কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ৪ নম্বর ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা না করলেও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও গণসংযোগ বাড়িয়েছেন। এরই মধ্যে তরুণ সমাজসেবক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্থানীয় রাজনীতির আলোচনায় উঠে এসেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে ঘাগড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে মতবিনিময় সভা, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চালিয়ে আসছেন মোস্তফা কামাল। তিনি ইউনিয়নের ভরা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে মোস্তফা কামাল এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন। গণসংযোগকালে তিনি ঘাগড়া ইউনিয়নকে আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন।
সম্ভাব্য নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে ইউনিয়নের স্কুল-মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, মসজিদ-মাদ্রাসার সংস্কারে সহায়তা, গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বেকার যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।
স্থানীয় বাসিন্দা সিহারা গামের গোলাপ মিয়া বলেন, “মোস্তফা কামাল বিভিন্ন সামাজিক কাজে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। দক্ষিণ হাটির মসজিদের কাজেও তিনি সহযোগিতা করেছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে বলে আমরা আশা করি।”
এদিকে মাঠপর্যায়ে গণসংযোগের কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মোস্তফা কামালের উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর প্রার্থীদের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীসংখ্যা, দলীয় সমর্থন ও ভোটারদের মনোভাবের ওপর নির্ভর করে ঘাগড়া ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠ আরও সরগরম হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে গণসংযোগ চালিয়ে আলোচনায় রয়েছেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।

মিঠামইন প্রতিনিধি।।