর্পোরেশনের বিল্ডিং কোড নিয়ম নীতিমালা উপেক্ষা করে যে যার মতো অধিক মুনাফা অর্জন করার জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন কতিপয় সিন্ডিকেট করে।

 

যাহার দরুণ ভূমির পরিমান ও ভবনের তলার উচ্চতা অনুসারে অনুমোদিত লে-আউট নকসা ও লে-আউট প্লান অমান্য করে বিল্ডিং কোর্ডের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর হিরিক পরে গেছে।

 

অনুমোদিত নকশার ইনডোর, আউটডোরে ব্যাপক গরমিল করে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

 

এছাড়াও সরকারের ভিপি সম্পত্তিতে গৌরহরী বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদনের সফলতা দেখিয়েছেন এই সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্টরা, এ সকল সংবাদ প্রকাশিত হলেও দুর্নীতিগ্রস্তরাই দায়িত্বে থাকায় তদন্তের নামে চিঠি চালাচালি করলেও দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

 

রবিবার (১৩ অক্টোবর) ২০২৪ তারিখে নিয়ম বহির্ভূত একটি বহুতল ভবন নির্মাণের ঘটনাস্থলে পরিদর্শন কালে সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান বাবুল ঐ ভবনের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র দেখালেন যা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ময়মনসিংহ বি.সি. কমিটি কর্তৃক ডঃ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান গং, ১৩/ক গোলাপজান রোড, কাঁচিঝুলি, সদর, ময়মনসিংহ যার বিআরএস দাগ নং-৪৬৬, ৪৬৮, খতিয়ান নং বিআরএস -৩৪৪০, জেএল নং-৭৪, মৌজা-গোহাইলকান্দি এর নির্মানাধীন ০৯ (নয়) তলা আবাসিক ভবনের লে-আউট নকশা ও প্লান অনুমোদন দেয়া হয়।

 

নির্মাণাধীন বহুতল ভবনটির বিযয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক সভাপতি বিসি কমিটি বরাবরে অভিযোগ করা হলে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ এর মাধ্যমে ভবনটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও পরিমাপ করা হয়। বি.সি কমিটির তদন্তে দেখা যায় অনুমোদিত লে-আউট নকশা অনুযায়ী উক্ত ভবনের সম্মুখে ছাড়তে হবে ১.৫০ মিটার কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার, দুই পাশে ছাড়তে হবে ১.২৫ মিটার করে কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার এবং পিছনে ছাড়তে হবে ২.০০ মিটার কিন্তু ছাড়া হয়েছে ০.৩০ মিটার যাহার অনুমোদিত লে-আউট নকশা অনুযায়ী ছাড়া হয়নি। যাহাতে অনুমোদিত লে-আউটের ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে।

 

এছাড়াও ০৯ (নয়) তলা আবাসিক ভবনের লে-আউট প্লান অনুমোদন নিয়ে ডঃ মুহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান গং, ১০ (দশ তলা) নির্মাণ করেছেন। অনুমোদন বহির্ভূত নির্মিত ১০ (দশ তলা) অপসারণ এবং অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানের সেট-ব্যাগ অনুযায়ী বর্ধিত অংশ অপসারণ করার জন্য জেলা প্রশাসক কাগজপত্র পর্যালোচনা করেছেন এবং তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা ‘কে অনুরোধ ক্রমে নির্দেশ দেন।

 

সিটি কর্পোরেশন নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস ও গণপূর্ত বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ জিলুর রহমান সিদ্দিকী সদস্য সচিব বি.সি কমিটি ময়মনসিংহ সংশ্লিষ্টদের পত্র প্রেরণের মাধ্যমে একাধিক বার আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রকৃয়া অব্যাহত থাকলেও সাবেক মেয়র ইকরামুল হক টিটু এই অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বাদী ‘কে অজ্ঞাত কারণে ৩ মাস অপেক্ষা করতে সময় নেওয়ার পরেও অজ্ঞাত কারণে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

 

অবশেষে এই বিষয়ে বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বরাবরে উপরোক্ত সমস্ত কাগজ পত্র দাখিল করলে তিনি এই ফাতিহা ভবনটি নির্মাণে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং মানস বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক পত্রে মাহবুবুর রহমান গং বিবাদী পক্ষ’কে উক্ত ফাতিহা ভবন এর সকল বর্ধিত অংশ ১৫ দিনের মধ্যে ভেঙ্গে অপসারণ করে সিটি কর্পোরেশন’কে অবহিত করা সহ ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ ক্রমে নির্দেশ দিয়েছেন ।

 

এছাড়াও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহের দুর্নীতিগ্রস্থদের চিহ্নিত করা সহ অভিলম্ভে অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যান নকশা অনুযায়ি বর্ধিত অংশ অপসারণ ও বিল্ডিং কোর্ড আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নগরবাসী কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম
মমেক হাসপাতালে রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন নিশ্চিত করার আহবান- ওয়াহাব আকন্দ এমপি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) সকালে পরিদর্শন কালে স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের সেবার মানউন্নয়ন ও সদাচরণ নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সদর-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের রোগীসেবার মান, চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম এবং সার্বিক পরিবেশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি ভর্তি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সেবা নিয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলে হাসপাতালের সেবার মান সম্পর্কে মতামত শোনেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই। প্রত্যেক রোগী যেন যথাযথ, সময়োপযোগী ও মানবিক চিকিৎসা সেবা পান, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। চিকিৎসা শুধু একটি পেশা নয়, এটি মানবিক সেবার মহান দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এই উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি পায়, সে বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতালের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে এমপিকে অবহিত করেন। এমপি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি নির্দেশ দেন, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে সেবার মান আরও উন্নত করতে হবে এবং কোনো রোগী যেন অবহেলার শিকার না হন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো উপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের সার্বিক পরিবেশ ও সেবার মান সন্তোষজনক হলেও কিছু বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে বলে মত দেন তিনি। দ্রুত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ এম
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন-এর যানবাহন শাখায় দুর্নীতির রাজত্ব: লাইসেন্সবিহীন চালকে চলছে সরকারি গাড়ি

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের যানবাহন শাখায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তা ও ড্রাইভারের যোগসাজশে বরাদ্দকৃত গাড়ি একাধিক ব্যক্তি দিয়ে চালানো, বহিরাগত ও লাইসেন্সবিহীন চালক দিয়ে সরকারি যানবাহন পরিচালনা এবং মাসিক ভাতার ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এতে সরকারি সম্পদের অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী (শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) শফি কামালের নির্দেশে বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে সরকারি গাড়ি চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে অফিসের নিয়মিত নিয়োগপ্রাপ্ত চালকেরা অনেক সময় বসে থাকলেও বাইরে থেকে আনা ব্যক্তিরা মৌখিক নির্দেশে গাড়ি পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন: যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, তবে দায়ভার কে নেবে? মৌখিক নির্দেশে বহিরাগত ও অননুমোদিত চালকদের দিয়ে গাড়ি চালানো আইনগতভাবেও গুরুতর অপরাধ বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ড্রাইভার সিদ্দিকের নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ থাকলেও তিনি দিনে ও রাতে পৃথকভাবে দুটি গাড়ি পরিচালনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, একটি গাড়ি দিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়া এবং অন্যটি দিয়ে রাস্তায় পানি ছিটানোর কাজ করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, একই ব্যক্তির নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ ও পরিচালনা প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী এবং এতে সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড্রাইভার রাজার বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ। তার নামে দুটি গাড়ি বরাদ্দ এবং দুটি মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য ড্রাইভারদের তুলনায় তার বেতন বেশি এবং তিনি মাস্টাররোলভুক্ত হিসেবেও অতিরিক্ত সুবিধা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ড্রাইভার খালেকের নামে বরাদ্দকৃত ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক বাস্তবে চালান ফারুক নামে আরেক ব্যক্তি, যার কোনো বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা চাকরির কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ভারী যানবাহন পরিচালনা জননিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোলার চালক বারেকের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শফি কামালের নির্দেশে বোম এক্সাভেটর (২) ও রোলার নিজে এবং তার ভাতিজা বিল্লালকে দিয়ে পরিচালনা করছেন। বিল্লালের সিটি কর্পোরেশনে কোনো চাকরি নেই এবং তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়লাকান্দা এলাকায় বোম এক্সাভেটর (২) গত দুই বছর ধরে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পরিচালিত হচ্ছে, অথচ সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত চালকেরা বসে থাকেন। বর্তমানে আরও একটি ড্রোজারও বারেক নিজে পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, বহিরাগত চালকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে তাদের দিয়ে সরকারি গাড়ি চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বহীন হয়ে পড়ছেন, অন্যদিকে সরকারি অর্থ ও সম্পদের অপব্যবহার হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি যানবাহন পরিচালনায় সঠিক নথিপত্র, বৈধ লাইসেন্স ও অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে এবং ক্ষতিপূরণ বা দায়ভার নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং সরকারি যানবাহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে যান্ত্রিক প্রকৌশলী নির্বাহী শফি কামাল মঠো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ বৃত্তিহীন। তবে মাস্টার রোলে তারা কাজ করছে। তিনি দায় শিকার এরিয়ে যান।

ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।। প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
ময়মনসিংহের চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে?

ময়মনসিংহ–ত্রিশাল সড়কে সিএনজি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দেবব্রত দাস দুকুলসহ তিন জনের নামে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর: ৪৪।

চাঁদাবাজি মামলা রুজু হওয়ার পরেও দুকুলকে গ্রেফতারে নেই পুলিশের কোন তৎপরতা। প্রশ্ন উঠেছে, চাঁদাবাজ দুকুল এখন কার কূলে? কোন অদৃশ্য শক্তির বলয়ে দুকূলকে গ্রেফতার করেছে না পুলিশ?

এবিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুস সাকিবের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।