সারাদেশের মত ময়মনসিংহেও শুরু হয়েছে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২। সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এ অভিযান জোরদার করা হয়। সিদ্ধান্ত কার্যকরের পর থেকেই ময়মনসিংহ জেলা জুড়ে চলছে ব্যাপক তল্লাশি ও গ্রেপ্তার অভিযান।
ময়মনসিংহ নগরী, ত্রিশাল ও ভালুকাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর আওতায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ সময় কোনো অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ জেলা ও নগরী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-এর মোট ১৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও পেনাল কোডে দায়ের করা মামলার সন্দেহভাজন আসামি।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গত দুই দিনে জেলায় মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এতে স্পষ্ট, ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে পুলিশ এখন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণে পরিস্থিতি বিবেচনায় এ অভিযান আরও বিস্তৃত ও জোরদার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইউটিভি ডেস্ক রিপোর্ট।।